📌 ৭৫ বছর বয়সী অভিনেতা নানা পাটেকর ভারতের গোয়ায় নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। সিপিআর দেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তিনি ১৯৭৮ সাল থেকে চলচ্চিত্র জগতে অবদান রেখেছিলেন এবং চারটি জাতীয় পুরস্কারসহ ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পেয়েছিলেন
৭৫ বছর বয়সে অভিনেতা নানা পাটেকর ভারতের গোয়ায় নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসা কেন্দ্রে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ভারতীয় সময় সকাল ৫টা ২০ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মণিপাল হাসপাতালের অঙ্কোলজি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক শেখর সালকর জানিয়েছেন, টানা ৪৫ মিনিট সিপিআর দেওয়া হলেও অভিনেতাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত করা হবে এবং ঘটনায় মেডিকো-লিগ্যাল কেস নথিভুক্ত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭৫ বছর বয়সে অভিনেতা নানা পাটেকর ভারতের গোয়ায় হৃদরোগে মৃত্যুবরণ করেছেন
- 📌 সকাল ৫টা ২০ মিনিটে মৃত ঘোষণা করা হলেও ৪৫ মিনিট ধরে সিপিআর দেওয়া হয়েছিল
- 📌 অভিনেতা ১৯৭৮ সাল থেকে চলচ্চিত্র জগতে অবদান রেখেছিলেন এবং চারটি জাতীয় পুরস্কারসহ ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছিলেন
- 📌 তার মৃত্যুতে হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্র জগতে বড় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে
- 📌 শৈশবেই তার বড় ছেলে দুর্বাসের মৃত্যু হয় এবং পরবর্তীতে স্ত্রী নীলকান্তী পাটেকরের সাথে বিচ্ছেদ ঘটে
📰 বিস্তারিত
৭৫ বছর বয়সী অভিনেতা নানা পাটেকর ভারতের গোয়ায় নিজ বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন। হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। তিনি ‘পরিন্দা’, ‘অঙ্গার’, ‘তিরঙ্গা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’, ‘শক্তি’, ‘অপহরণ’, ‘রাজনীতি’ সহ একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনয় জীবনে তিনি চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন।
নানা পাটেকর ১৯৭৮ সালে নীলকান্তী পাটেকরকে বিয়ে করেছিলেন। পরবর্তীতে দু’জনে আলাদা থাকতেন। শৈশবেই তার বড় ছেলে দুর্বাসের মৃত্যু হয়। বাবাকে হারিয়ে তিনি মাত্র ২৮ বছর বয়সে একাকী জীবন শুরু করেন। অভিনেতা ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যান। তার মৃত্যুতে হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্র জগতে বড় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
মণিপাল হাসপাতালের অঙ্কোলজি বিভাগের প্রধান চিকিৎসক শেখর সালকর জানিয়েছেন, টানা ৪৫ মিনিট সিপিআর দেওয়া হলেও অভিনেতাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত করা হবে এবং ঘটনায় মেডিকো-লিগ্যাল কেস নথিভুক্ত হয়েছে।
"টানা ৪৫ মিনিট সিপিআর দেওয়া হলেও অভিনেতাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতের গোয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নানা পাটেকর, শেখর সালকর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ বছর, ৪৫ মিনিট, ৫টা ২০ মিনিট, ২৮ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!