📌 ৬৮ বছর বয়সে হানিফ সংকেতের জন্মদিনে তিনি বলেছেন, জীবনের প্রতিটি বছরই গুরুত্বপূর্ণ, জন্মদিনে মনে হয় অসমাপ্ত কাজের কথা। টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘ ৪০ বছরের সফলতা সত্ত্বেও তিনি পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করেন
৬৮ বছর বয়সে হানিফ সংকেতের জন্মদিনে তাঁর মন ভালো লাগেনা। বরং মনে পড়ে জীবনের অসমাপ্ত কাজের কথা। আজ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, তিনি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক, নির্মাতা ও লেখক হানিফ সংকেতের জন্মদিন। চার দশক ধরে টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের মূল সেতু হলো জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৩ অক্টোবর হানিফ সংকেতের ৬৮তম জন্মদিন, বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন তিনি ১৯৫৮ সালে
- 📌 জন্মদিনে তিনি বলেছেন, ‘আমার কাছে সব দিনই সমান, বরং দিনটি এলে মনে হয় জীবন থেকে একটি বছর চলে গেল’
- 📌 ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানকে দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রে রাখতে সক্ষম হানিফ সংকেত, স্বতন্ত্র উপস্থাপনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার জন্য পরিচিত
- 📌 ফজলে লোহানীকে তাঁর ‘বন্ধু ও অভিভাবক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তাঁর পেশাগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন
- 📌 ‘ইত্যাদি’র পাশাপাশি নাটক নির্মাণ ও অভিনয়েও তাঁর পরিচিতি রয়েছে, ‘আয় ফিরে তোর প্রাণের বারান্দায়’ ও ‘দুর্ঘটনা’ সহ বেশ কয়েকটি নাটক তাঁর সৃষ্টি
- 📌 জন্মদিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করেন, বড় আয়োজনের চেয়ে স্বাচ্ছন্দ্য তাঁর
📰 বিস্তারিত
হানিফ সংকেতের জন্মদিনে তাঁর ভাবনা অন্যরকম। তিনি বলেছেন, ‘আমার কাছে সব দিনই সমান, বরং দিনটি এলে আমার একটু খারাপই লাগে। মনে হয়, জীবন থেকে একটি বছর চলে গেল। অনেক কিছু করার বাকি আছে।’ জন্মদিনে বড় আয়োজনের পরিবর্তে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতেই তাঁর স্বাচ্ছন্দ্য। স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা, দর্শকের ভালোবাসা আর দোয়া—এসবই তাঁর কাছে বড় পাওয়া।
হানিফ সংকেতের টেলিভিশন জীবনের শুরু হয়েছিল ফজলে লোহানীর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘যদি কিছু মনে না করেন’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে। ফজলে লোহানীকে তিনি ‘বাংলাদেশের টিভি সাংবাদিকতার জনক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর কাছ থেকে অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, লেখালেখি, উপস্থাপনা ও দর্শকের সঙ্গে যোগাযোগের নানা দিক শিখেছেন। ফজলে লোহানী তাঁর পেশাগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
১৯৮৫ সালে ফজলে লোহানীর মৃত্যুর পর ‘ঝলক’ নামের একটি ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান দিয়ে একক উপস্থাপনা শুরু করেন হানিফ সংকেত। এরপর আসে ‘কথার কথা’ (১৯৮৭) এবং ১৯৮৯ সালের মার্চে বাংলাদেশ টেলিভিশনে যাত্রা শুরু করে ‘ইত্যাদি’। এই অনুষ্ঠানটি হাস্যরস, ব্যঙ্গ, গান, অভিনয়, তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন ও সামাজিক সচেতনতার সমন্বয়ে নিজস্ব ধারা গড়ে তুলেছে।
"আমার কাছে সব দিনই সমান, বরং দিনটি এলে আমার একটু খারাপই লাগে। মনে হয়, জীবন থেকে একটি বছর চলে গেল। অনেক কিছু করার বাকি আছে।"
হানিফ সংকেতের কাজের পরিসর বিস্তৃত—উপস্থাপক, পরিচালক, লেখক, প্রযোজক, গায়ক, সুরকার ও গীতিকার। ‘ইত্যাদি’তে প্রচারিত বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক গানের সুর করেছেন তিনি। নাটক নির্মাণ ও অভিনয়েও তাঁর পরিচিতি রয়েছে, যেমন ‘আয় ফিরে তোর প্রাণের বারান্দায়’, ‘দুর্ঘটনা’, ‘তোষামোদে খোশ আমোদে’, ‘কিংকর্তব্য’ ও ‘শেষে এসে অবশেষে’।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল (জন্মস্থান), বাংলাদেশ (পেশাজীবন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হানিফ সংকেত, ফজলে লোহানী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৮ (বয়স), ২৩ (অক্টোবর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!