📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হলিউডের প্রতিযোগিতায় লড়াই করে আন্তর্জাতিক সিনেমা জগতে পরিচিতি পেয়েছেন রোজ ম্যাকাইভার

হলিউডের প্রতিযোগিতায় লড়াই করে আন্তর্জাতিক সিনেমা জগতে পরিচিতি পেয়েছেন রোজ ম্যাকাইভার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নিউজিল্যান্ডের অভিনেত্রী রোজ ম্যাকাইভার শৈশবেই ক্যারিয়ার শুরু করলেও হলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করতে দীর্ঘ পথ পার হতে হয়েছিল। 'আইজম্বি' সিরিজে জম্বি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। সিরিজের একটি চুমুর দৃশ্যে মেকআপের মজার ঘটনা ঘটে যা তাকে আনন্দিত করেছিল

নিউজিল্যান্ডের অভিনেত্রী রোজ ম্যাকাইভার শৈশবেই ক্যারিয়ার শুরু করলেও হলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করতে দীর্ঘ পথ পার হতে হয়েছিল। ১৯৮৮ সালের ১০ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী এই অভিনেত্রী মাত্র দুই বছর বয়সে বিজ্ঞাপনে কাজ শুরু করেন এবং তিন বছর বয়সে সিনেমায় অভিনয় শুরু করেন। হলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করতে গিয়ে তিনি প্রতিযোগিতার কঠোরতা অনুভব করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নিউজিল্যান্ডের অভিনেত্রী রোজ ম্যাকাইভার (৩৮) হলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করতে দীর্ঘ পথ পার হতে হয়েছিল
  • 📌 মাত্র দুই বছর বয়সে বিজ্ঞাপনে কাজ শুরু এবং তিন বছর বয়সে সিনেমায় অভিনয় শুরু করেন
  • 📌 'আইজম্বি' সিরিজে জম্বি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন
  • 📌 প্রতি পর্বে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার পারিশ্রমিক পান
  • 📌 জম্বি মেকআপে চুমুর দৃশ্যে সহশিল্পীর সঙ্গে বোঝাপড়ার কারণে আনন্দময় হয়ে উঠেছিল

📰 বিস্তারিত

রোজ ম্যাকাইভারের পুরো নাম ফ্রান্সেস রোজ ম্যাকাইভার। শিল্পী মা অ্যানি কনি ও আলোকচিত্রী বাবা ম্যাক ম্যাকাইভারের ঘরে তিনি বেড়ে ওঠেন। ছোটবেলা থেকেই নাচের প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। ব্যালে ও জ্যাজ নাচও শিখেছিলেন। ১৯৯৩ সালে জেন ক্যাম্পিয়নের ‘দ্য পিয়ানো’ সিনেমায় ছোট্ট একটি চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর।

নিউজিল্যান্ড থেকে হলিউডে আসার পর তিনি প্রতিযোগিতার কঠোরতা অনুভব করেন। অডিশনে বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়া, পছন্দের চরিত্র না পাওয়া এবং নির্মাতাদের চোখে যথেষ্ট পরিচিত মুখ হয়ে উঠতে না পারার অভিজ্ঞতা হয়েছিল তাঁর। হলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘শুরুর দিকে একটি অডিশনে সাধারণ পোশাকে হাজির হওয়ার পর আমাকে বলা হয়েছিল, আরও “হলিউডসুলভ” হতে হবে।’

২০০৯ সালে পিটার জ্যাকসনের ‘দ্য লাভলি বোনস’ সিনেমায় অভিনয়ে নতুন করে নজরে আসেন রোজ। সেখানে খুন হওয়া কিশোরী সুসি স্যালমনের ছোট বোন লিন্ডসে চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। তবে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে ‘আইজম্বি’ সিরিজে। জম্বিতে পরিণত হওয়ার পর মানুষের মস্তিষ্ক খেয়ে মৃত ব্যক্তিদের স্মৃতি ও বৈশিষ্ট্য অনুভব করতে পারে এমন চরিত্রে দেখা গিয়েছিল। প্রতি পর্বে আড়াই লাখ ডলার আয় করে তিনি।

২০১৫ সালে ইয়াহু এন্টারটেইনমেন্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোজ ম্যাকাইভার ‘আইজম্বি’ সিরিজের একটি চুমুর দৃশ্যের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। দৃশ্যটি নিয়ে চিত্রনাট্য পড়ে তিনি বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন। শুটিংয়ের সময় জম্বি চরিত্রের জন্য তাঁর মুখে লাগানো সাদা মেকআপ সহশিল্পী রবার্টের মুখে লেগে যাচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে দুজনই হাসছিলেন। রোজের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘সহশিল্পীর সঙ্গে বোঝাপড়ার সম্পর্ক থাকায় চুমুর দৃশ্যের শুটিং আনন্দময় হয়ে উঠেছিল।’

"শুরুর দিকে একটি অডিশনে সাধারণ পোশাকে হাজির হওয়ার পর আমাকে বলা হয়েছিল, আরও 'হলিউডসুলভ' হতে হবে। মন্তব্যটি আমাকে আঘাত করেছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউজিল্যান্ড (অকল্যান্ড), হলিউড (লস অ্যাঞ্জেলেস)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্রান্সেস রোজ ম্যাকাইভার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি পর্বে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার পারিশ্রমিক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖