📌 আল জাজিরা নিউজফিড ২৮ জুলাই। ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন এক্স পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনা উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে করার পর মার্কিন কূটনীতিকরা নিরাপত্তা পরিষদের ভাষণ বয়কট। মার্কিন প্রতিনিধি ড্যান নেগ্রিয়া: মন্তব্য প্রত্যাহার না হলে বয়কট চলবে। উভয় স্থায়ী সদস্য—ঐতিহাসিক মিত্র। পশ্চিমা জোটে অভ্যন্তরীণ উত্তেজনা।
ফ্রান্সের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ভাষণের সময় মার্কিন কূটনীতিকরা বিক্ষোভে হল ত্যাগ করেছেন—ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন একটি এক্স (টুইটার) পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনা উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে করার পর। মার্কিন প্রতিনিধি ড্যান নেগ্রিয়া জানিয়েছেন—মন্তব্যগুলো প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের বয়কট অব্যাহত থাকবে। আল জাজিরা নিউজফিডের ২৮ জুলাই প্রকাশিত এই ভিডিও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে জাতিসংঘে মার্কিন-ফরাসি কূটনৈতিক উত্তেজনার এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- ঘটনা: ফ্রান্সের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ভাষণের সময় মার্কিন কূটনীতিকরা বিক্ষোভে হল ত্যাগ।
- কারণ: ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন এক্স পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনা উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে করেছিল।
- মার্কিন প্রতিনিধি: ড্যান নেগ্রিয়া—মন্তব্য প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত বয়কট অব্যাহত থাকবে।
- উৎস: আল জাজিরা নিউজফিড, ২৮ জুলাই ২০২৬।
ফ্রান্সের এক্স পোস্ট ও মার্কিন প্রতিক্রিয়া
মার্কিন কূটনীতিকরা ফ্রান্সের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ভাষণের সময় বিক্ষোভে হল ত্যাগ করেছেন—ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন একটি এক্স পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনা উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে করার পর। মার্কিন প্রতিনিধি ড্যান নেগ্রিয়া বলেছেন—এই ধরনের বয়কট মন্তব্যগুলো প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
এই ঘটনা জাতিসংঘের ইতিহাসে একটি বিরল কূটনৈতিক পদক্ষেপ—যেখানে একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র অন্য একটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের ভাষণ বয়কট করেছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য—এবং ঐতিহাসিকভাবে মিত্র হিসেবে বিবেচিত। এই ধরনের প্রকাশ্য বিভেদ পশ্চিমা জোটের অভ্যন্তরীণ উত্তেজনার ইঙ্গিত দেয়—বিশেষত যখন মার্কিন-ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধের মতো বৈশ্বিক সংকট চলছে।
উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে তুলনার তাৎপর্য
ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনা উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে করার সিদ্ধান্ত একটি তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ। উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বারা নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যবস্তু—এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্বারা তাদের আচরণ সাধারণত সমালোচিত। যুক্তরাষ্ট্রকে এই দুই দেশের সঙ্গে তুলনা করার অর্থ হল—ফ্রান্স মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আচরণ (সম্ভবত ইরান যুদ্ধ, হরমুজ বন্ধ, বা একতরফা সামরিক পদক্ষেপ) আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মার্কিন প্রতিনিধি নেগ্রিয়ার অবস্থান—মন্তব্য প্রত্যাহার না হলে বয়কট চলবে—একটি শক্ত অবস্থান। এটি দেখায় যে যুক্তরাষ্ট্র এই তুলনাকে গুরুতরভাবে নিয়েছে এবং ফ্রান্সের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য প্রত্যাহার দাবি করছে। এই উত্তেজনা কতদিন স্থায়ী হবে এবং এর ফলে পশ্চিমা জোটের অভ্যন্তরে কী প্রভাব পড়বে—তা আগামী দিনগুলোতে স্পষ্ট হবে।
'মার্কিন কূটনীতিকরা ফ্রান্সের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ভাষণের সময় বিক্ষোভে হল ত্যাগ করেছেন—ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন একটি এক্স পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনা উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সঙ্গে করার পর। মার্কিন প্রতিনিধি ড্যান নেগ্রিয়া বলেছেন—বয়কট মন্তব্য প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।'—আল জাজিরা নিউজফিড, ২৮ জুলাই ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!