📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর তনুশ্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘শয়তানের মৃত্যু হলো’

নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর তনুশ্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘শয়তানের মৃত্যু হলো’

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতীয় অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত বিস্ফোরক মন্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘শয়তানের মৃত্যু হলো’। ২০০৯ সালে ‘মিটু’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তোলার পর থেকে এই ঘটনাটি তনুশ্রীর জীবনে বড় চাপ সৃষ্টি করেছিল

ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে বিখ্যাত অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর শুনে অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গোয়ায় নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৫ বছর বয়সে নানা পাটেকরের মৃত্যু ঘটে। এই খবর শুনে লখনৌয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পথে থাকা তনুশ্রী দত্তের মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তনুশ্রী দত্ত বলেছেন, ‘শয়তানের মৃত্যু হলো’ — নানা পাটেকরের মৃত্যুর পর তিনি এই মন্তব্য দেন।
  • 📌 ২০০৯ সালে ‘হর্ন ওক প্লিজ’ সিনেমার শুটিংয়ে নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে তনুশ্রী দত্ত ‘মিটু’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তোলেন।
  • 📌 পুলিশ ২০১৯ সালে অভিযোগ থেকে নানা পাটেকরকে অব্যাহতি দেন, কিন্তু তনুশ্রী দাবি করেন, মামলাটি জোর করে বন্ধ করা হয়েছিল।
  • 📌 তিনি বলেন, তার প্রধান সাক্ষী (মেকআপ আর্টিস্ট)কে রাজি করাতে পাঁচ বছর সময় লেগেছিল এবং তাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হত।
  • 📌 তনুশ্রী দাবি করেন, নানা পাটেকর ‘অহংকারী’ ছিলেন এবং ‘ঈশ্বর নিজেই তার জীবন শেষ করে দিয়েছেন’।

📰 বিস্তারিত

২০০৯ সালে ‘হর্ন ওক প্লিজ’ সিনেমার শুটিংয়ে নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ তোলার পর থেকে তনুশ্রী দত্তের জীবনে বড় চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। এই অভিযোগের পর নানা পাটেকর তনুশ্রীকে আইনি নোটিশও পাঠিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে পুলিশ পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে নানা পাটেকরকে সমস্ত অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন। তবে তনুশ্রী দাবি করেন, মামলাটি জোর করে বন্ধ করা হয়েছিল এবং তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হননি।

তনুশ্রী দত্ত বলেন, ‘মিটু’ আন্দোলনের পর তাকে যে পরিমাণ হয়রানির শিকার হতে হয়েছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি আরও বলেন, ‘মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আমাদের ক্রমাগত চাপ ও ঘুসের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।’ তিনি উল্লেখ করেন, তার প্রধান সাক্ষী (যিনি তার মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন)কে রাজি করাতে পাঁচ বছর সময় লেগেছিল এবং তাকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হত।

তনুশ্রী দত্ত নানা পাটেকরকে ‘অহংকারী’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘তিনি থামছিলেন না। ঈশ্বর নিজেই তার জীবন শেষ করে দিয়েছেন। যা সত্য, তা-ই সত্য।’ এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

"খবরটা শুনলাম। যিনি চলে গেছেন, চলে গেছেন। তবে এমন একটা দিনে এই ঘটনাটা সত্যিই খুব অদ্ভুত। আজকের দিনটি আমার লখনৌয়ের অনুষ্ঠান এবং তা সফল করার জন্য। শয়তানের মৃত্যু হলো—এটাই বলব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত (গোয়া, লখনৌ)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তনুশ্রী দত্ত, নানা পাটেকর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ বছর (নানা পাটেকরের বয়স), ৮ অক্টোবর (মৃত্যুর তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖