📌 মিরপুরের ঝুটপট্টির বাস্তবধর্মী গল্পে অভিনয়রত তোরসা বলেছেন, মালা চরিত্রটি মানুষ মনে রাখবে। তিনি জানান, বিয়ে নিয়ে কোনো লুকোচুরি নেই এবং সামনে কলকাতায় কাজের পরিকল্পনা রয়েছে
মিরপুরের ঝুটপট্টির অচেনা জগতকে কাটপিস নামের সিনেমায় চিত্রায়িত করেছেন তরুণ পরিচালক ইফ্ফাত জাহান। এই সিনেমায় মালা চরিত্রে অভিনয়রত তোরসা বলেছেন, মালা তার স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত। তিনি জানান, মালা একজন মিরপুরের তরুণী যিনি প্রেম, লাজুকতা এবং আঞ্চলিক ভাষার মিশ্রণে চরিত্রটি গড়ে তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালা চরিত্রের স্বভাব: তোরসা বলেছেন, ‘মালা আর তোরসা একেবারেই আলাদা। মালা খুব চঞ্চল, সিনেম্যাটিক এবং লাজুক। প্রেমে পড়লে তার মধ্যে প্রেমের সেই স্বাভাবিক ব্যাপার রয়েছে। আবার সে ধমক দিয়েও কথা বলে। মালা একেবারে আঞ্চলিক টানে কথা বলে।’
- 📌 সিনেমার বাস্তবতা: তোরসা জানান, ‘গল্পটা খুবই বাস্তবধর্মী। একজন ঝুট ব্যবসায়ীর জীবনকে কেন্দ্র করে এটি তৈরি হয়েছে। সিন্ডিকেট ও দ্বন্দ্বের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের জীবন এবং তাদের পরিবারের ওপর এর প্রভাবও দেখানো হয়েছে।’
- 📌 কাটপিসের অর্থ: তোরসা বলেন, ‘কাটপিস বলতে মূলত জুটের কাপড়ের উচ্ছিষ্ট অংশগুলোকে বোঝানো হয়েছে। সেই কাপড় নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের জীবনে মারামারি, প্রেমের মতো ঘটনা ঘটে। সিনেমার নামের ভাবনা এই ক্ষতের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে।’
- 📌 বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন: মাটি সিনেমার শুটিংয়ে যুক্ত থাকা সময়ে তোরসার বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। তিনি হেসে বলেন, ‘গুঞ্জনটি আমিও শুনেছি। লন্ডন থেকে আত্মীয় ফোন করে বলেন, “তুই নাকি বিয়ে করে ফেলেছিস!” আমি বললাম, হ্যাঁ, পাত্র কে, সেটা তো আমি নিজেও জানি না। বিয়ে করলে সবাই জানতে পারবেন। এখানে লুকোচুরির কিছু নেই।’
- 📌 সামনের পরিকল্পনা: তোরসা জানান, ‘বছর তিনেক আগে কলকাতার কাজের প্রস্তাব পেয়েছি। ঢাকায় সিনেমা করার পর ভাবছি, কলকাতায়ও কাজ করতে পারি। তবে কীভাবে এগোব, সেটা এখনো ভাবিনি।’
📰 বিস্তারিত
১৬ অক্টোবর মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘কাটপিস’ সিনেমায় তোরসা মালা চরিত্রে অভিনয় করছেন। তিনি জানান, মালা চরিত্রটি তার নিজের স্বভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত। মালা একজন মিরপুরের তরুণী যিনি ছোট থেকে সেখানে বড় হয়েছেন। তিনি খুব চঞ্চল, একটু সিনেম্যাটিক এবং কিছুটা লাজুক। প্রেমের ব্যাপারে তার মধ্যে সেই স্বাভাবিক আচরণ রয়েছে। আবার সে ধমক দিয়েও কথা বলে। মালা আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে, যা তাকে অনন্য করে তুলেছে।
তোরসা বলেন, ‘মালা আর তোরসা একেবারেই আলাদা। আমি খুব স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড (স্পষ্টবাদী)। কিন্তু মালা চরিত্রটি মানুষ মনে রাখতে পারবে।’ সিনেমায় একজন ঝুট ব্যবসায়ীর জীবনকে কেন্দ্র করে গল্প গড়ে তোলা হয়েছে। সিনেমায় ঝুট ব্যবসায়ীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিফাত আমিন এবং খল চরিত্রে আছেন ইমরান আহমেদ সওদাগর।
তোরসা জানান, ‘গল্পটা খুবই বাস্তবধর্মী। একজন বাস্তব ঝুট ব্যবসায়ীর জীবনকে কেন্দ্র করে এটি তৈরি হয়েছে। তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে গল্প। সিন্ডিকেট ও নানা ধরনের দ্বন্দ্বের কারণে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাঁরা সিনেমাটির সঙ্গে নিজেদের মেলাতে পারবেন। এসব ঘটনার প্রভাব তাঁদের ভালোবাসার মানুষ ও পরিবারের ওপর কীভাবে পড়ে, সেটিও দর্শক বুঝতে পারবেন।’
তোরসা বলেন, ‘পরিচালকের (ইফ্ফাত জাহান) সঙ্গে আগে একটা কাজ নিয়ে কথা ছিল। একদিন তিনি বললেন, একটা সিনেমা নিয়ে কথা বলতে চান, আমাকে প্রস্তুত হয়ে দেখা করতে হবে। আমি গেলাম। তখন পুরো সিনেমার গল্প শোনানো হয়নি। শুধু আমার চরিত্র সম্পর্কে বলা হয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল, এ ধরনের চরিত্রে তো আগে কখনো অভিনয় করিনি। তাই কাজটা করা যায়।’
সিনেমার নাম ‘কাটপিস’ নিয়ে তোরসা বলেন, ‘কাটপিসের অন্য কোনো অর্থ আছে, জানতাম না। সিনেমার নামটা যখন শুনলাম, তখন বিষয়টি বুঝিনি। পরে যাঁরাই নামটা জেনেছেন, তাঁরাই মজা করে জিজ্ঞেস করেছেন, কাটপিস কেন? তখন জানতে পারলাম, শব্দটির অন্য একটা অর্থও আছে। এখানে কাটপিস বলতে মূলত জুটের কাপড়ের যে উচ্ছিষ্ট অংশগুলো থেকে যায়, সেগুলোকে বোঝানো হয়েছে। সেই কাপড় নিয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের জীবনে নানা ধরনের ঘটনা ঘটে। মারামারি, প্রেম—এ রকম অনেক কিছু। এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে তাঁদের জীবনে যে ক্ষত তৈরি হয়, সেটিই মূলত সিনেমার নামের ভাবনার সঙ্গে যুক্ত।’
"তুই নাকি বিয়ে করে ফেলেছিস!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মিরপুর), কলকাতা, লন্ডন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তোরসা, ইফ্ফাত জাহান, সিফাত আমিন, ইমরান আহমেদ সওদাগর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ অক্টোবর (মুক্তির তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!