📌 বাংলাদেশের প্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পেলেও অসুস্থ মায়ের দেখাশোনায় দেশে ফিরতে পারছেন না। তিনি দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে স্থায়ী বাসার অনুমতি পেলেও আপাতত যুক্তরাষ্ট্রেই থাকতে বাধ্য হন।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পেলেও দেশে ফিরতে পারছেন না। অসুস্থ মায়ের দেখাশোনার দায়িত্বের কারণে তিনি আপাতত যুক্তরাষ্ট্রেই থাকতে বাধ্য হন। দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তিনি স্থায়ী বাসার অনুমতি পেলেও পরিবারের দায়িত্ব তাকে দেশে ফিরতে বাধা দিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পেলেও দেশে ফিরতে পারছেন না অসুস্থ মায়ের দেখাশোনায়
- 📌 দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তিনি স্থায়ী বাসার অনুমতি পেয়েছেন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে মৌসুমী ‘কন্ট্যাক্ট ম্যারেজ’ টেলিফিল্মে অভিনয় করেন, যা বাংলাদেশে সিনেমা হিসেবে মুক্তি পায়
- 📌 মৌসুমীর স্বামী ওমর সানী দাবি করেন, তিনি কোনো সিনেমার চুক্তিতে জড়িত ছিলেন না
- 📌 পরিবার বিভক্তির গুজবের বিরুদ্ধে ওমর সানী আইনি ব্যবস্থা নেবার হুমকি দেন
- 📌 মৌসুমী ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় অভিনয় করে বড়পর্দায় অভিষেক করেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের প্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পেয়েছেন। তবে তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না। অসুস্থ মায়ের দেখাশোনার দায়িত্বের কারণে তিনি আপাতত যুক্তরাষ্ট্রেই থাকতে বাধ্য হন। মৌসুমী জানিয়েছেন, গ্রিনকার্ড পাওয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াতের সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কমেছে। তবে পরিবারের দায়িত্ব তাকে দেশে ফিরতে বাধা দিচ্ছে।
মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে ‘কন্ট্যাক্ট ম্যারেজ’ নামে একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেন, যা পরে বাংলাদেশে সিনেমা হিসেবে মুক্তি পায়। এই কাজের প্রসঙ্গে তার স্বামী ওমর সানী একটি অডিওবার্তা শেয়ার করেন। তিনি দাবি করেন, মৌসুমী কোনো সিনেমার চুক্তিতে জড়িত ছিলেন না এবং তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। তবে সিনেমার পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরের দাবি ছিল, সব কিছু তিনি নিয়মানুযায়ী করেছেন। তবে মৌসুমীর সঙ্গে কোনো সিনেমার চুক্তিও দেখাতে পারেননি তিনি।
মৌসুমীকে ঘিরে পরিবার বিভক্তির গুজব ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হয়, ছেলে ফারদিন তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। তবে ওমর সানী এ অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রতিবাদ জানান। তিনি জানান, পরিবারের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে এসব গুজব ছড়ানো হচ্ছে। ওমর সানী আইনি ব্যবস্থা নেবার কথাও জানিয়েছেন। পরে ফারদিনও ভিডিওবার্তায় মায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও যোগাযোগ থাকার কথা জানান। ওমর সানীও সামাজিক মাধ্যমে মাঝেমধ্যে মৌসুমীর সঙ্গে ভিডিওকলে কথা বলার মুহূর্ত প্রকাশ করেন।
মৌসুমী ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক করেন। এরপর ‘দোলা’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘মেঘলা আকাশ’, ‘দেবদাস’সহ বহু সিনেমায় অভিনয় করে নিজের অবস্থান শক্ত করেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি পরিচালনা ও প্রযোজনাতেও যুক্ত আছেন। ২০০৩ সালে ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ দিয়ে পরিচালনায় অভিষেক ঘটে তার। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় এবং পর্দায় স্বতন্ত্র উপস্থিতির কারণে দর্শকদের কাছে তার জনপ্রিয়তা এখনো অটুট।
"আমি কোনো সিনেমার চুক্তিতে জড়িত ছিলেন না। সবকিছুই প্রতারণা"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মৌসুমী, ওমর সানী, হাসান জাহাঙ্গীর, ফারদিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বছর (অপেক্ষা), ১৯৯৩ (অভিষেক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!