📌 মাস্তুল ফাউন্ডেশন ২০১২ সালে শুরু হওয়া একটি মানবিক উদ্যোগ, যা ১৫ বছরে শিক্ষা, খাদ্য, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানসহ বহুমুখী সেবা প্রদান করে আসছে। প্রতিষ্ঠাতা কাজী রিয়াজ রহমানের নেতৃত্বে এই সংস্থা বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিকভাবে দরিদ্র ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে
১৫ বছরের মানবিক প্রচেষ্টার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের অসহায় ও বিপন্ন মানুষের জীবন পরিবর্তন করে তুলেছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন। ২০১২ সালে কাজী রিয়াজ রহমানের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই অলাভজনক সংস্থাটি পথশিশুদের শিক্ষা দিয়ে শুরু করে এখন শিক্ষা, খাদ্য, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, আশ্রয় ও আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার বিস্তৃত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে এনজিওবিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধিত এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে কাজ করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৫ বছরের মানবিক প্রচেষ্টায়** মাস্তুল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিকভাবে ১৫টি দেশে সহায়তা প্রদান করেছে
- 📌 **প্রতিষ্ঠাতা কাজী রিয়াজ রহমান** বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে টিউশনির অর্থ থেকে পথশিশুদের শিক্ষা দিয়ে এই উদ্যোগের সূচনা করেছিলেন
- 📌 **১৫টি এলাকায় ‘মেহমানখানা’ প্রকল্প** চালু করেছে, যেখানে প্রতিদিন ১৫টি এলাকায় অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করা হয়
- 📌 **১০ তলাবিশিষ্ট ইসলামিক শেল্টারহোম কমপ্লেক্স** নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রমের ব্যবস্থা থাকবে
- 📌 **গাজা, তুরস্ক, সুদান ও নেপালসহ** আন্তর্জাতিক মানবিক সংকটে সহায়তা প্রদান করছে
- 📌 **জাকাত ও সদকার অর্থের সঠিক ব্যবহার** করে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও উদ্যোক্তা গড়ে তুলছে দরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে
📰 বিস্তারিত
মাস্তুল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক কাজী রিয়াজ রহমানের নেতৃত্বে এই সংস্থা ২০১২ সালে শুরু হয়েছিল পথশিশুদের শিক্ষা দিয়ে। বর্তমানে এটি শিক্ষা, খাদ্য, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, আশ্রয় ও দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রেও কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে।
মাস্তুলের ‘মেহমানখানা’ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকার ১৫টি এলাকায় প্রতিদিন অসহায়, পথচারী ও নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘমেয়াদি স্বাবলম্বিতার লক্ষ্যে জাকাত ও সদকার অর্থের সঠিক ব্যবহার করে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও উদ্যোক্তা গড়ে তুলছে। এছাড়াও, প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার হাজারীবাগের বারইখালি এলাকায় একটি মাদ্রাসা, এতিমখানা ও শেল্টার হোম পরিচালনা করছে, যেখানে সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম শিশুদের শিক্ষা ও পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা হয়।
দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে মাস্তুল ফাউন্ডেশন সর্বদা মানুষের পাশে দাঁড়ায়। করোনা মহামারির সময় বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন থেকে শুরু করে ২০২২, ২০২৪ ও ২০২৬ সালের বন্যায় ত্রাণসহায়তা প্রদান করেছে। এছাড়াও, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের আওতায় বেওয়ারিশ মরদেহ দাফনের মতো সংবেদনশীল কাজেও প্রতিষ্ঠানটি সক্রিয়।
মাস্তুল ফাউন্ডেশন আন্তর্জাতিকভাবেও সহায়তা প্রদান করে আসছে। তুরস্কের ভূমিকম্প, ফিলিস্তিনের গাজা, সুদান ও নেপালের মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে পুষ্টিকর খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি গাজায় যুদ্ধ ও অবরোধের শিকার শিশু ও সাধারণ পরিবারের জন্য বিশেষভাবে মনোনিবেশ করেছে।
"মাস্তুলের লক্ষ্য হলো সহায়তা পাওয়া একজন মানুষ যেন ভবিষ্যতে নিজের পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারেন এবং অন্যের পাশে দাঁড়ানোর সক্ষমতা অর্জন করতে পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (হাজারীবাগ, বারইখালি), বাংলাদেশ, তুরস্ক, ফিলিস্তিন (গাজা), সুদান, নেপাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী রিয়াজ রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর, ১৫টি এলাকা, ১০ তলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!