📌 সঙ্গীতশিল্পী পারশা মাহজাবিন বিয়ের খবর দিয়েছেন কিন্তু স্বামীর পরিচয় প্রকাশ করতে চান না। তিনি বলেছেন, ‘বরের পরিচয় জানতে চেয়ে আমাকে বিব্রত করবেন না’। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা দেশের বাইরে সম্পন্ন হলেও পারশার পরিবার উপস্থিত হতে পারেনি
সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার পারশা মাহজাবিনের বিয়ের খবর সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ পেলেও স্বামীর পরিচয় প্রকাশ করতে তিনি আগ্রহী নয়। বরকে পরিচয় জানতে চাওয়া ব্যক্তিদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘বরের পরিচয় জানতে চেয়ে আমাকে বা আমার পরিবারকে বিব্রত করবেন না’। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা গত ২৬ অক্টোবর দেশের বাইরে সম্পন্ন হলেও ভিসা জটিলতার কারণে পারশার পরিবারের কেউ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পারশা মাহজাবিনের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা গত ২৬ অক্টোবর দেশের বাইরে সম্পন্ন হলেও পারশার পরিবার উপস্থিত হতে পারেনি ভিসা জটিলতার কারণে
- 📌 পারশা স্বামীর পরিচয় প্রকাশ করতে চান না এবং বলেছেন, ‘আমি যদি নাম বলি, তাহলে সবাই তাঁকে চিনে ফেলবে’
- 📌 বরের মুখ ফুল দিয়ে ঢেকে রাখার বিষয়টি নিয়ে পারশা বলেছেন, ‘পুরুষের মুখ ঢাকা পড়তেই এত কৌতূহল কেন?’
- 📌 পারশা স্বামীকে ‘প্রিয়’ বলে ডাকেন এবং বলেছেন, ‘আমি এমন একজনকে খুঁজেছি, যাঁর কাছে আমি নিরাপদ ও আদরে থাকতে পারব’
- 📌 পারশা মাহজাবিনের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাংলাদেশে বিয়ের বাকি আয়োজন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
পারশা মাহজাবিনের বিয়ের খবর সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ পেলে ভক্তদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেছেন, বরকে পরিচয় জানতে চাওয়া ব্যক্তিদের উদ্দেশে তিনি এমন অনুরোধ করেছেন। পারশা জানান, গত ২৬ অক্টোবর দেশের বাইরে তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভিসা জটিলতার কারণে পারশার পরিবারের কেউ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি। বর ও তার পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পারশা বলেন, ‘আমি যদি নাম বলি, তাহলে সবাই তাঁকে চিনে ফেলবে। তাই আপাতত বলতে চাইছি না। আর পরিচয়টা সামনে আনতে চাই না বলেই ছবিতে ফুল দিয়ে মুখটা ঢেকে রেখেছি। আমি তাঁকে ‘প্রিয়’ বলে ডাকি, সেও আমাকে ‘প্রিয়’ বলে।’
পারশা জানান, প্রায় এক বছর আগে তাঁদের পরিচয় হয়। দেশের বাইরে ঘুরতে গিয়ে পরিচয়ের পর দুজনের মধ্যে কথাবার্তা শুরু হয়। পারশা বলেন, ‘একপর্যায়ে নিজের পছন্দের কথা পরিবারকে জানান। তাঁর পছন্দে পরিবারেরও কোনো আপত্তি ছিল না’। পারশা স্বামীর মুখ ঢেকে রাখার বিষয়টি নিয়ে বলেন, ‘ইহুদি বিয়ের ‘বাদেকেন’ বা খ্রিষ্টান বিয়ের ‘ব্রাইডাল ভেইল’, হিন্দু ও মুসলিম সমাজের বিভিন্ন সংস্কৃতিতে ঘোমটা, কনের মুখ ঢাকা আমাদের কাছে খুব স্বাভাবিক দৃশ্য। যুগ যুগ ধরে নারীর মুখ ঢাকা থাকলে সেটি ঐতিহ্য, আর পুরুষের মুখ ঢাকা পড়তেই এত কৌতূহল কেন?’
পারশা মন্তব্য করেছেন, ‘কেউ নিজের ইচ্ছায় পর্দা করলে তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আপত্তি তখনই, যখন সেই ইচ্ছার জায়গাটা অন্য কেউ দখল করে নেয়’। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু এক দিনের জন্য প্রচলিত দৃশ্যটা উল্টে দিয়েছি। তাতেই এত অস্বস্তি হলে প্রশ্নটা বোধ হয় আমার ছবিতে নয়, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে’। পারশা জানান, জীবনসঙ্গী নির্বাচনে তাঁর প্রত্যাশা ছিল বাবার মতো নিরাপত্তা ও আদর। তিনি বলেন, ‘আমি এমন একজনকে খুঁজেছি, যাঁর কাছে আমি আমার বাবার মতোই নিরাপদ, আদরে আর নিশ্চিন্তে থাকতে পারব’।
"আমি এমন একজনকে খুঁজেছি, যিনি মানুষের পাশাপাশি পশুপাখি, প্রকৃতি এবং প্রতিটি প্রাণের প্রতি সংবেদনশীল। যাঁর সঙ্গে দর্শন, বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য থেকে শুরু করে জীবনের জটিলতম প্রশ্ন নিয়েও তর্ক করা যায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দেশের বাইরে (বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা), ঢাকা (আগামী বিয়ের আয়োজন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পারশা মাহজাবিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!