📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হলিউডের সাত তারকা কেন ছেড়ে দিয়েছিলেন অন্তরঙ্গ দৃশ্য অভিনয়: গল্প শুনুন

হলিউডের সাত তারকা কেন ছেড়ে দিয়েছিলেন অন্তরঙ্গ দৃশ্য অভিনয়: গল্প শুনুন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হলিউডের সাত জন বিখ্যাত তারকা অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের মধ্যে মারিয়া স্নাইডার, রুথ উইলসন, সামারা উইভিংসহ অন্যরা কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা জানুন।

হলিউডের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পে অন্তরঙ্গ দৃশ্য অভিনয় একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত সীমা লঙ্ঘন, চাপ দেওয়া বা চিত্রনাট্যের বাইরে কাজ করার দাবি তাদের ক্যারিয়ার ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমন অভিজ্ঞতার পর সাত জন বিখ্যাত তারকা তাদের পরবর্তী কাজে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাদের গল্প জানুন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **মারিয়া স্নাইডার** বার্নার্দো বের্তোলুচ্চির ‘লাস্ট ট্যাঙ্গে ইন প্যারিস’ ছবিতে মার্লন ব্র্যান্ডোর সঙ্গে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের পর ক্যারিয়ারে বড় ধাক্কা খান এবং মাদকাসক্তির সঙ্গে লড়াই করেন।
  • 📌 **রুথ উইলসন** ‘দ্য অ্যাফেয়ার’ সিরিজের চতুর্থ মৌসুমে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের চাপের কারণে সিরিজ ছেড়ে দেন। তিনি বলেন, সেটে নিরাপত্তাহীন মনে হয়েছিলেন।
  • 📌 **সামারা উইভিংস** ‘এসএমআইএলএফ’ সিরিজে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের জন্য মাত্র ৪০ মিনিটের নোটিশ দেওয়া হয় এবং সেটে মনিটর চালু রাখার অভিযোগ করেন।
  • 📌 **অ্যান হ্যাথাওয়ে** ‘নকড আপ’ ছবির সন্তান জন্মদানের দৃশ্যের কারণে চরিত্র থেকে সরে যান। পরে চরিত্রটি করেন ক্যাথরিন হেইগল।
  • 📌 **ইভা গ্রিন** ‘দ্য ড্রিমারস’ ছবিতে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের পর দর্শক ও সংবাদমাধ্যম তাঁর অভিনয় নয়, শুধু দৃশ্যটিই আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।
  • 📌 **কিরা নাইটলি** পুরুষ পরিচালকের ছবিতে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
  • 📌 **শোরনার ফ্র্যাঙ্কি শ** সেটে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ব্যবস্থাপনার জন্য ‘ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর’-এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

📰 বিস্তারিত

মারিয়া স্নাইডার হলিউডের বাইরে চলচ্চিত্র ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণগুলোর একজন। ‘লাস্ট ট্যাঙ্গে ইন প্যারিস’ ছবিতে তাঁর মার্লন ব্র্যান্ডোর সঙ্গে অন্তরঙ্গ দৃশ্য পরবর্তীতে তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়। স্নাইডার জানান, দৃশ্যটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ সম্পর্কে তাঁকে আগে জানানো হয়নি। বের্তোলুচ্চি স্বীকার করেন, তিনি অভিনেত্রীর কাছ থেকে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া পাওয়ার জন্য বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন। স্নাইডার ওই অভিজ্ঞতাকে গভীরভাবে অপমানজনক বলে বর্ণনা করেছিলেন। এর প্রভাব পড়ে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ারেও। দ্য ইয়ার্কারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ছবির শুটিংয়ের পর স্নাইডার মাদকাসক্তির সঙ্গে লড়াই করেন এবং পরবর্তী সময়ে তাঁর ক্যারিয়ারও বড় ধাক্কা খায়।

রুথ উইলসন ‘দ্য অ্যাফেয়ার’ সিরিজের জন্য গোল্ডেন গ্লোব জিতেছিলেন। কিন্তু চতুর্থ মৌসুমের পর তিনি হঠাৎ সিরিজ থেকে বিদায় নেন। দীর্ঘদিন কারণটি প্রকাশ্যে আসেনি। পরে দ্য হলিউড রিপোর্টারের অনুসন্ধানে অভিযোগ ওঠে, সিরিজে নগ্ন ও যৌনদৃশ্যের ধরন নিয়ে উইলসনের সঙ্গে নির্মাতাদের বিরোধ তৈরি হয়েছিল। উইলসন বলেন, সেটে কিছু পরিস্থিতি তাঁর কাছে ঠিক মনে হয়নি এবং তিনি নিজেকে নিরাপদ মনে করেননি। তবে তিনি বিস্তারিত বলতে পারেননি, কারণ তাঁর চুক্তিতে গোপনীয়তার শর্ত ছিল।

সামারা উইভিংসের ঘটনা আরও সরাসরি। ‘এসএমআইএলএফ’ সিরিজে অভিনয়ের সময় তাঁর চুক্তিতে নগ্নতার ব্যাপারে সীমাবদ্ধতা ছিল বলে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। দ্য হলিউড রিপোর্টারের প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে জানা যায়, একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের জন্য তাঁকে মাত্র ৪০ মিনিটের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। পরে আরেকটি অন্তরঙ্গ দৃশ্য ধারণের সময় ‘ক্লোজড সেট’ থাকার কথা থাকলেও বাইরে থাকা মনিটর চালু করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। উইভিং বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিজটি ছেড়ে দেন। শোরনার ফ্র্যাঙ্কি শ বিষয়টি নিয়ে নিজের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন এবং সেটে বিষয়টি আরও ভালোভাবে সামলানো যেত বলেও স্বীকার করেছিলেন। এই ঘটনা পরবর্তী সময়ে হলিউডে ‘ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর’-এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনার অন্যতম উদাহরণ হয়ে ওঠে।

অ্যান হ্যাথাওয়ের ঘটনাটি একটু ভিন্ন। ‘নকড আপ’ ছবির প্রধান নারী চরিত্রে প্রথমে তাঁকেই নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুটিং শুরুর আগে একটি দৃশ্য নিয়ে তাঁর আপত্তি তৈরি হয়। সেথ রোগান জানিয়েছেন, ছবির সন্তান জন্মদানের দৃশ্যটি হ্যাথাওয়ের সরে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল। দৃশ্যটি কতটা বাস্তবধর্মীভাবে দেখানো হবে, তা নিয়ে অভিনেত্রী অস্বস্তিতে ছিলেন। পরে চরিত্রটি করেন ক্যাথরিন হেইগল।

ইভা গ্রিনের সামনে এসেছিল লার্স ফন ট্রিয়েরের ‘অ্যান্টিক্রাইস্ট’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ। কিন্তু ‘দ্য ড্রিমারস’ ছবিতে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের পর তিনি অনুভব করেছিলেন, দর্শক ও সংবাদমাধ্যম তাঁর অভিনয়ের বদলে শুধু যৌনদৃশ্য নিয়েই আলোচনা করছে। ফলে ফন ট্রিয়েরের ছবির অত্যন্ত যৌন ও বিতর্কিত চরিত্রটি না করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরে গ্রিন বলেন, তিনি কিছু সময় এমন দৃশ্য থেকে দূরে থাকতে চেয়েছিলেন, কারণ তাঁর মনে হচ্ছিল মানুষ তাঁর অভিনয়ের অন্য দিকগুলো ভুলে গিয়ে শুধু যৌনদৃশ্য মনে রাখছে।

"এই ধরনের দৃশ্য আমার ক্যারিয়ারের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়েছে। আমি আর এই ধরনের কাজ করতে চাই না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লস অ্যাঞ্জেলেস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মারিয়া স্নাইডার, রুথ উইলসন, সামারা উইভিংস, অ্যান হ্যাথাওয়ে, ইভা গ্রিন, কিরা নাইটলি, শোরনার ফ্র্যাঙ্কি শ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ বছর (মারিয়া স্নাইডারের বয়স), ৪০ মিনিট (সামারা উইভিংসের নোটিশ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖