📌 সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল ২০১৯ সালে ‘সারেগামাপা’-তে তৃতীয় হওয়ার পর মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা আয় করতেন। কিন্তু অল্প বয়সে অর্জিত এই অর্থ ও জনপ্রিয়তা সামলাতে না পেরে তিনি পথ হারিয়ে ফেলেন। এখন তিনি জীবনের পরিবর্তন নিয়ে কথা বলছেন
সংগীতজীবনের শুরুর দিকে জনপ্রিয়তা ও অর্থনৈতিক সাফল্যের পাশাপাশি বড় অঙ্কের টাকা আয় করলেও তা সামলাতে পারেননি জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। ২০১৯ সালে ‘সারেগামাপা’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার পর মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতেন তিনি। তবে সেই সময়ের অর্থ ও জনপ্রিয়তা তার জীবনকে অস্থির করে তোলে এবং তিনি পথ হারিয়ে ফেলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১৯ সালে ‘সারেগামাপা’-তে তৃতীয় হওয়ার পর মাসে ৪০ থেকে ৬০ লাখ টাকা আয় করতেন মাইনুল আহসান নোবেল
- 📌 ২৪-২৫ বছর বয়সে অর্জিত এই অর্থ তাকে অস্থির করে তোলে এবং তিনি বেখেয়ালি জীবনে জড়িয়ে পড়েন
- 📌 বর্তমানে তিনি গান ও ছেলেকে ঘিরেই জীবনযাপন করছেন এবং সেই সময়ের জীবন থেকে দূরে আছেন
- 📌 গত ১০ মাসে জীবনে পরিবর্তন এসেছে এবং তিনি বলছেন, ‘ছেলেই আমার আসল পিনিক’
📰 বিস্তারিত
মাইনুল আহসান নোবেলের সংগীতজীবনের শুরু ছিল অনেক আগে। ছোটবেলায় বাবার আনা ক্যাসেট শুনে তিনি আইয়ুব বাচ্চু, জেমস ও হাসানের গান গাইতেন। ২০১৬ সালে তিনি গানকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন এবং নিজের ব্যান্ড গড়ে তোলেন। কোনো ওস্তাদের কাছে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গান শেখেননি তিনি।
২০১৯ সালের ‘সারেগামাপা’ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হওয়ার পর নোবেলের জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। এরপর তিনি মৌলিক গান ও চলচ্চিত্রের গানেও কাজ করেছেন। তবে তার জীবনে বদল আসে যখন তিনি অল্প বয়সে অর্জিত অর্থের সাথে সামলাতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘আমি ‘সারেগামাপা’-তে জনপ্রিয়তা পাই, দুহাতে টাকা আসতে থাকে। মাসে এমনও হয়েছে, ৪০–৫০, এমনকি ৬০ লাখও পেতাম। অল্প বয়সী আমি, তখন মাত্র ২৪–২৫ বছর। এত টাকা আমাকে অস্থির করে তোলে। নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। বেখেয়ালি জীবনে জড়িয়ে পড়ি। টাকা আমার মাথা খারাপ করে তোলে।’
এখন তিনি সেই জীবন থেকে দূরে আছেন। গত ১০ মাসে জীবনে পরিবর্তন এসেছে, বিশেষত ছেলের জন্মের পর থেকে। তিনি বলেন, ‘এখন আমি ওসব থেকে একেবারে দূরে। বলতে পারেন, এখন ছেলেই আমার আসল পিনিক। ওকে নিয়ে আমার সময় কেটে যায়। কী দারুণ সব গান হচ্ছে।’
"আমি ‘সারেগামাপা’-তে জনপ্রিয়তা পাই, দুহাতে টাকা আসতে থাকে। মাসে এমনও হয়েছে, ৪০–৫০, এমনকি ৬০ লাখও পেতাম। অল্প বয়সী আমি, তখন মাত্র ২৪–২৫ বছর। এত টাকা আমাকে অস্থির করে তোলে। নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। বেখেয়ালি জীবনে জড়িয়ে পড়ি। টাকা আমার মাথা খারাপ করে তোলে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (সূত্রে উল্লেখিত নয়, তবে সংগীতশিল্পীর সাধারণ অবস্থান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাইনুল আহসান নোবেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মাসে ৪০-৬০ লাখ টাকা, ২৪-২৫ বছর বয়স, ১০ মাসের পরিবর্তন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!