📌 শিল্পী মুবাশ্বির মজুমদার মাটির সঙ্গে কথা বলতে শিখেছেন। প্রকৃতির প্রতি তার নিবিড় টান থেকে জন্মেছে তার বিমূর্ত ও প্রকাশবাদী শিল্পভাষা। ঢাকায় তার দ্বিতীয় একক প্রদর্শনীতে মাটির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন তিনি
শিল্পের স্বাধীনতা হলো অনুভূতির উত্তাপকে চিত্রপটে অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা। শিল্পী মুবাশ্বির মজুমদার সেই স্বাধীনতার মাধ্যমে মাটির সঙ্গে কথা বলতে শিখেছেন। মাটিতে মিশে যাওয়া সবকিছুই তার সৃষ্টির বিষয়বস্তু। তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই নিজের অনুভূতিকে প্রকাশের পথে অগ্রসর হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিল্পী মুবাশ্বির মজুমদার মাটির সঙ্গে কথা বলতে শিখেছেন — মাটিতে মিশে যাওয়া সবকিছুই তার সৃষ্টির বিষয়বস্তু
- 📌 ফারসি সাহিত্য ও গ্রাফিকস ডিজাইনার হিসেবে পেশা হলেও তিনি শিল্পী হিসেবে ক্যালিগ্রাফি ও কবিতা লেখায় স্বীকৃতি পেয়েছেন
- 📌 ২০২৩ সালে ঢাকায় প্রথম একক প্রদর্শনীতে প্রকাশবাদী ধারার চিত্রমালা উপস্থাপন করেন
- 📌 এবারের প্রদর্শনীতে ছেঁড়া কাগজ-কোলাজ মাধ্যমে প্রকৃতির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন
- 📌 মুবাশ্বিরের অনুপ্রেরণা বাংলাদেশের শিল্পী মোহাম্মদ কিবরিয়া ও মনিরুল ইসলাম এবং পশ্চিমা শিল্পী মার্ক রথকো, আলবার্তো বুরি, অ্যান্টনিও তাপিস ও আনসেলম কিফার
📰 বিস্তারিত
শিল্পী মুবাশ্বির মজুমদার মাটির সঙ্গে কথা বলতে শিখেছেন। তিনি মাটিতে মিশে যাওয়া সবকিছুকে তার সৃষ্টির বিষয়বস্তু হিসেবে ব্যবহার করেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন ছাড়াই তিনি শিল্পের স্বাধীনতা পেয়েছেন। ফারসি সাহিত্য ও গ্রাফিকস ডিজাইনার হিসেবে পেশা হলেও তিনি শিল্পী হিসেবে ক্যালিগ্রাফি আঁকা এবং কবিতা লেখায় স্বীকৃতি পেয়েছেন।
মুবাশ্বিরের শিল্পযাত্রা শুরু হয় গত দশকে। তিনি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ধারণার উপর নির্ভর করেননি। নিজের অনুভূতিকে প্রকাশ করার জন্য তিনি স্বাধীনভাবে শিল্পচর্চা করেছেন। তার শিল্পভাষা বিমূর্ত ও প্রকাশবাদী। তিনি মূর্ত থেকে বিমূর্ত এবং বিমূর্তকে মূর্ত করার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেন। পূর্বসূরিদের ঐতিহ্য থেকে তিনি অনুপ্রাণিত হন। বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে তিনি ভালোবাসেন মোহাম্মদ কিবরিয়া ও মনিরুল ইসলামের কাজ। পশ্চিমা শিল্পীদের মধ্যে তিনি উল্লেখ করেন মার্ক রথকো, আলবার্তো বুরি, অ্যান্টনিও তাপিস ও আনসেলম কিফার।
২০২৩ সালে ঢাকায় তার প্রথম একক প্রদর্শনীতে প্রকাশবাদী ধারার চিত্রমালা উপস্থাপন করেন। সেই প্রদর্শনীতে সম্পূর্ণ-অসম্পূর্ণতার বোধ ছিল। এবারের দ্বিতীয় প্রদর্শনীতে তিনি ছেঁড়া কাগজ-কোলাজ মাধ্যমে মাটির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তার শিল্পধারা শিল্পীর চিন্তা ও দেখার স্বাধীনতারই প্রতিফলন। শিল্পের ডাকে মনের সাড়া মেলে বিস্মিত হলে শিল্পের প্রাণ ফিরে আসে।
"মাটিতে মিশে যাওয়া সবই মুবাশ্বির মুজমদারের সৃষ্টির বিষয়। দেখা বা না দেখার কোনো কিছুর প্রতি আলাদা কোনো পক্ষপাত নেই"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিল্পী মুবাশ্বির মজুমদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৩ (প্রথম একক প্রদর্শনী), গত দশক (শিল্পযাত্রা শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!