📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হেমনগর জমিদারবাড়ি থেকে ভাইরাল হয়ে উঠল ১৯৫১ সালের ভালোবাসার গল্পের ফটোশুট

হেমনগর জমিদারবাড়ি থেকে ভাইরাল হয়ে উঠল ১৯৫১ সালের ভালোবাসার গল্পের ফটোশুট

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইলের হেমনগর জমিদারবাড়িতে আয়োজিত একটি ফটোশুট ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। ফ্যাশন ব্র্যান্ড সাভাটা বাই রিফাহর বিয়ের পোশাকের শুটে ১৯৫১ সালের ভালোবাসার গল্পকে আধুনিক ফ্যাশনের সাথে মিশিয়ে ছবি তোলা হয়। শুটের জন্য ৪০ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেন

টাঙ্গাইলের হেমনগর জমিদারবাড়ি একটি ঐতিহাসিক স্থাপনার মতোই হয়ে উঠেছে ফটোগ্রাফির জন্য জনপ্রিয় শুটিং স্পট। এই জমিদারবাড়িতে আয়োজিত একটি ফটোশুট ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে, যেখানে ১৯৫১ সালের ঐতিহাসিক সময়কালের ভালোবাসার গল্পকে আধুনিক ফ্যাশনের সাথে মিশিয়ে ছবি তোলা হয়। ফ্যাশন ব্র্যান্ড সাভাটা বাই রিফাহর বিয়ের পোশাকের এই বিশেষ শুটে পুরোনো সময়ের পরিবেশ ও সংস্কৃতিকে আধুনিক ছোঁয়ায় তুলে ধরা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টাঙ্গাইলের হেমনগর জমিদারবাড়িতে আয়োজিত ফটোশুট ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে
  • 📌 ১৯৫১ সালের ভালোবাসার গল্পকে আধুনিক ফ্যাশনের সাথে মিশিয়ে ছবি তোলা হয়
  • 📌 শুটের জন্য ৪০ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেন, তাদের মধ্যে ৯ জন মডেল ও বাকি ৩১ জন সহকারী
  • 📌 শুটের সময় জমিদারবাড়ির ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও পরিবেশকে পুরোপুরি ব্যবহার করা হয়
  • 📌 শুটের দিন ভিড়ের কারণে প্রায় এক ঘণ্টা শুটিং বন্ধ রাখতে হয়

📰 বিস্তারিত

ফটোগ্রাফার ও আয়োজক রনি রেজাউলের পরিকল্পনা ছিল পুরোনো সময়ের আবহের সঙ্গে বর্তমান সময়ের ফ্যাশনকে একত্রিত করে একটি গল্পকে ছবিতে ফুটিয়ে তোলা। তিনি বলেন, “আমার ভাবনায় ছিল এমন একটি জায়গা যেখানে পুরোনো সময়ের আবহ ও স্থাপত্যের বৈচিত্র্য থাকবে। হেমনগর জমিদারবাড়ি দেখার পর বুঝতে পারলাম, এখানেই আমার ধারণা বাস্তবে ফুটিয়ে তোলার জন্য উপযুক্ত স্থান।”

১৯৫১ সালের সময়কালকে ধরে এই ফটোশুটে সেই সময়ের পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে তুলে ধরা হয়েছে। তবে পোশাক ও উপস্থাপনায় বর্তমান সময়ের ছোঁয়া রাখা হয়েছে। ফটোগ্রাফার রনি রেজাউল ও তার টিমের লোকেরা শুটের প্রায় পাঁচ থেকে ছয় দিন আগে জমিদারবাড়ির বিভিন্ন অংশ পরিষ্কার ও রঙের কাজ করেন। শুটের সময় ভিড়ের কারণে প্রথম দিন প্রায় এক ঘণ্টা শুটিং বন্ধ রাখতে হয়।

ফটোশুটের নির্দেশনা ও ফটোগ্রাফিতে ছিলেন রনি রেজাউল। ফটোগ্রাফি সহকারী ছিলেন মুক্তাদির মাহী, স্টাইলিংয়ে মাশরুর রহমান নিহাল, মেকআপে পারভেজ এবং ভিডিওগ্রাফিতে ছিলেন শুভদীপ্ত সরকার। নারী মডেল ছিলেন মাইসা, শীলা, তুবা, প্রিয়ন্তী, মঞ্জিতা, প্রিয়াঙ্কা, সাফা মারুয়া, ইলা ও আরোহে। পুরুষ মডেল ছিলেন রেহান, রাব্বি, ইমন, জারিফ ও আকাশ।

"সরকার এ ধরনের স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণে আরও মনোযোগী হবে। এমন ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে শুধু ছবি তোলার জায়গা হিসেবে নয়, ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।"

রনি রেজাউল বলেন, “আমরা জানুয়ারি থেকে এই কাজের পরিকল্পনা শুরু করেছি। শেষ পর্যন্ত দুই দিনে শেষ হয় ফটোশুট। বড় পরিসরের এই আয়োজনে মূল মডেলদের পাশাপাশি আরও ৪০ জন শিল্পী ছিলেন। প্রতিটি দৃশ্যে কে কোথায় থাকবেন, কোন পোশাক বা সাজসজ্জা ব্যবহার হবে, কোন অংশে কীভাবে ছবি তোলা হবে—সবকিছু আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইলের হেমনগর জমিদারবাড়ি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফটোগ্রাফার রনি রেজাউল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ জন শিল্পী (৯ জন মডেল, ৩১ জন সহকারী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖