📌 ভারতীয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী বলেছেন, পোশাকের কারণে নয়, অনুষ্ঠানে আলোকচিত্রীদের আচরণে তিনি অস্বস্তি বোধ করেছিলেন। তিনি সমাজের নারীদের প্রতি অস্বস্তিকর মনোভাবের সমালোচনা করেছেন
ভারতীয় দক্ষিণি সিনেমার অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী পোশাক নিয়ে সমালোচনার জবাবে বলেছেন, আসলে অনুষ্ঠানে আলোকচিত্রীদের আচরণই তাঁকে অস্বস্তি দিয়েছে। তিনি দাবি করেছেন যে, আলোকচিত্রীরা তাঁর ব্যক্তিগত সীমারেখা লঙ্ঘন করে অস্বস্তিকর কোণ থেকে ছবি তুলছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী বলেছেন, পোশাকের কারণে নয়, আলোকচিত্রীদের আচরণে তিনি অস্বস্তি বোধ করেছিলেন।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, আলোকচিত্রীরা তাঁর মুখের দিকে মনোযোগ না দিয়ে অস্বস্তিকর কোণ থেকে ছবি তুলছিলেন।
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর অস্বস্তির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই তাঁর পোশাককে দায়ী করেছেন।
- 📌 ঐশ্বরিয়া বলেছেন, ‘সংস্কৃতি কি শুধু নারীর ক্লিভেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ?’
- 📌 তিনি প্রশ্ন করেছেন, কেন নারীদের পোশাক নিয়ে তীব্র আলোচনা হয়, কিন্তু বৃদ্ধ মা-বাবাদের পরিত্যক্ত হওয়ার বিষয়টি আলোচিত হয় না?
- 📌 ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী ২০১৭ সালে মালয়ালম সিনেমা ‘নজান্ডুকালুডে নাট্টিল ওরিদাভেলা’ দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক করেন।
- 📌 তাঁর সর্বশেষ সিনেমা ‘আশা’ ১১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গত মে মাসে একটি হীরার গয়নার প্রদর্শনীতে ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী পরেছিলেন এমন পোশাক যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছিল। অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, অনুষ্ঠানের জন্য তাঁর পোশাকটি উপযুক্ত ছিল কি না। কিন্তু ঐশ্বরিয়া বলেছেন, আসলে তাঁকে অস্বস্তি দিয়েছিল আলোকচিত্রীদের আচরণ। তিনি বলেন, ‘তারা আমার মুখের দিকে মনোযোগ দিচ্ছিলেন না। আমি অস্বস্তি বোধ করেছিলাম। অস্বস্তি বোধ করলে শরীরী ভাষাতেও তার প্রভাব পড়ে। আমার মনে হয়েছিল, আমার ব্যক্তিগত সীমারেখা লঙ্ঘন করা হয়েছে।’
অনেকেই তাঁর অস্বস্তির ছবি ও ভিডিও দেখে মন্তব্য করেছেন যে, পোশাকটি যদি অস্বস্তিকরই হয়, তাহলে তিনি সেটি পরেছিলেন কেন। ঐশ্বরিয়া এই প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘সংস্কৃতি কি শুধু নারীর ক্লিভেজের মধ্যে সীমাবদ্ধ? আমরা যেভাবে আচরণ করি, সেখানেও তো সংস্কৃতি আছে।’ তিনি আরও বলেন, নারীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা বা তাঁদের অস্বস্তিতে ফেলার বিষয়ে খুব একটা আলোচনা হয় না।
প্রথমে বিষয়টি নিয়ে ট্রলকে গুরুত্ব না দিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। তিনি বলেন, ‘প্রথম ২৪ ঘণ্টা আমি বিষয়টি নিয়ে হেসেছিলাম। কিন্তু সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে পরিমাণ আলোচনা তৈরি হলো, তাতে আমি হতবাক হয়ে যাই। আমরা কেন আমাদের জিডিপি নিয়ে আলোচনা করতে পারি না? কত বৃদ্ধ মা–বাবাকে পরিত্যক্ত হতে হচ্ছে, তা নিয়ে কেন কথা বলতে পারি না? আমার ক্লিভেজ নিয়ে এত তীব্র আলোচনা কেন হতে হবে?’
এই বিষয়ে আগে বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননও সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। একটি গয়না প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে তাঁর পোশাক নিয়ে সমালোচনা হয়। পরে বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। কৃতি বলেছিলেন, একজন নারীর সংস্কৃতির প্রতি সম্মান শুধু তাঁর পোশাক দিয়ে মাপা উচিত নয়।
"তারা আমার মুখের দিকে মনোযোগ দিচ্ছিলেন না। আমি অস্বস্তি বোধ করেছিলাম। অস্বস্তি বোধ করলে শরীরী ভাষাতেও তার প্রভাব পড়ে। আমার মনে হয়েছিল, আমার ব্যক্তিগত সীমারেখা লঙ্ঘন করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা, ১১ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!