📌 বাংলা একাডেমির লাইব্রেরিতে পড়ার সুযোগ পেলে জুহিতা এমফিলের শিক্ষা জীবনে নতুন দিক খুঁজে পান। কিন্তু তার প্রেমের জীবনে কবির আকর্ষণ ও বন্ধুর অদ্ভুত চিঠি তাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করে তোলে
বাংলা একাডেমির লাইব্রেরি জুহিতার জন্য ছিল একটি স্বর্গীয় স্থান। বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির তুলনায় সেখানে পড়ার আনন্দ ছিল অন্যরকম। কিন্তু সেখানে প্রবেশের সুযোগ ছিল শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, জুহিতার মতো এমফিলের ছাত্রীদেরও। তার সুপারভাইজার শিক্ষকের রেফারেন্স এবং প্রাণের বন্ধু ছুটির মামা উপপরিচালকের পরিচয় দিয়েই জুহিতা সপ্তাহে দুই দিন লাইব্রেরিতে আসতে পারত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুহিতা এমফিলের শিক্ষক ও বন্ধুর পরিচয় দিয়ে বাংলা একাডেমির লাইব্রেরিতে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন
- 📌 ছুটির মামা উপপরিচালক ছিলেন, যার পরিচয় দিয়েই জুহিতা লাইব্রেরিতে যেতেন
- 📌 জুহিতা প্রেমের প্রস্তাব পেলেও শিশির ভাইয়ের প্রতি আকর্ষণ ছিল, কিন্তু তার সাথে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখতে পারেননি
- 📌 কবি সুকোমল হাসান জুহিতার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করলেও লাইব্রেরির নিয়ম ও দারোয়ানের নজরে পড়ায় সেটি বন্ধ হয়ে যায়
- 📌 জুহিতা প্রকৌশলীর সাথে বিয়ে করলেও ছুটির সঙ্গে তার বন্ধুত্ব অব্যাহত থাকে
📰 বিস্তারিত
জুহিতা এমফিলের শিক্ষা জীবনে বাংলা একাডেমির লাইব্রেরি ছিল একটি স্বপ্নের স্থান। সেখানে পড়ার সুযোগ পাওয়ার পেছনে ছিল তার সুপারভাইজার শিক্ষকের রেফারেন্স এবং তার প্রাণের বন্ধু ছুটির মামা উপপরিচালকের পরিচয়। ছুটি তার মামার পরিচয় দিয়েই জুহিতাকে লাইব্রেরিতে নিয়ে আসত। কিন্তু জুহিতার প্রেমের জীবন ছিল একটু জটিল। তিনি বেশ কয়েকজন ছেলের প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছিলেন, কিন্তু তাদের সবাইকে তিনি ভালোবাসেননি। তার ক্লাসের শিশির ভাইয়ের প্রতি তার আকর্ষণ ছিল বিশেষ, কিন্তু তাদের ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখতে পারেননি। একদিন শিশির ভাইয়ের সঙ্গে লাইব্রেরির পেছনের বারান্দায় বসে কবিতা পড়ার সময় জুহিতা তার বুক আড়চোখে দেখে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু শিশিরের হাতে নোট ধরিয়ে দিয়ে তিনি দ্রুত দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন।
লাইব্রেরিতে জুহিতার সাথে কবি সুকোমল হাসানের সাক্ষাত হয়েছিল। ছুটির মামা উপপরিচালক জুহিতার পাশে বসে কথা বলছিলেন। জুহিতা তার বুক আড়চোখে দেখে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কবির চোখ তার বুকের ওপর দিয়ে শম্বুকগতিতে হেঁটে গেল। লাইব্রেরির নিয়ম ও দারোয়ানের নজরে পড়ায় সেটি বন্ধ হয়ে যায়। কবি জুহিতার দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, ‘ছুটির খবর পেলে দিয়ো। মধুসূদনের ওপর লেখা বইটি দোতলায় পাবে’।
জুহিতা বাড়ি থেকে প্রকৌশলীর সঙ্গে বিয়ে করলেও তার বন্ধু ছুটির সঙ্গে তার বন্ধুত্ব অব্যাহত থাকে। ছুটি তার চিঠিতে লিখেছিলেন, ‘অভিনন্দন, হে দুহিতা! বাড়িতে সসম্মান ফিরিয়ে এনেছে আমার হুলো বেড়াল পিতা। গাবলুকেও মেনে নিয়েছে। তুই যেন কোন কবির একটা বাণী দিতিস!’ জুহিতা ছুটির উল্টাপাল্টা কথাবার্তা খুব উপভোগ করতেন। বন্ধুত্বের এই গভীরতা তাকে নতুন দিক থেকে দেখতে সাহায্য করেছিল।
"তোর পেয়ারের শিশির সুবর্ণার কোল আলো করে সেখানে শুয়ে আছে। ওমা, দেখি তোর পেয়ারের শিশির সুবর্ণার কোল আলো করে সেখানে শুয়ে আছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলা একাডেমি লাইব্রেরি, গাবলু সোহরাওয়ার্দী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুহিতা, ছুটি, কবি সুকোমল হাসান, শিশির ভাই, প্রকৌশলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সপ্তাহে দুই দিন (লাইব্রেরি যাওয়ার সুযোগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!