📌 কোরীয় শিল্পী কিম ইউন-আহ জানিয়েছেন, শৈশবে বাবার নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি সংগীতকে জীবনের আশ্রয় হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ঘৃণার শক্তি থেকে গান গেয়ে তিনি বেড়ে উঠেছেন বলে তিনি বলেছেন
কোরীয় রক ব্যান্ড জাউরিমের ভোকালিস্ট কিম ইউন-আহ শৈশবে বাবার সহিংস আচরণের কথা উন্মোচন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পরিবারের প্রত্যেক সদস্যই বাবার নির্যাতনের শিকার ছিলেন। এই ভয়ংকর স্মৃতিগুলোই পরবর্তীকালে তাঁর সংগীতচর্চার চালিকা শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কিম ইউন-আহ জানান, শৈশবে বাবার নিয়মিত মারধর ও নির্যাতনের শিকার ছিলেন তিনি এবং পরিবারের অন্য সদস্যরাও এর শিকার ছিলেন
- 📌 তিনি বলেন, ‘আমার জন্মদাতা বাবা অত্যন্ত সহিংস ছিলেন। আমাদের পরিবারের প্রত্যেক সদস্যই তাঁর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন’
- 📌 ঘৃণাই তাঁর সংগীতের চালিকা শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানান কিম ইউন-আহ
- 📌 ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি চ্যানেল এ-এর ‘ড. ওহস গোল্ডেন ক্লিনিক’ অনুষ্ঠানে তিনি বাবার নির্যাতনের কথা পুনরায় তুলে ধরেন
- 📌 কিম ইউন-আহের প্রথম অ্যালবাম ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয়
📰 বিস্তারিত
কিম ইউন-আহ ইবিএসের তথ্যচিত্র সিরিজ ‘সিদায়ে মোকগিয়ক’-এর একটি পর্বে শৈশবের সেই ভয়াবহ স্মৃতিগুলোকে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শৈশবে বাবার সহিংসতা তাঁর জীবনে একটি স্থায়ী চিহ্ন রেখে গেছে। তিনি মনে করেন, সময় যেন থমকে আছে এবং যেকোনো মুহূর্তে কিছু ঘটতে পারে এমন ভয়ে দিন কাটত।
কিম ইউন-আহ জানান, দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় একদিন বাসন ধোয়ার পর সাবান ভালোভাবে পরিষ্কার না করায় বাবা তাঁকে মারধর করেছিলেন। বয়স কম হওয়ায় ঘরের কাজ ঠিকঠাক করতে না পারাটাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তখন তিনি নিজের ভুলের জন্য নিজেকে দায়ী করেছিলেন। তিনি বলেন, বাবার নির্যাতনের কোনো নির্দিষ্ট কারণ বা সময় ছিল না। কখন কী ঘটবে, তা বুঝতে পারতেন না তিনি।
২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি চ্যানেল এ-এর ‘ড. ওহস গোল্ডেন ক্লিনিক’ অনুষ্ঠানে কিম ইউন-আহ জানিয়েছিলেন, তাঁর বাবা কাঠমিস্ত্রির দোকান থেকে বিভিন্ন দৈর্ঘ্য ও পুরুত্বের কাঠের লাঠি বানিয়ে আনতেন। শৈশবের সেই সময়ের অনেক স্মৃতি এখন আর মনে নেই কিমের। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ের অনেক কিছুই আমার মনে নেই। আমি সব সময় একধরনের ঘোরের মধ্যে থাকতাম। গান ও বইয়ের মধ্যে আশ্রয় খুঁজতাম।’
"এই মানুষটিকে ঘৃণা করেই তো আমি গান তৈরি করেছি, এখন কী গল্প বলব?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কোরিয়া (স্মৃতিকথা ও বক্তব্য)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিম ইউন-আহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জানুয়ারি ২০২২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!