📌 ৭৫ বছর বয়সী ভারতীয় অভিনেতা নানা পাটেকর ৮ অক্টোবর গোয়াতে হৃদরোগজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়
৭৫ বছর বয়সী ভারতীয় অভিনেতা নানা পাটেকর ৮ অক্টোবর গোয়াতে নিজ বাসায় হৃদরোগজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক আজ ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজের কারণে হৃদ্যন্ত্রের বাঁ দিকের প্রধান করোনারি ধমনিতে রক্ত জমাট বেঁধে তীব্র হার্ট অ্যাটাক হয়। এই ধমনিটি হৃদ্যন্ত্রের একটি বড় অংশে রক্ত সরবরাহ করে। ধমনিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হৃদ্যন্ত্রে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয় এবং মৃত্যু ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ অক্টোবর গোয়াতে নিজ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ৭৫ বছর বয়সী অভিনেতা নানা পাটেকর।
- 📌 রাত আড়াইটার দিকে এক বন্ধুকে বার্তা পাঠিয়ে জানান বুকের বাঁ পাশে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট।
- 📌 ভোর চারটার দিকে বন্ধু তাঁকে ঘামতে ও শ্বাসকষ্টে দেখেন এবং হাসপাতালে নিয়ে যান।
- 📌 ৪৫ মিনিট ধরে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চালানো হলেও চিকিৎসকরা ব্যর্থ হন।
- 📌 ভোর ৫টা ২০ মিনিটে নানা পাটেকরের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
- 📌 ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, মৃত্যু হয়েছে অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজের কারণে।
- 📌 প্রাথমিকভাবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করেছিল গোয়া পুলিশ, কিন্তু ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে স্বাভাবিক মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে।
- 📌 ৪০ বছরের অধিক অভিনয়জীবনে নানা পাটেকর হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা অর্জন করেন।
📰 বিস্তারিত
৮ অক্টোবর ভোররাতে গোয়ার ডোনা পাউলায় নিজ বাসায় অসুস্থ বোধ করেন নানা পাটেকর। রাত আড়াইটার দিকে এক বন্ধুকে বার্তা পাঠিয়ে শরীর খারাপ লাগা ও বুকের বাঁ পাশে ব্যথার কথা জানান তিনি। তবে রাত হওয়ায় বন্ধুটি বার্তাটি দেখতে পারেননি। ভোর চারটার দিকে ওই বন্ধু নানার বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে ঘামতে ও শ্বাসকষ্টে ভুগতে দেখেন। পরে তাঁকে মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ভোরের দিকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চালানো হলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন চিকিৎসকেরা। ভোর ৫টা ২০ মিনিটে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করেছিল গোয়া পুলিশ। তবে ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, নানা পাটেকরের মৃত্যু হয়েছে হৃদ্রোগজনিত স্বাভাবিক কারণে।
৪০ বছরের অধিক অভিনয়জীবনে নানা পাটেকর হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে স্বতন্ত্র পরিচিতি অর্জন করেন। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর। পরে ‘পরিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘রাজু বান গয়া জেন্টলম্যান’, ‘অঙ্গার’, ‘শক্তি: দ্য পাওয়ার’ ও ‘অপহরণ’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা পান। মীরা নায়ারের ‘সালাম বম্বে!’ সিনেমায় অভিনয়ের সুবাদেও আন্তর্জাতিক পরিসরে পরিচিতি পান তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও চিত্রনাট্য লেখার কাজও করেছেন নানা। ১৯৯১ সালে ‘প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালনায় অভিষেক ঘটে তাঁর।
"অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক করোনারি আর্টারি ডিজিজের কারণে হৃদ্যন্ত্রের বাঁ দিকের প্রধান করোনারি ধমনিতে রক্ত জমাট বেঁধে তীব্র হার্ট অ্যাটাক হয়। এই ধমনিটি হৃদ্যন্ত্রের একটি বড় অংশে রক্ত সরবরাহ করে। ধমনিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হৃদ্যন্ত্রে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোয়া, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নানা পাটেকর, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক, বন্ধু, মীরা নায়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ বছর, ৮ অক্টোবর, ৪৫ মিনিট, ৫টা ২০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!