📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাবিলা নূরের বিচ্ছেদের গুঞ্জনে শাকিব খান ও চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের নাম — কী সত্য?

সাবিলা নূরের বিচ্ছেদের গুঞ্জনে শাকিব খান ও চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের নাম — কী সত্য?

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের বিচ্ছেদের গুঞ্জনে শাকিব খান ও ‘রকস্টার’ সিনেমার চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের নাম জড়িয়ে পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট মিলি সুলতানার দাবি অনুযায়ী, ‘তাণ্ডব’ সিনেমার সেট থেকেই এই সংসার ভাঙনের শুরু। তবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না থাকায় সত্যতা যাচাইয়ে ভক্তদের অপেক্ষা চলছে

শাকিব খান ও ‘রকস্টার’ সিনেমার চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের নাম জড়িয়ে পড়েছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরের স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জনে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই দাবিগুলো মুহূর্তের মধ্যে শোবিজ অঙ্গনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাবিলা নূর ও নেহাল সুনন্দ তাহেরের সাত বছরের দীর্ঘ সংসার ভাঙার নেপথ্যে শাকিব খান ও চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের নাম জড়িয়ে পড়েছে
  • 📌 সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট মিলি সুলতানার দাবি: ‘তাণ্ডব’ সিনেমার সেট থেকেই সাবিলার সংসার ভাঙার মূল বীজ রোপিত হয়েছিল
  • 📌 দাবি করা হয়, শাকিব খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ার পর সাবিলা স্বামী নেহালের নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে আসেন
  • 📌 পরবর্তী পোস্টে মিলি সুলতানা দাবি করেন, ‘রকস্টার’ সিনেমার চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের সঙ্গে সাবিলার গোপন সম্পর্কের কারণে বিচ্ছেদ ঘটে
  • 📌 সাবিলা নূর বা নেহাল সুনন্দ তাহেরের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না থাকায় সত্যতা যাচাইয়ে ভক্তদের অপেক্ষা চলছে

📰 বিস্তারিত

সাবিলা নূর ও নেহাল সুনন্দ তাহেরের দীর্ঘদিনের সংসার নিয়ে সাম্প্রতিককালে শোবিজ অঙ্গনে তীব্র গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৯ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে করা এই দম্পতির সম্পর্কের ফাটল ধরে নেওয়া হয়েছে শাকিব খান ও ‘রকস্টার’ সিনেমার চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের সঙ্গে সাবিলার ঘনিষ্ঠতার কারণে। সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট মিলি সুলতানার দীর্ঘ পোস্টে এই দাবি উঠে এসেছে। তার দাবি অনুযায়ী, সাবিলা অভিনীত ‘তাণ্ডব’ সিনেমার সেট থেকেই এই সংসার ভাঙার মূল বীজ রোপিত হয়েছিল।

মিলি সুলতানার প্রথম পোস্টে শাকিব খানের দিকে সরাসরি আঙুল তুলে দাবি করা হয়েছে যে, তার সঙ্গে সাবিলার ঘনিষ্ঠতা বাড়ার পর থেকেই স্বামী নেহালের নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে আসেন অভিনেত্রী। এমনকি শাকিব খানের প্রভাবে পড়ে সাবিলা তার ক্যারিয়ারকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ব্যক্তিগত জীবনে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে পরবর্তী পোস্টে তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে দাবি করেন, শাকিব খানের সঙ্গে নাম জড়ালেও সাবিলা নূরের ঘর ভাঙার মূল কারণ ‘রকস্টার’ সিনেমার চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুন। তার দাবি, ক্যামেরাম্যান মামুনের সঙ্গে সাবিলার গোপন সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই স্বামী নেহালের সঙ্গে তার সাত বছরের দীর্ঘ সম্পর্কে ফাটল ধরে এবং বিচ্ছেদ ঘটে।

এই চাঞ্চল্যকর দাবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং শোবিজ অঙ্গনের ভক্তদের মধ্যে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। অনেকে এই গুঞ্জনকে নিছক বানোয়াট ও মনগড়া গল্প হিসেবে উড়িয়ে দিচ্ছেন, অন্যদিকে শাকিব খানের অতীতের ঘটনাগুলো টেনে বিষয়টিকে সম্ভাব্য সত্যি বলেও অনুমান করছেন। তবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না থাকায় সাবিলা নূর বা নেহাল সুনন্দ তাহেরের পক্ষ থেকে মুখ খোলা হয়নি। ফলে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের এখন অপেক্ষা করতে হচ্ছে এই গুঞ্জনের প্রকৃত সত্যতা জানার জন্য।

"‘তাণ্ডব’ সিনেমার সেট থেকেই নাকি অভিনেত্রীর সংসার ভাঙার মূল বীজ রোপিত হয়েছিল। শাকিব খানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ার পর থেকেই স্বামী নেহালের নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে আসেন সাবিলা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবিলা নূর, নেহাল সুনন্দ তাহের, শাকিব খান, আবদুল মামুন, মিলি সুলতানা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর (বিবাহকাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖