📌 চিত্রনায়িকা পরীমনি তার ৩৪তম জন্মদিনে নানার স্মৃতি নিয়ে কান্না পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, নানা শামসুল হক গাজী ঘুম থেকে তুলে কেক কাটতেন। এখন সেই মানুষের অভাব অনুভব করছেন তিনি। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত নানাকে হারানোর বেদনা নিয়ে তিনি ব্যক্তিগত জীবনে নতুনভাবে জীবন সাজাচ্ছেন
চিত্রনায়িকা পরীমনি তার ৩৪তম জন্মদিনে ব্যক্তিগত জীবনের গভীর বেদনা প্রকাশ করেছেন। গত শুক্রবার রাত ১২টার পর তিনি দুই সন্তানের সাথে কেক কাটলেও মনে পড়লো নানার। নানা শামসুল হক গাজীকে হারানোর বেদনা নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘নানা বেঁচে থাকতে আমাকে ঘুম থেকে তুলে কেক কাটতেন। এখন তো আমার সেই মানুষটা নেই। মনে পড়লে কান্না পায়’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পরীমনি ২৪ অক্টোবর তার ৩৪তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন, কিন্তু নানার স্মৃতি তাকে কান্নায় ডুবিয়ে দিয়েছে
- 📌 নানা শামসুল হক গাজীকে হারানোর পর জন্মদিনের আয়োজন ছোট করে নিয়েছেন তিনি
- 📌 ১৯৯২ সালের ২৪ অক্টোবর সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণকারী পরীমনি শৈশবে মা সালমা সুলতানা ও নানাকে হারান
- 📌 অভিনেত্রী হিসেবে তিনি পেয়েছেন তারকাখ্যাতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২ কোটি অনুসারী, কিন্তু চলচ্চিত্রে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য অর্জনে প্রশ্ন রয়েছে
- 📌 নাচ থেকে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পথে তিনি বুলবুল একাডেমি অব ফাইন আর্টস থেকে শুরু করেছেন
📰 বিস্তারিত
পরীমনি (শামসুন্নাহার স্মৃতি) তার অভিনয়জীবনের শুরু থেকে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। ঢালিউডে তারকাদের উপস্থিতি, পাঁচ তারকা হোটেলের আয়োজন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া জন্মদিনের ছবি-ভিডিও ছিল তার পরিচিতি বাড়ানোর প্রধান কারণ। তবে সময়ের সাথে সাথে তার ব্যক্তিগত জীবনের চিন্তাভাবনা বদলে গেছে। নানা শামসুল হক গাজীকে হারানোর পর তিনি জন্মদিনের আয়োজন ছোট করে নিয়েছেন।
পরীমনি বলেছেন, ‘নানা জীবিত থাকতে তাঁর হাত ধরেই কেক কাটতেন। একসময় জন্মদিনে বড় আয়োজন করলেও ২০২৩ সালে নানাকে হারানোর পর সেই উৎসবের আয়োজনে কিছুটা ভাটা পড়েছে।’ তিনি জানিয়েছেন, নানার মৃত্যুর পর জন্মদিনে তাঁকে আগের মতো সেভাবে উচ্ছ্বসিত হতে দেখা যায়নি। তবে তিনি বলেছেন, ‘আয়োজন রাখি। এক জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে বলেছি, নানাকে ছাড়া নিজেকে খুব একা লাগে’।
পরীমনি ১৯৯২ সালের ২৪ অক্টোবর সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণ করেছেন। তাঁর বাবা মনিরুল ইসলাম এবং মা সালমা সুলতানা। মাত্র তিন বছর বয়সে মাকে হারানোর পর তিনি পিরোজপুরে নানাবাড়িতে বড় হন। নানা শামসুল হক গাজী ছিলেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। শৈশবের সেই আশ্রয় পরবর্তী সময়ে পরীমনির জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে ওঠে।
"নানা বেঁচে থাকতে আমাকে ঘুম থেকে তুলে কেক কাটতেন। এখন তো আমার সেই মানুষটা নেই। মনে পড়লে কান্না পায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (জন্মদিন উদযাপন), সাতক্ষীরা (জন্মস্থান), পিরোজপুর (বেড়ে ওঠা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরীমনি (শামসুন্নাহার স্মৃতি), নানা শামসুল হক গাজী, মা সালমা সুলতানা, বাবা মনিরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ (জন্মদিন), ২৪ (অক্টোবর), ২ (সন্তান), ২ কোটি (অনুসারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!