📌 ফুটবলে প্রথমবারের মতো রেফারি ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহার করে হলুদ-লাল কার্ড দেখাচ্ছেন। উরুগুয়ে কাপের ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই প্রযুক্তি প্রশাসনিক কাজকে সহজ করবে, কিন্তু দৃশ্যমানতার সমস্যা রয়েছে। চীনে ভিত্তি স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান 'রেফে'র পরিচালক মাউরো সাকো বলেছেন, এটিই ফুটবলের শেষ অ্যানালগ প্রথা আধুনিকায়নের উদ্যোগ
ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রেফারি ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহার করে ম্যাচের সিদ্ধান্ত প্রদর্শন করছেন। উরুগুয়ে কাপের ন্যাসিওনাল ও রেনতিস্তাসের ম্যাচে গত বৃহস্পতিবার এই নতুন প্রযুক্তি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়। ডিজিটাল কার্ড দেখানোর উদ্দেশ্য হলো প্রশাসনিক কাজকে সহজতর করা এবং সিদ্ধান্তগুলো টাইমস্ট্যাম্প সহ রেকর্ড করা। এই উদ্যোগের পেছনে দাঁড়িয়েছে চীনে ভিত্তি স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান 'রেফে'।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উরুগুয়ে কাপের ম্যাচে রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা প্রথমবারের মতো ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহার করে হলুদ-লাল কার্ড প্রদর্শন করেছেন
- 📌 'রেফে' প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাউরো সাকো বলেছেন, ফুটবলে ডিজিটাল কার্ড দেখানোর ধারণা তিন বছরেরও বেশি সময় আগে জন্ম নেয়
- 📌 ডিভাইসটি ম্যাচের ঘটনাসমূহ টাইমস্ট্যাম্প সহ রেকর্ড করে এবং উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের 'কমেট' প্ল্যাটফর্মে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে
- 📌 রেফারি ভারেলা স্বীকার করেছেন, পুরাতন পদ্ধতির নাটকীয়তা ডিজিটাল স্ক্রিনে কিছুটা হারিয়ে গেছে, কিন্তু প্রশাসনিক কাজে এটি সাহায্য করবে
- 📌 ডিভাইসটির দৃশ্যমানতা সমস্যা রয়েছে — সূর্যালোক ও টেলিভিশন দর্শকদের কাছে স্পষ্টভাবে দেখা যায় না
- 📌 'রেফে'র সহপরিচালক ডিয়েগো দে লা পেনা বলেছেন, ডিভাইসটির চারপাশে এলইডি লাইটিংসহ পরিবর্তন নিয়ে কাজ চলছে
- 📌 প্রতিষ্ঠানটি ব্র্যান্ড নিবন্ধিত করেছে এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পেটেন্ট নেয়া হয়েছে
- 📌 অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, তবে প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে ফিফা ও কনমেবলের স্বীকৃতি পাবে
📰 বিস্তারিত
ফুটবলের একমাত্র অ্যানালগ প্রথা হিসেবে পরিচিত কার্ড প্রদর্শনের পদ্ধতিতে এবার প্রযুক্তির হাত ধরে আসছে পরিবর্তন। গত বৃহস্পতিবার উরুগুয়ে কাপের ন্যাসিওনাল ও রেনতিস্তাসের ম্যাচে রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা প্রথমবারের মতো ডিজিটাল স্ক্রিন ব্যবহার করে হলুদ ও লাল কার্ড প্রদর্শন করেন। এই উদ্যোগের পেছনে দাঁড়িয়েছে 'রেফে' নামের প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মাউরো সাকো জানান, এই প্রকল্পের জন্ম তিন বছরেরও বেশি সময় আগে। তিনি ও তাঁর সহপরিচালক ডিয়েগো দে লা পেনা একটি ম্যাচ দেখছিলেন এবং ভাবছিলেন কীভাবে রেফারিরা হাতে লিখে সতর্কবার্তা রেকর্ড করেন এবং পরে তা ডিজিটাল সিস্টেমে স্থানান্তরিত করা হয়।
ডিজিটাল স্ক্রিনে কার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে ম্যাচের ঘটনাসমূহ টাইমস্ট্যাম্প সহ রেকর্ড করা হয়। এই ডিভাইসটি উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের 'কমেট' প্ল্যাটফর্মে আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে। রেফারি ভারেলা স্বীকার করেছেন, পুরাতন পদ্ধতির নাটকীয়তা ডিজিটাল স্ক্রিনে কিছুটা হারিয়ে গেছে। তবে তিনি বলেছেন, এটি প্রশাসনিক কাজে অনেক সাহায্য করবে।
প্রথম পরীক্ষামূলক ব্যবহারে ডিভাইসটির দৃশ্যমানতা সমস্যা দেখা দিয়েছে। সূর্যালোক ও টেলিভিশন দর্শকদের কাছে স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। 'রেফে'র সহপরিচালক ডিয়েগো দে লা পেনা বলেছেন, ডিভাইসটির চারপাশে এলইডি লাইটিংসহ পরিবর্তন নিয়ে কাজ চলছে। তারা আশা করছেন, দর্শকদের কাছে রংগুলো আরও স্পষ্ট হবে। প্রতিষ্ঠানটি ব্র্যান্ড নিবন্ধিত করেছে এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পেটেন্ট নেয়া হয়েছে।
"ফুটবলে একমাত্র যে বিষয়টি এখনো অ্যানালগ রয়েছে, আমরা সেখানে প্রযুক্তি নিয়ে আসতে কাজ করছি।"
"এটি এমন একটি প্রকল্প, যাতে উন্নতির সুযোগ রয়েছে। টিভির চেয়ে মাঠে এটি ভালো দেখা গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উরুগুয়ে কাপের ম্যাচ (ন্যাসিওনাল vs রেনতিস্তাস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাউরো সাকো (রেফে পরিচালক), ডিয়েগো দে লা পেনা (সহপরিচালক), রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩+ বছর (প্রকল্পের পরিকল্পনা থেকে শুরু), ১ (পরীক্ষামূলক ম্যাচ সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!