📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৮২ বছর বয়সে চিরবিদায় নিলেন চলচ্চিত্রের প্রাচীন নায়িকা নাসিমা খান

৮২ বছর বয়সে চিরবিদায় নিলেন চলচ্চিত্রের প্রাচীন নায়িকা নাসিমা খান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের প্রাচীন নায়িকা নাসিমা খান ৮২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। নিখোঁজ ছেলের সন্ধানে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকা অবস্থায় তিনি চিরবিদায় করেছেন। ১৯৪৪ সালের জন্মগ্রহণকারী নাসিমা খান ঢাকার চলচ্চিত্রে অভিষেক করেন ১৯৫৯ সালে

বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের প্রাচীন নায়িকা নাসিমা খান (৮২) আজ রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ঢাকার উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিরবিদায় করেছেন। তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রীর দেখাশোনা করা নুরজাহান বেগম। নাসিমা খান ষাটের দশকে ঢাকার চলচ্চিত্রে পরিচিতি পেয়েছিলেন এবং বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন চলচ্চিত্রের প্রাচীন নায়িকা নাসিমা খান
  • 📌 ১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট জন্মগ্রহণকারী নাসিমা খান ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন
  • 📌 ১৯৫৯ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘জাগো হুয়া সাভেরা’-এ অভিনয় করে চলচ্চিত্রে অভিষেক
  • 📌 ১৭ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ ছেলের সন্ধানে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন
  • 📌 মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নাসিমা খান ঢাকার আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের স্বপ্নবিলাস এলাকায় বসবাস করতেন
  • 📌 ‘যে নদী মরু পথে’, ‘সূর্যস্নান’, ‘বেগানা’, ‘উজালা’সহ ১৫টি চলচ্চিত্রে অভিনয়
  • 📌 পাকিস্তানের লাহোরের চলচ্চিত্রেও অভিনয়, ‘নয়ি লায়লা নয়া মজনু’ ও ‘গীত কাহিঁ সংগীত কাহিঁ’সহ ৪টি চলচ্চিত্রে অংশ নেন

📰 বিস্তারিত

নাসিমা খান ষাটের দশকে ঢাকার চলচ্চিত্রে পরিচিতি পেয়েছিলেন। তিনি বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ১৯৫৯ সালে এ জে কারদার পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘জাগো হুয়া সাভেরা’-এ অভিনয় করে চলচ্চিত্রে অভিষেক করেন। এই চলচ্চিত্রে তিনি ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ‘যে নদী মরু পথে’, ‘সূর্যস্নান’, ‘বেগানা’, ‘উজালা’সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

নাসিমা খানের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’। এছাড়াও তিনি পাকিস্তানের লাহোরের চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছিলেন। পাকিস্তান ফিল্ম ম্যাগাজিনের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর অভিনীত লাহোরের চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘নয়ি লায়লা নয়া মজনু’ (১৯৬৯), ‘গীত কাহিঁ সংগীত কাহিঁ’ (১৯৬৯), ‘আঁসু বন গয়ে মোতি’ (১৯৭০) ও ‘রোড টু সোয়াত’ (১৯৭১)।

১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণকারী নাসিমা খানের পৈতৃক নিবাস মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়িখাল গ্রামে। তাঁর বাবা মোহাম্মদ মাসুদ খান ছিলেন ব্যবসায়ী। পারিবারিক পরিবেশেই তিনি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হন। পড়াশোনা করেছেন কামরুন্নেসা স্কুলে এবং নাচ শিখেছিলেন। চলচ্চিত্রে আসার গল্পও বেশ পুরোনো। তাঁর পরিবারের সঙ্গে অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা খান আতাউর রহমানের ঘনিষ্ঠতা ছিল।

১৭ ফেব্রুয়ারি ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন নাসিমা খান। ছেলের সন্ধান চেয়ে বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন তিনি। নাসিমা খানের বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন।

"নাসিমা খান বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সাত দিন আগে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সন্ধ্যায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার উত্তরার বেসরকারি হাসপাতাল, আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের স্বপ্নবিলাস এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাসিমা খান, নুরজাহান বেগম, সনি রহমান, শাবাব নাসিম রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২ বছর, ১১ অক্টোবর, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ৬ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖