📌 মহাখালী ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে নাটক শুটিংয়ে দুর্ঘটনায় নাকে আঘাত পেয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। তিনি বলেছেন, দুর্ঘটনায় কারও দোষ নেই, তবে ব্যথা ছিল অসহ্য। আঘাতের পরও তিনি শুটিং চালিয়ে যাচ্ছেন
মহাখালী ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে নাটক শুটিংয়ে দুর্ঘটনায় নাকে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। শুটিংয়ের মাঝামাঝি ভারসাম্য হারিয়ে চিত্রগ্রাহক ক্যামেরাসহ তার মুখের ওপর পড়লে নাকে আঘাত পান তিনি। আঘাতের পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৩ অক্টোবর মহাখালী ক্যান্সার ইনস্টিটিউটে নাটক শুটিংয়ে দুর্ঘটনায় নাকে আঘাত পেয়েছেন প্রিয়ন্তী উর্বী
- 📌 চিত্রগ্রাহক ক্যামেরাসহ তার মুখের ওপর পড়লে নাকে গুরুতর আঘাত পান অভিনেত্রী
- 📌 দুর্ঘটনায় কারও দোষ নেই বলে জানিয়েছেন প্রিয়ন্তী, তবে ব্যথা ছিল অসহ্য
- 📌 আঘাতের পরও তিনি গতকাল রাত ২টা পর্যন্ত এবং আজও শুটিং করেছেন
- 📌 নাক ফুলে গেলেও ভেঙে যায়নি, তবে ব্যথা রয়েছে প্রচণ্ড
📰 বিস্তারিত
প্রিয়ন্তী উর্বী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শুটিংয়ের সময় তিনি হাসপাতালের বেডে শুয়ে একটি মিউট শট দিচ্ছিলেন। ক্লোজ শটের জন্য চিত্রগ্রাহক বেডের ওপর উঠে ক্যামেরা সেট করছিলেন। শটের মাঝখানে বেড ঝাঁকি খাওয়ায় চিত্রগ্রাহক ভারসাম্য হারিয়ে ক্যামেরাসহ তার মুখের ওপর পড়েন। ঘটনাটি প্রিয়ন্তীকে অসহ্য ব্যথায় ভোগান্তি করতে দিয়েছে।
দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে প্রিয়ন্তী লিখেছেন, ‘আমি এক মুহূর্তের জন্য কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না, কথা বলতে পারছিলাম না। ব্যথাটা ছিল অসহ্য!’ তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘এখানে কারও কোনো দোষ নেই। এটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত একটি দুর্ঘটনা। সবাই নিজের কাজ ঠিকভাবেই করছিলেন, কিন্তু দুর্ঘটনাটা আমার সঙ্গে ঘটেছে।’
আঘাতের পর নাক ফুলে গেলেও ভেঙে যায়নি বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি বলেছেন, ‘আমি ভেবেছিলাম নাক ভেঙে গেছে, কিন্তু ভাঙেনি। তবে অনেক ফুলে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ, হয়তো আরও বড় কিছু হতে পারত। ব্যথা আছে প্রচণ্ড।’
আহত হলেও শুটিং বন্ধ করেননি প্রিয়ন্তী। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি আর একদিন শুটিং করলে কাজটা শেষ হয়ে যাবে। এখন আমার জন্য পরিচালক থেকে শুরু করে টিমের সবার সমস্যা হোক সেটা চাইনি বলেই কাজটা শেষ করে দিতে চাচ্ছি।’ তিনি গতকাল রাত ২টা পর্যন্ত এবং আজও শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন।
"গতকাল শুটিংয়ে আমার একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। সত্যি বলতে, অভিজ্ঞতাটা ছিল ভয়ংকর! আমি একটা মিউট শট দিচ্ছিলাম, যেখানে আমি হাসপাতালের বেডে শুয়ে ছিলাম আর সবাই মিলে বেডটা টেনে আমাকে একটা রুমে নিয়ে যাচ্ছিল। শটের মাঝখানে বেডটা ঝাঁকি খাওয়ায় আমাদের ডিওপি ব্যালেন্স হারিয়ে ফেলেন, আর ক্যামেরাসহ সরাসরি আমার মুখের ওপর পড়ে যান। এক মুহূর্তের জন্য আমি কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না, কথা বলতে পারছিলাম না। ব্যথাটা ছিল অসহ্য!"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাখালী ক্যান্সার ইনস্টিটিউট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ অক্টোবর, ১৪:১৫ পিএম, ২টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!