📌 ভারতের কিংবদন্তি গায়ক কিশোর কুমার ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। মৃত্যুর আগে তিনি 'ডাক্তার ডাকলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে' বলে রসিকতা করলেও তা সত্যি হয়ে যায়। ছেলে অমিত কুমারের স্মৃতিচারণে উঠে এসেছে তার জীবনের অস্বাভাবিক শেষ মুহূর্তের ঘটনাসমূহ
ভারতের সংগীত জগতের অন্যতম কিংবদন্তি কিশোর কুমার ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর মাত্র ৫৮ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। তার মৃত্যুকে ঘিরে রহস্যময় ঘটনাসমূহ আজও আলোচিত। বিশেষ করে তার শেষ মুহূর্তের কথোপকথন এবং মৃত্যুর আগের দিনের ঘটনাগুলো মানুষের কৌতূহল জাগিয়ে রেখেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর মারা যান ভারতের কিংবদন্তি গায়ক কিশোর কুমার, বয়স ৫৮
- 📌 মৃত্যুর আগে তিনি বলেছিলেন, 'ডাক্তার ডাকলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে' — যা সত্যি হয়ে যায়
- 📌 মৃত্যুর দিন তার ছেলে অমিত কুমার যুক্তরাষ্ট্রের টরন্টোতে ছিলেন, বাবার ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি
- 📌 মৃত্যুর ঠিক আগের দিন (১২ অক্টোবর) মুম্বাইয়ে 'গুরু গুরু' গান রেকর্ড করেছিলেন
- 📌 ১৯৮২ সালে ট্যারো কার্ড পাঠক বলেছিলেন, কিশোরের হাতে আর সাত বছর সময় আছে
📰 বিস্তারিত
কিশোর কুমার ছিলেন একজন বহুমুখী শিল্পী — গায়ক, অভিনেতা, সুরকার এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা। তার জীবনের শেষ দিনগুলোও ছিল তার স্বাভাবিক রসিকতা ও খামখেয়ালির সাথে ভরা। কিন্তু মৃত্যুর আগের ঘটনাসমূহ আজও মানুষের মন জাগিয়ে রাখে।
১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর কিশোর কুমার হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। মৃত্যুর আগে তিনি তার স্ত্রী লীনা চন্দাভারকরকে বলেছিলেন, 'ডাক্তার ডাকলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে'। তার এই কথা সত্যি হয়ে যায়। মৃত্যুর আগে তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন, কিন্তু তার রসিকতা ও খামখেয়ালি স্বভাব তাকে চিকিৎসকের কাছে যেতে বাধা দিয়েছিল।
মৃত্যুর দিন তার ছেলে অমিত কুমার যুক্তরাষ্ট্রের টরন্টোতে একটি অনুষ্ঠানের সফরে ছিলেন। তিনি তার বাবার ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। কিশোর কুমার তার ফেরার সময় নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং বারবার তার ছেলের বিমান ঠিক সময়ে পৌঁছাবে কি না তা নিয়ে খোঁজ নিচ্ছিলেন।
১৯৮২ সালে আসামে একটি অনুষ্ঠানে কিশোর কুমার একটি ট্যারো কার্ড পাঠকের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ওই ব্যক্তি তাকে বলেছিলেন, তার হাতে আর সাত বছর সময় আছে। কিশোর কুমার ১৯৮৭ সালের ১৩ অক্টোবর মারা যান, যা সেই ভবিষ্যদ্বাণীর প্রায় পাঁচ বছর পর।
মৃত্যুর ঠিক আগের দিন (১২ অক্টোবর) কিশোর কুমার মুম্বাইয়ের মাহবুব স্টুডিওতে সংগীত পরিচালক বাপ্পি লাহিড়ীর সুরে 'গুরু গুরু' গানটি রেকর্ড করেছিলেন। গানটি ছিল মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবী অভিনীত 'ওয়াক্ত কি আওয়াজ' ছবির জন্য। রেকর্ডিংয়ের সময় তার আচরণে এমন কিছু ছিল না, যা দেখে বোঝা যেত জীবনের শেষ গানগুলোর একটি রেকর্ড করছেন তিনি।
"ডাক্তার ডাকলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে" — এই কথাটি বলেছিলেন কিশোর কুমার মৃত্যুর আগে। তার এই কথা সত্যি হয়ে যায়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুম্বাই (ভারত), টরন্টো (যুক্তরাষ্ট্র), আসাম (ভারত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিশোর কুমার, অমিত কুমার, লীনা চন্দাভারকর, বাপ্পি লাহিড়ী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮ বছর (বয়স), ১৩ অক্টোবর (মৃত্যু তারিখ), ১২ অক্টোবর (মৃত্যুর আগের দিন), ১৯৮২ (ট্যারো কার্ডের ঘটনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!