📌 মিরপুরের ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম ইলুশন ও ইমারসিভ এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম। অপটিক্যাল ইলুশন, থ্রিডি আর্টস ও গেমিং জোনে ১২ নম্বর মিরপুরে অবস্থিত এই কেন্দ্রে ১১টি আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা রয়েছে
মিরপুরের ১২ নম্বর এলাকায় অবস্থিত ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম ইলুশন ও ইমারসিভ এন্টারটেইনমেন্ট কেন্দ্র হিসেবে দর্শনার্থীদের মনে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করছে। অপটিক্যাল ইলুশন, পারস্পেকটিভ আর্ট ও গেমিং জোনে ভরপুর এই কেন্দ্রে ছোট-বড় সব বয়সের মানুষের জন্য নানাবিধ আকর্ষণ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১টি আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম ইলুশন মিউজিয়াম ওয়াওজা মিরপুরে অবস্থিত।
- 📌 ভর্টেক্স টানেলে অপটিক্যাল ইলুশন ও আলোছায়ার খেলা দিয়ে দর্শনার্থীদের মনে অদ্ভুত অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- 📌 মোশন প্লে রুমে মাইকেল জ্যাকসন বা হাল্কের মতো ক্যারেক্টারকে ৩০ সেকেন্ডে অনুকরণ করে স্ক্রিনে দেখানো হয়।
- 📌 টিল্ট রুমে চাঁদের মাটিতে পা রাখার মতো অনুভূতি পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
- 📌 অ্যামস রুমে একই ঘরে একই ব্যক্তি দেখতে বড় ও ছোট হয়ে ওঠে।
- 📌 ক্যামোফ্লাজ রুমে দর্শনার্থীরা অদৃশ্য হয়ে যায়, শুধু মুখ দেখা যায়।
- 📌 থ্রিডি ও পারস্পেকটিভ ওয়াল আর্টসে জীবন্ত শহরের দৃশ্য দেখানো হয়।
- 📌 মিরর মেইজে শত শত প্রতিবিম্ব দেখা যায়, যার মধ্যে রয়েছে সূর্যমুখী।
- 📌 উদ্যোগের পেছনে রয়েছে মিরপুরের তরুণদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা।
- 📌 উদ্বোধনের মাত্র তিন মাসে ওয়াওজা রাজধানীবাসীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মিরপুরের ১২ নম্বর এলাকায় অবস্থিত ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম ইলুশন ও ইমারসিভ এন্টারটেইনমেন্ট কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হৃদয় চৌধুরী জানান, ‘ওয়াওজা এমন একটি উদ্যোগ, যেখানে দুই-তিন বছরের শিশু থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের মানুষ এসে উপভোগ করতে পারবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাবার কথা মাথায় রেখে আমরা পুরো জায়গাটিকে অপটিক্যাল ইলুশন মিউজিয়াম, পারস্পেকটিভ আর্ট এবং গেমিং জোনে ভাগ করেছি।’
এই কেন্দ্রের মূল আকর্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে ভর্টেক্স টানেল, যেখানে দর্শনার্থীরা মনে করে মাটি নিজেই সরে যাচ্ছে। এছাড়াও মোশন প্লে রুমে মাইকেল জ্যাকসন বা হাল্কের মতো ক্যারেক্টারকে অনুকরণ করে স্ক্রিনে দেখানো হয়। টিল্ট রুমে চাঁদের মাটিতে পা রাখার মতো অনুভূতি পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। অ্যামস রুমে একই ঘরে একই ব্যক্তি দেখতে বড় ও ছোট হয়ে ওঠে। ক্যামোফ্লাজ রুমে দর্শনার্থীরা অদৃশ্য হয়ে যায়, শুধু মুখ দেখা যায়।
ওয়ার্ডা কর্তৃপক্ষ জানান, ওয়াওজা উদ্বোধনের মাত্র তিন মাসের মাথায় রাজধানীবাসীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে মিরপুরের তরুণদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তারা থাইল্যান্ড ও নেপালের মতো দেশে থাকা থ্রিডি আর্ট গ্যালারি ও অপটিক্যাল ইলুশন মিউজিয়াম দেখে বাংলাদেশেও এমন একটি কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
"ওয়াওজা এমন একটি উদ্যোগ, যেখানে দুই-তিন বছরের শিশু থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের মানুষ এসে উপভোগ করতে পারবে। সবার কথা মাথায় রেখে আমরা পুরো জায়গাটিকে অপটিক্যাল ইলুশন মিউজিয়াম, পারস্পেকটিভ আর্ট এবং গেমিং জোন—এমন বিভিন্ন সেগমেন্টে ভাগ করেছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরপুর ১২ নম্বর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হৃদয় চৌধুরী (ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ওয়াওজা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি অভিজ্ঞতা, ৩০ সেকেন্ড সময়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!