📌 ১১ বছর আগের জন্মদিনে পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী নাবিলাকে 'হৃদি' চরিত্রে সারপ্রাইজ দেন। সেই মুহূর্ত থেকে শুরু হয় তার অভিনয় জীবনের নতুন যাত্রা। গতকাল প্রথম লাইভে আসা নাবিলা বলেন, 'এই সিনেমা আমার জীবন ও দর্শনকে বদলে দিয়েছে'
১১ বছর আগের এক জন্মদিনের স্মৃতিতে আবদ্ধ হয়ে নাবিলা বলেছেন, ‘সেদিন আমার জীবন একদিনে বদলে যায়। কাতারে কাটছিল আমার জন্মদিন। কিন্তু একটা মেসেজ আমাকে নতুন জীবনের পথ দেখায়।’ ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল তার জন্মদিনে পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী নাবিলাকে ‘আয়নাবাজি’ সিনেমার ‘হৃদি’ চরিত্রে সারপ্রাইজ দেন। সেই মুহূর্ত থেকে শুরু হয় তার অভিনয় জীবনের নতুন যাত্রা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল জন্মদিনে নাবিলাকে অমিতাভ রেজা চৌধুরী ‘হৃদি’ চরিত্রে সারপ্রাইজ দেন — সেই মেসেজে লেখা ছিল, ‘তোমাকে হৃদি চরিত্রটি দিচ্ছি, তুমি কি গ্রহণ করবে?’
- 📌 নাবিলা বলেন, ‘সেদিন আমি ভীষণ আপসেট ছিলাম। দেশে পরিবার-বন্ধুদের মিস করছিলাম। কিন্তু এই বার্তা আমার দিনটাকে বদলে দেয়। পরে ‘হৃদি’ চরিত্র আমার ক্যারিয়ারের দিক বদলে দেয়’
- 📌 ‘আয়নাবাজি’ সিনেমা ২০১৬ সালে মুক্তি পায়। নাবিলা প্রথম লাইভে বলেন, ‘এই সিনেমা আমার জীবন ও দর্শনকে বদলে দিয়েছে। দর্শকদের ভালোবাসা আমি কখনো ভুলব না’
- 📌 সিনেমাটি মুক্তির আগেই ফেসবুকে ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত ছিলেন নাবিলা। মুক্তির পর দর্শকরা তাকে ‘আয়নাবাজি নাবিলা’ ডাকতেন
- 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর ‘আয়নাবাজি’ সিনেমাটি পুনরায় মুক্তি পায়। নাবিলা বলেন, ‘এই সিনেমা আমাকে আবিষ্কার করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী’
📰 বিস্তারিত
২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল। কাতারে কাটছিল মাসুমা রহমান নাবিলার জন্মদিন। সেই সময় তিনি মোবাইলে একটি বিশেষ বার্তা পান। বার্তাটি পাঠিয়েছিলেন ‘আয়নাবাজি’ সিনেমার পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী। বার্তায় লেখা ছিল, ‘জন্মদিনে তোমাকে বেশি কিছু দিতে পারছি না। তবে তোমাকে হৃদি চরিত্রটি দিচ্ছি। তুমি কি এটা গ্রহণ করবে?’ সেই মুহূর্তে নাবিলার জীবন একদিনে বদলে যায়।
নাবিলা বলেন, ‘সেদিন আমি ভীষণ আপসেট ছিলাম। দেশে পরিবারের সবাইকে মিস করছিলাম। বন্ধুরাও নাই। সেই সময়ে এই বার্তা আমার দিনটাকে বদলে দেয়। পরে ‘হৃদি’ চরিত্র আমার ক্যারিয়ারের দিক বদলে দেয়। তখনো সিনেমায় নাম জড়ানো নিয়ে দোটানায় ছিলেন। কিন্তু এই প্রস্তাব ফেলতে পারিনি। সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাই।’
নাবিলা প্রথম লাইভে বলেন, ‘আমি তুমুল এক্সসাইটমেন্টে ছিলাম। তবে সেদিন অনেক বেশি নার্ভাস হয়ে পড়েছিলাম। এক্সসাইটমেন্টের চেয়ে হাজার গুণ বেশি নার্ভাস ছিলাম। ধন্যবাদ অমিতাভ রেজা চৌধুরী। আপনি আরও বেশি সিনেমা বানিয়ে যান।’
‘আয়নাবাজি’ সিনেমাটি ২০১৬ সালে মুক্তি পায়। সেই সিনেমাটি নাবিলার জন্য ছিল ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, ‘সিনেমাটি মুক্তির ১০ বছর পূর্তি নিয়ে কথা বলতেই আমি গতকাল রাতে লাইভে আসি। এটাই আমার প্রথম লাইভ। ৩০ সেপ্টেম্বর এই সিনেমাটি পুনরায় মুক্তি পায়।’
"এই সিনেমার মাধ্যমে আপনারা আমাকে যতটা ভালোবাসা দিয়েছেন, এটা আমি কখনোই ভুলব না। এই সিনেমা আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছে। শুধু তা–ই নয়, আমার জীবনকে দেখার দর্শনও বদলেছে। নিজের প্রতি আলাদা একটা ভালোবাসা তৈরি করেছে। এটা আমার জন্য অনেক স্পেশাল।"
নাবিলা বলেন, ‘সিনেমাটি পরে দারুণ ব্যবসা করে। দীর্ঘ সময় সিনেমা হলে চলে। তখন আমি দর্শকদের হয়ে গিয়েছিলাম ‘আয়নাবাজি নাবিলা’। এভাবেই আমাকে সবাই ডাকতেন। সিনেমাটির অংশ হিসেবে এটা আমার কাছে অনেক বেশি মিনিংফুল ছিল। অন্যদের কথা বলতে পারব না। এটি আমার ক্যারিয়ারও বদলে দিয়েছে। আর আমাকে আবিষ্কার করেছেন পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী। তাঁকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কাতার (জন্মদিনের সময়), বাংলাদেশ (সিনেমা শুটিং ও মুক্তি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাসুমা রহমান নাবিলা, পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর (স্মৃতির সময়কাল), ৮ এপ্রিল (জন্মদিনের তারিখ), ১০ বছর (সিনেমা মুক্তির বছর), ৩০ সেপ্টেম্বর (পুনরায় মুক্তির তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!