📌 হলিউডের সুপারস্টার টম ক্রুজের নতুন সিনেমা 'ডিগার' বক্স অফিসে ব্যর্থতা পেয়েছে। ২৫-২৮ কোটি ডলার বাজেটে মাত্র ৪ কোটি ৬৪ লাখ ডলার আয় করে সিনেমাটি লোকসান করতে পারে ২০০০ কোটি টাকা। সমালোচক ও দর্শকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং প্রচারণার অস্পষ্টতা এই ব্যর্থতার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
হলিউডের জনপ্রিয় তারকা টম ক্রুজের নতুন সিনেমা ‘ডিগার’ বক্স অফিসে ব্যর্থতা পেয়েছে। ১৫ থেকে ১৮ কোটি ডলার নির্মাণ খরচ এবং ১০ কোটি ডলার প্রচারণায় খরচ করে মোট ২৫ থেকে ২৮ কোটি ডলারের বাজেটে নির্মিত এই সিনেমা বিশ্বব্যাপী মাত্র ৪ কোটি ৬৪ লাখ ডলার আয় করেছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের হিসাব অনুযায়ী, এই সিনেমা থেকে সম্ভাব্য লোকসান হতে পারে ১৫ কোটি থেকে ২৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত, যা বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় ২০০০ কোটি টাকার সমতুল্য হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাজেট ও আয়ের বিশাল ব্যবধান: ২৫-২৮ কোটি ডলার বাজেটে মুক্তি পেয়েছে ‘ডিগার’, কিন্তু মাত্র ৪ কোটি ৬৪ লাখ ডলার আয় করেছে।
- 📌 উদ্বোধনী সপ্তাহে হতাশাজনক আয়: উত্তর আমেরিকায় মুক্তির প্রথম সপ্তাহে সিনেমাটি মাত্র ৮০ লাখ ডলার আয় করেছে, যা টম ক্রুজের অন্যান্য সিনেমার তুলনায় খুব কম।
- 📌 প্রচারণার অস্পষ্টতা: সিনেমার গল্প ও ঘরানা স্পষ্টভাবে প্রচার করা হয়নি, ফলে দর্শকরা সিনেমার প্রকৃতি বুঝতে পারেনি।
- 📌 টম ক্রুজের পরিচিত ঘরানার থেকে দূরত্ব: ‘মিশন: ইমপসিবল’-এর মতো অ্যাকশনধর্মী সিনেমা থেকে সরে গিয়ে রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক সিনেমা হিসেবে উপস্থাপনের কারণে দর্শকদের আগ্রহ কমেছে।
- 📌 মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও মুখে মুখে প্রচারের অভাব: সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং দর্শকদের নেতিবাচক মূল্যায়নের কারণে সিনেমাটি মুখে মুখে প্রচার পায়নি।
- 📌 আইএমডিবির রেটিং ৭.৫: সিনেমাটি আইএমডিবিতে ৭.৫ রেটিং পেয়েছে, কিন্তু সিনেমাস্কোরে ‘সি প্লাস’ গ্রেড পেয়েছে।
📰 বিস্তারিত
আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতু পরিচালিত ‘ডিগার’ সিনেমাটি নির্মাণ ও প্রচারণায় বিপুল অর্থ ব্যয় করলেও বক্স অফিসে প্রত্যাশিত ফল পায়নি। সিনেমাটির নির্মাণ খরচ ছিল ১৫ থেকে ১৮ কোটি ডলার এবং প্রচারণায় আরও ১০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে। ফলে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৫ থেকে ২৮ কোটি ডলার। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী ৩০ থেকে ৩৫ কোটি ডলারের ব্যবসা করার প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু মুক্তির পর সিনেমাটির আয় সেই লক্ষ্যের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি।
উদ্বোধনী সপ্তাহে উত্তর আমেরিকায় সিনেমাটি মাত্র ৮০ লাখ ডলার আয় করেছে, যা টম ক্রুজের অন্যান্য সিনেমার তুলনায় খুব কম। সাধারণত টম ক্রুজের সিনেমায় অ্যাকশন ও স্টান্টের আকর্ষণে দর্শকদের ভিড় হয়, কিন্তু এই সিনেমায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। প্রচারণায় সিনেমার গল্প ও ঘরানা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা যায়নি, ফলে দর্শকরা সিনেমার প্রকৃতি বুঝতে পারেননি।
টম ক্রুজের পরিচিত অ্যাকশনধর্মী সিনেমা থেকে সরে গিয়ে ‘ডিগার’ একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক সিনেমা হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। তিনি অভিনয় করেছেন ডিগার রকওয়েল নামের এক খামখেয়ালি তেল ব্যবসায়ীর চরিত্রে, যার জন্য তার চেহারাতেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই অভিনয়ের ভিন্নতা প্রশংসা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করলেও, দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
সিনেমাটি নিয়ে সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া ছিল বিভক্ত। দর্শকদের মূল্যায়নেও এর প্রতিফলন দেখা যায়। সিনেমাস্কোরে সিনেমাটি পেয়েছে ‘সি প্লাস’ গ্রেড, কিন্তু আইএমডিবিতে এর রেটিং ৭.৫। মুক্তির পর দ্বিতীয় সপ্তাহান্তে উত্তর আমেরিকায় টিকিট বিক্রিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। দর্শকের আগ্রহ ধরে রাখতে না পারায় আয় বাড়ানোর সুযোগ আরও সংকুচিত হয়।
"বিপণনে গল্প ও ঘরানা স্পষ্ট হয়নি। ট্রেলার দেখে অনেক দর্শক বুঝতে পারেননি, এটি ঠিক কী ধরনের সিনেমা"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর আমেরিকা (মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টম ক্রুজ, আলেহান্দ্রো গঞ্জালেস ইনারিতু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫-২৮ কোটি ডলার বাজেট, ৪ কোটি ৬৪ লাখ ডলার আয়, ৮০ লাখ ডলার উদ্বোধনী সপ্তাহের আয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!