📌 চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুন ও অভিনেত্রী সাবিলা নূরের সম্পর্কের কারণে তার প্রেমিকা তিশা সাত বছরের প্রেম ও বিয়ের প্রস্তুতি ভেঙে ফেলেছেন। তিশা দাবি করেছেন, সাবিলার সঙ্গে মামুনের গভীর সম্পর্কের কারণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন
চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুন ও অভিনেত্রী সাবিলা নূরের সম্পর্কের কারণে তার দীর্ঘদিনের প্রেমিকা তিশা সাত বছরের প্রেম ও বিয়ের প্রস্তুতি ভেঙে ফেলেছেন। ঢাকার শোবিজ জগতে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। তিশা গণমাধ্যমকে জানান, সাবিলা নূর অভিনীত 'রকস্টার' সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পাঁচ দিন পর তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। শাকিব খানের মতো শীর্ষ তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগ বিবেচনায় তিনি নিজেই বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু শুটিং শেষ হওয়ার পর মামুন হঠাৎ জানিয়ে দেন যে তিনি আর বিয়ে করতে চান না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সাত বছরের প্রেম ভেঙে গেল**: তিশা দাবি করেছেন, সাবিলা নূরের সঙ্গে আবদুল মামুনের সম্পর্কের কারণে তার দীর্ঘদিনের প্রেম ও বিয়ের প্রস্তুতি ভেঙে গেছে।
- 📌 **বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছিলেন**: শাকিব খানের মতো শীর্ষ তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগ বিবেচনায় তিনি বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিতে রাজি হয়েছিল।
- 📌 **সাবিলা নূর জানতেন সম্পর্কের বিষয়**: তিশা অভিযোগ করেছেন, সাবিলা নূর তাদের সম্পর্কের বিষয় সব জানতেন, কিন্তু মেয়ের মতো আরেকটি মেয়ের কথা ভাবেননি।
- 📌 **মানসিকভাবে বিপর্যস্ত**: মামুনের সঙ্গে তার সব যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এমন পরিণতি তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।
- 📌 **আইনগত পদক্ষেপের কথা ভাবছেন**: তার পরিবার আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবলেও তিনি নিজে তাতে সম্মতি দেননি।
📰 বিস্তারিত
তিশা বলেন, 'যা শুনেছেন সব সত্য। সাবিলা নূরের কারণেই আমার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম এবং বিয়ে ভেঙে গেছে। দুই পরিবার থেকে বিয়ের সব আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু আবদুল মামুন হঠাৎ করে জানায়, সে বিয়ে করতে চায় না। পরবর্তীতে জানতে পারি, সাবিলা নূরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কে জড়িয়ে গেছে আবদুল মামুন।' তিনি আরও অভিযোগ করেন, সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য মামুনকে তার পরিবারের সদস্যরাও বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কোনো কিছুতেই কাজ হয়নি।
তিশা দাবি করেছেন, 'রকস্টার' সিনেমার শুটিংকে কেন্দ্র করেই সাবিলা ও মামুনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই এই সম্পর্কের বিষয়টি জানেন। এ ঘটনার পর থেকে মামুনের সঙ্গে তার সব যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এমন পরিণতি তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে।
তিশা আক্ষেপ করে বলেন, 'ওরা দুজন আমার সঙ্গে কাজটি ভালো করেনি। সাবিলা নূর আমাদের বিষয় সব জানতেন। কিন্তু সে মেয়ে হয়েও একটিবার আরেকটি মেয়ের কথা ভাবেনি। আবদুল মামুন একজন তারকা পেয়ে আমাকে ভুলে গেছে।' তিনি জানান, তার পরিবার আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবলেও তিনি নিজে তাতে সম্মতি দেননি। তবে কেন শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভাঙল, সে বিষয়ে মামুনের কাছ থেকে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা তিনি পাননি।
এদিকে, সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য জীবন নিয়ে সম্প্রতি নানা গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের পর ২০১৯ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।
"যা শুনেছেন সব সত্য। সাবিলা নূরের কারণেই আমার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম এবং বিয়ে ভেঙে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তিশা, আবদুল মামুন, সাবিলা নূর, নেহাল সুনন্দ তাহের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮:০০ পিএম, ১৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!