📌 শহরের এক পুরাতন পোস্ট অফিসের গলিতে অবস্থিত রহিম মেকারের ঘড়ির দোকানে এক ৮-৯ বছর বয়সী মেয়ের হাতে পৌঁছায় তার বোন সুচরিতার ১৯৭৮ সালের পুরোনো ঘড়ি। রহিম বুঝতে পারেন এই মেয়ে হলেন তার হারিয়ে যাওয়া বোনের নাতনি। তিনি ঘড়িটি মেরামত করে দেন এবং মেয়েটিকে একটি গোপন বার্তা দিয়ে পাঠান
শহরের এক পুরাতন পোস্ট অফিসের গলিতে অবস্থিত ‘সময় ঘড়িঘর’ নামের ছোট্ট ঘড়ির দোকানে এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া রহিম মেকার ৪০ বছর ধরে সময়ের সঙ্গে লড়াই করছেন। গত শীতের এক ঝাপসা বিকেলে, এক ৮-৯ বছর বয়সী মেয়ে তার দোকানে হাজির হন একটা পুরোনো পকেটঘড়ি নিয়ে। ঘড়িটির কাচ ভাঙা এবং চেইনে মরচে ধরা ছিল। মেয়েটি বললেন, ‘দাদু, এই ঘড়িটা ঠিক করে দেওয়া যাবে? আমার কাছে বেশি টাকা নেই, শুধু এই কয়েন আছে’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রহিম মেকারের দোকানে ৮-৯ বছর বয়সী মেয়েটি নিয়ে আসেন তার বোন সুচরিতার ১৯৭৮ সালের পুরোনো ঘড়ি, যার পেছনে খোদাই করা ছিল ‘সুচরিতা, ১৯৭৮’
- 📌 রহিম বুঝতে পারেন মেয়েটি হলেন তার হারিয়ে যাওয়া বোনের নাতনি, যিনি দাদির অসুস্থতার কথা বলেন
- 📌 রহিম ঘড়িটি মেরামত করে দেন এবং মেয়েটিকে বলেন, ‘দাদিকে বলো, তার ভাই এখনো প্রতিদিন সময় ঠিক করে অপেক্ষা করছে’
- 📌 মেয়েটি নাম তনিমা, তার দাদির অসুস্থতার কথা বলেন এবং বলেন, ঘড়ির টিকটিক শব্দ তাকে ভাইয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়
- 📌 রহিম মেয়েটিকে কোনো টাকা নেন না এবং তাকে বলেন, ‘আজ কোনো টাকা লাগবে না, খুকি’
📰 বিস্তারিত
রহিম মেকারের দোকান ‘সময় ঘড়িঘর’ শহরের এক কোণে অবস্থিত। তিনি ৪০ বছর ধরে ঘড়ি মেরামত করে যাচ্ছেন। একদিন, এক ৮-৯ বছর বয়সী মেয়ে তার দোকানে হাজির হন। মেয়েটি হাতে নিয়ে আসেন তার বোন সুচরিতার ১৯৭৮ সালের পুরোনো ঘড়ি। ঘড়ির পেছনে খোদাই করা ছিল ‘সুচরিতা, ১৯৭৮’। রহিমের চোখে জল জমে যায় যখন তিনি বুঝতে পারেন, এই মেয়ে হলেন তার হারিয়ে যাওয়া বোনের নাতনি।
মেয়েটি বলেন, ‘আমার নাম তনিমা। এটা আমার দাদির ঘড়ি। দাদি খুব অসুস্থ, হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে শুধু এই ঘড়ির টিকটিক শব্দ শুনতে চান। দাদি বলেন, শব্দটা নাকি ওনাকে ওনার হারিয়ে যাওয়া ভাইয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়’। রহিমের বুকে একটা গভীর অনুভূতি জাগে। তিনি ঘড়িটি মেরামত করে দেন এবং মেয়েটিকে বলেন, ‘আজ কোনো টাকা লাগবে না, খুকি। দাদিকে গিয়ে বলো, সময়ের চাকা আবার ঘুরতে শুরু করেছে। আর তাকে বোলো, তার ভাই এখনো প্রতিদিন সময় ঠিক করে অপেক্ষা করছে’।
তনিমা ঘড়িটি নিয়ে হাসিমুখে দৌড়ে চলে যান। রহিম দোকানের দরজায় দাঁড়িয়ে ঝাপসা চোখে জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সূর্যাস্ত দেখতে লাগলেন।
"আমার নাম তনিমা। এটা আমার দাদির ঘড়ি। দাদি বলেন, শব্দটা নাকি ওনাকে ওনার হারিয়ে যাওয়া ভাইয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শহরের এক পুরাতন পোস্ট অফিসের গলি, ‘সময় ঘড়িঘর’ নামের ঘড়ির দোকান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রহিম মেকার, তনিমা (৮-৯ বছর বয়সী মেয়ে), রহিমের হারিয়ে যাওয়া বোন সুচরিতা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বছর (রহিমের দোকান চালানোর বছর), ১৯৭৮ (ঘড়ির খোদাই করা বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!