📌 দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও পা দিয়ে লেখালেখি করে বিদ্যালয় গড়ে তোলেন আলতাফ হোসেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর উদ্যোগের প্রশংসা করে নতুন ভবন নির্মাণের আশ্বাস দেন। নায়লা শারাফ ও রেজাউল কিবরিয়া বাবুলও তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী
দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও পা দিয়ে লেখালেখি করে নিজের জীবনসংগ্রামের ফলস্বরূপ একটি বিদ্যালয় গড়ে তোলেন মো. আলতাফ হোসেন। তাঁর এই উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন। বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আলতাফ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তাঁর জীবনসংগ্রামের কথা শুনে মুগ্ধ হন প্রধানমন্ত্রী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **পা দিয়ে লেখালেখি করে বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন** মো. আলতাফ হোসেন, যিনি জন্ম থেকেই দুই হাত হারিয়েছেন।
- 📌 **১৪৫ শিক্ষার্থী ও ১০ শিক্ষক** নিয়ে পরিচালিত তাঁর বিদ্যালয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন ভবন নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন।
- 📌 **নায়লা শারাফ** (বুয়েট পাস) ও **রেজাউল কিবরিয়া বাবুল** (৩০ বছরের বৃক্ষরোপণ কর্মী) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম’।
📰 বিস্তারিত
জন্ম থেকেই দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও পা দিয়ে লেখালেখি করে নিজের জীবনসংগ্রামের ফলস্বরূপ একটি বিদ্যালয় গড়ে তোলেন মো. আলতাফ হোসেন। তিনি পা দিয়ে লেখালেখি শিখেছেন এবং নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থে প্রতিষ্ঠা করেছেন **প্রতিভা দুঃখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুল**। এই বিদ্যালয়টি নরসিংদীর পাঁচদোনায় অবস্থিত এবং বর্তমানে **১৪৫ শিক্ষার্থী** ও **১০ শিক্ষক** দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আলতাফ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন **নায়লা শারাফ** (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস) এবং **রেজাউল কিবরিয়া বাবুল** (৩০ বছরের বৃক্ষরোপণ কর্মী)। নায়লা শারাফ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পরে **৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ** হলেও সরকারি চাকরি ছেড়ে শিক্ষকতা পেশা বেছে নেন। তিনি নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাদানের জন্য নিজস্ব শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করেন।
দীর্ঘ **৩০ বছরের** অভিজ্ঞতা নিয়ে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বৃক্ষরোপণে নিজের অর্থ ও শ্রম দিয়ে হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন। তিনি পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে নার্সারি গড়ে তোলেন এবং উৎপাদিত চারা বিভিন্ন এলাকায় রোপণ করেন। তাঁর লাগানো গাছগুলো এখন পথচারীদের ছায়া দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তিনজনের উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন। আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে।’
"দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন। আপনাদের মতো সবাই এগিয়ে এলে দেশ গঠন সহজ হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা (সচিবালয়), নরসিংদী (পাঁচদোনা), নেত্রকোনা (পাঁচআননপুর), ভোলা (চরফ্যাশন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলতাফ হোসেন, নায়লা শারাফ, রেজাউল কিবরিয়া বাবুল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪৫ শিক্ষার্থী, ১০ শিক্ষক, ৩৪তম বিসিএস, ৩০ বছর (বৃক্ষরোপণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!