📌 মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে মহালয়া উপলক্ষে আয়োজিত ‘দেবী আবাহন’ অনুষ্ঠানে ‘সর্বভূতেষু সংস্থিতা’ নৃত্যনাট্য উপস্থাপিত হয়। দেবীমাহাত্ম্য ও শ্রীশ্রীচণ্ডীর আখ্যানে ৭৫ জন শিল্পীর অংশগ্রহণে মঞ্চায়িত এই নৃত্যনাট্যে দেবীশক্তির মহিমা তুলে ধরা হয়
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে মহালয়া উপলক্ষে ‘দেবী আবাহন’ অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ‘সর্বভূতেষু সংস্থিতা’ শীর্ষক নৃত্যনাট্য মঞ্চায়িত হয়। দেবীমাহাত্ম্য ও শ্রীশ্রীচণ্ডীর আখ্যানকে কেন্দ্র করে এই নৃত্যনাট্যে দেবীশক্তির মহিমা, সৃষ্টির অন্তর্নিহিত শক্তি এবং অসুরবধের পৌরাণিক কাহিনি জীবন্ত করে তুলেছে। অনুষ্ঠানটি দেবাঙ্গন ছাত্র পরিষদ আয়োজন করে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ টা রাতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহরে ‘দেবী আবাহন’ অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ‘সর্বভূতেষু সংস্থিতা’ নৃত্যনাট্য মঞ্চায়িত হয়।
- 📌 ৭৫ জন শিল্পী ও বহু কলাকুশলীর অংশগ্রহণে এই নৃত্যনাট্য পরিবেশিত হয়।
- 📌 প্রাপ্ত প্রীতম প্রধান কোরিওগ্রাফার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, সহ-কোরিওগ্রাফার হিসেবে ছিলেন অভিজিৎ কুণ্ডু কর্মকার ও দেবযানী রায়।
- 📌 দেবযানী রায় ভদ্রকালীর চরিত্রে অভিনয় করে দেবীশক্তির জাগরণী রূপ উপস্থাপন করেন।
- 📌 প্রাপ্ত প্রীতম মহাকালের চরিত্রে অভিনয় করে শক্তির পুরুষতাত্ত্বিক প্রতিরূপ তুলে ধরেন।
- 📌 অনুষ্ঠানের শেষে দেবী দুর্গার অসুর বধের দৃশ্যে নৃত্যনাট্যের সমাপ্তি ঘটে।
📰 বিস্তারিত
‘সর্বভূতেষু সংস্থিতা’ নৃত্যনাট্যটি দেবীশক্তির মহিমা ও সৃষ্টির অন্তর্নিহিত শক্তিকে কেন্দ্র করে তৈরি। এই নৃত্যনাট্যে দেবীমাহাত্ম্য ও শ্রীশ্রীচণ্ডীর ভাবধারায় তিনটি প্রধান চরিত্রে অসুরবধের পৌরাণিক আখ্যান উপস্থাপিত হয়েছে। দেবীশক্তির বিরাজমান রূপ প্রতিটি প্রাণে, প্রতিটি কণায় এবং প্রতিটি হৃদয়ের স্পন্দনে ফুটে উঠেছে এই নৃত্যনাট্যে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে হাওয়াইয়ান গিটারের সুরে মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। রাত সাড়ে ১০টায় মঞ্চে নৃত্যশিল্পীরা পরিবেশনা শুরু করেন। এই বৃহৎ প্রযোজনায় ৭৫ জনেরও বেশি শিল্পী অংশ নেন। নেপথ্যে বহু কলাকুশলী কাজ করেন। শিল্পীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এই আয়োজন বাস্তবায়িত হয়।
প্রধান কোরিওগ্রাফার প্রাপ্ত প্রীতম বলেন, “চণ্ডী ও কালিকাপুরাণের বিষয়বস্তুকে কীভাবে মঞ্চে উপস্থাপন করা যায় এবং মানুষের কাছে সহজভাবে তুলে ধরা যায়, সেটিই ছিল আমার মূল উদ্দেশ্য। দেবীশক্তির অনন্য মহিমা ও শক্তির স্বরূপকে সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে মানুষের কাছে এর গভীর তাৎপর্য পৌঁছে দিতে চেয়েছি।”
মধ্যরাতে জনপ্রিয় শিল্পী ঈশান মজুমদার ‘পাতার বাঁশরি’ গানের মাধ্যমে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। তার পরিবেশিত জনপ্রিয় গানগুলো অনুষ্ঠানটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে।
"চণ্ডী ও কালিকাপুরাণের বিষয়বস্তুকে কীভাবে মঞ্চে উপস্থাপন করা যায় এবং মানুষের কাছে সহজভাবে তুলে ধরা যায়, সেটিই ছিল আমার মূল উদ্দেশ্য। দেবীশক্তির অনন্য মহিমা ও শক্তির স্বরূপকে সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে মানুষের কাছে এর গভীর তাৎপর্য পৌঁছে দিতে চেয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্রীমঙ্গল শহর, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রাপ্ত প্রীতম (প্রধান কোরিওগ্রাফার), দেবযানী রায়, অভিজিৎ কুণ্ডু কর্মকার, ঈশান মজুমদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ জন শিল্পী, ১০ টা রাত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!