📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাতার বাঁশিতে সুরের কাহিনি: কোক স্টুডিও থেকে শুরু করে বড় মঞ্চে গোলাম রাব্বানীর অসাধ্য সাফল্য

পাতার বাঁশিতে সুরের কাহিনি: কোক স্টুডিও থেকে শুরু করে বড় মঞ্চে গোলাম রাব্বানীর অসাধ্য সাফল্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গোলাম রাব্বানী (৫৬) পাতার বাঁশি দিয়ে রবীন্দ্রসংগীত থেকে আধুনিক গান পর্যন্ত সুর তুলছেন। ১৯৮২ সাল থেকে শুরু করে তিনি এখন টেলিভিশন, মঞ্চ এবং জনপ্রিয় সংগীত আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন। কোক স্টুডিও বাংলার গানে অংশ নেওয়ার পর তার পরিচিতি বেড়েছে

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার একজন সাধারণ ব্যক্তি গোলাম রাব্বানী (৫৬) পাতার বাঁশি দিয়ে রবীন্দ্রসংগীত থেকে আধুনিক গান পর্যন্ত সুর তুলছেন। গত বৃহস্পতিবার আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন স্কুলের মাঠে তিনি পাতার বাঁশি দিয়ে ‘আমরা করব জয়’ থেকে শুরু করে ‘দেখা না দিলে বন্ধু কথা কইয়ো না’ পর্যন্ত গানের সুর তুলে শিক্ষার্থীদের মনে জাদু ফেলেছিলেন। কোনো বাদ্যযন্ত্র ছাড়াই শুধু পাতার বাঁশি দিয়ে তিনি সুর তুলছেন, যা তার জীবনের একটি অসাধ্য কাহিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাতার বাঁশি দিয়ে সুর তুলছেন গোলাম রাব্বানী (৫৬), যিনি ১৯৮২ সাল থেকে এই কৌশল শিখছেন এবং এখন টেলিভিশন, মঞ্চ এবং জনপ্রিয় সংগীত আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন।
  • 📌 কোক স্টুডিও বাংলার ‘দেখা না দিলে বন্ধু কথা কইয়ো না’ গানে অংশ নেওয়ার পর তার পরিচিতি বেড়েছে।
  • 📌 ৪ মাসের জেদের ফল হিসেবে তিনি প্রথম সুর তুলতে সক্ষম হন, যা তার জীবনের শখ হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে জীবিকা হিসেবে পরিণত হয়।
  • 📌 আতা ও মেহগনিগাছের পাতা দিয়ে তুলনামূলক ভালো সুর পাওয়া যায়, তবে যেকোনো গাছের পাতা দিয়ে সুর তুলা সম্ভব।
  • 📌 শিক্ষক ও আর্ট স্কুলের মালিক হিসেবে তিনি শিশুদের ছবি আঁকা ও সুন্দর লেখার কলাকৌশল শেখান এবং গান ও কবিতা লেখেন।

📰 বিস্তারিত

মধ্যাহ্নবিরতির সময় আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন স্কুলের মাঠে শিক্ষার্থীরা গল্প-আড্ডায় মেতে যাচ্ছিলেন। সেখানে ঢুকলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব গোলাম রাব্বানী। শিক্ষার্থীরা তাঁকে দেখে ‘রাব্বানী স্যার, একটা গান শোনান’ বলে আবদার জুড়ে দিলেন। তিনি দুটি পাতা ছিঁড়ে নিলেন এবং ঠোঁটে চেপে ফুঁ দিতেই ভেসে এল ‘আমরা করব জয়’ গানের সুর। তিনি রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, আধুনিক গান, লোকগীতি এবং হিন্দি গান সবই পাতার বাঁশিতে তুলতে পারেন।

১৯৮২ সালে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী থাকাকালীন তিনি বড় ভাই শামীম আহমেদকে পাতার বাঁশি বাজাতে দেখে শেখার বায়না ধরেন। চার মাসের জেদের পর তিনি প্রথম সুর তুলতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে তিনি হারমোনিয়াম ও তবলায়ও আগ্রহী হন। ঢাকায় বড় ভাইয়ের কাছে যাওয়ার পর তিনি স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শুরু করেন। ১৯৮৭ সালে মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘অল্পস্বল্প গল্প’, এটিএন বাংলার ‘কনকা কমেডিয়ান আওয়ার’ এবং ‘নেসক্যাফে গেট সেট রক’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

কোক স্টুডিও বাংলার ‘দেখা না দিলে বন্ধু কথা কইয়ো না’ গানে অংশ নেওয়ার পর তিনি নতুন করে আলোচনায় আসেন। তিনি জানান যে, পাতার বাঁশিতে ঠোঁটের অবস্থান, পাতার ভাঁজ ও ফুঁ দেওয়ার কৌশল সবকিছুই সুরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘যখন পাতায় সুর তুলি, তখন অনেকে অবাক হন। একটা অসাধ্য সাধন করেছি, এমন মনে হলে বেশ ভালো লাগে।’

"আমি শখ থেকে শুরু করেছি, কিন্তু এখন জীবিকা হিসেবে এটি আমার কাজ। চার মাসের জেদের ফলেই এই অসাধ্য সম্ভব হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন স্কুল, বোচাগঞ্জ উপজেলা, দিনাজপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোলাম রাব্বানী (৫৬), শামীম আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ বছর বয়স, ১৯৮২ সাল (শেখার শুরু), ৪ মাস (সুর শিখার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖