📌 অভিনেতা রওনক হাসান তার জাহিদ হাসানের সঙ্গে মজার স্মৃতি ভাগ করেছেন। ভারতের ত্রিপুরার কমলপুরে থিয়েটার শোতে তিনি জাহিদ হাসানের ছোট ভাই বলে পরিচিতি পেয়েছিলেন এবং তিন দিনের আতিথেয়তা ভোগ করেছিলেন। পরে তাদের মধ্যে বড়-ছোট ভাইয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে
অভিনেতা জাহিদ হাসানের জন্মদিনে তার ভক্তদের সঙ্গে মজার স্মৃতি ভাগ করেছেন অভিনেতা রওনক হাসান। তার মজার স্মৃতি সম্পর্কে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। রওনক হাসান বলেছেন, তিনি থিয়েটারের শুরুতে ভারতের ত্রিপুরার কমলপুরে দলের সঙ্গে শো করতে গিয়েছিলেন। সেখানে এক মজার ঘটনা ঘটে যা এখনো তার স্মৃতিতে অম্লান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রওনক হাসান ভারতের ত্রিপুরার কমলপুরে থিয়েটার শোতে জাহিদ হাসানের ছোট ভাই বলে পরিচিতি পেয়েছিলেন
- 📌 সেখানে একজন লোক জিজ্ঞাসা করলে রওনক বলেছিলেন, 'আমি রওনক হাসান' — এরপরই জাহিদ হাসানের ছোট ভাই বলে পরিচিতি পেয়েছিলেন
- 📌 জাহিদ হাসানের ছোট ভাই বলে তিন দিনের আতিথেয়তা ভোগ করে রওনক হাসান
- 📌 পরে জাহিদ হাসানের সঙ্গে সত্যিকারের পরিচয় হলে তাদের মধ্যে বড়-ছোট ভাইয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে
📰 বিস্তারিত
রওনক হাসান বলেছেন, তিনি থিয়েটারের শুরুতে ত্রিপুরার কমলপুরে দলের সঙ্গে শো করতে গিয়েছিলেন। সেখানে বর্ডারে দলের লোকজন তাদের স্বাগত জানাল। একজন লোক তার নাম জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেছিলেন, 'রওনক হাসান'। সেই নাম শুনে সেখানে উপস্থিত লোকজন কিছুটা চিন্তিত হয়ে পড়েন। তখন একজন লোক জিজ্ঞাসা করেন, 'আপনি কি জাহিদ হাসানের ভাই?' রওনক বলেন, 'আমি কিছু বলার আগেই আমার দলের একজন বলে উঠলেন, "আরে জাহিদ হাসানের ছোট ভাই ও। দেখেন না, হাইট, চেহারা।" সেই সময় বাংলাদেশে জাহিদ হাসান তুমুল আলোচিত ছিলেন।
রওনক বলেন, সেই ঘটনার পর থেকে তাদের আতিথেয়তা বদলে যায়। তিনি বলেন, 'এরপর থেকে সে কী খাতির, সেবা-যত্ন! জাহিদ হাসানের ছোট ভাই হয়ে তিন দিন বেশ আরাম-আয়েশে থেকে, শো করে এলাম।'
রওনক হাসান জানান, পরে জাহিদ হাসানের সঙ্গে সত্যিকারের পরিচয় হয়। তিনি বলেন, 'একসময় জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হলো। এবং বিস্ময়করভাবে তিনি সত্যি সত্যিই বড় ভাই হয়ে গেলেন। সেই প্রথম পরিচয়ের পর সম্পর্কটা এখনো আগের মতোই আছে।'
"আপনি কি জাহিদ হাসানের ভাই?"
"আরে জাহিদ হাসানের ছোট ভাই ও। দেখেন না, হাইট, চেহারা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ত্রিপুরার কমলপুর, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রওনক হাসান, জাহিদ হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিন দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!