📌 দুর্গাপূজার সাজে গয়নার চয়ন কীভাবে করবেন? এশিয়া জুয়েলসের প্রতিষ্ঠাতা তাসনুভা খান ও অনলাইন পেজ বৃত্তর স্বত্বাধিকারী জান্নাতুল ফেরদৌসের পরামর্শে জানুন কী ধরনের গয়না পরলে আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে পারবেন
দুর্গাপূজা শুরু হলে সাজসজ্জার মধ্যে গয়নার ভূমিকা অপরিহার্য। ঢাকার মণ্ডপগুলোতে আলোকসজ্জা, নতুন পোশাক ও চোখধাঁধানো লুক পেতে গয়নার বিকল্প নেই। এবার ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত প্রতিদিনের সাজে ভিন্নতা আনতে গয়নার নির্বাচনে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশ্রণ কীভাবে করতে হয়, তা জানতে চাইলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে জানুন কী ধরনের গয়না পরলে আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তাসনুভা খান বলেছেন, দুর্গাপূজায় নেকলেস থেকে কুন্দন সেট পর্যন্ত সব ধরনের গয়না পরা যায়। স্বর্ণ ও হীরা এড়িয়ে মুক্তা, রুপা, ব্রোঞ্জ, স্টার্লিং সিলভার ৯২৫ বা সাদা এডি স্টোনের গয়না বেছে নিতে পারেন।
- 📌 জান্নাতুল ফেরদৌস উল্লেখ করেছেন, ক্ল্যাসিক্যাল গয়না ও পুরাতন নকশার গয়না আবার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই মায়ের বা দাদি-নানির পুরোনো গয়নার নকশা অনুযায়ী কাস্টমাইজড গয়না তৈরি করছেন।
- 📌 নতুন বউদের জন্য জামদানি বা কাতান শাড়ির সঙ্গে পেয়ার শেপ সোনার নেকলেস, অষ্টমীতে মুক্তা বা রঙিন রত্নখচিত হার, নবমী-দশমীর ছোট ডায়মন্ড লকেটের চেইন — এগুলো সাজে বিশেষ আভিজাত্য যোগ করে।
- 📌 ময়ূরের পেখম বা পদ্মফুলের ডিজাইনে তৈরি নেকলেস ও দুল পূজার পরিবেশের সঙ্গে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। প্লেইন ২২ ক্যারেট সোনার চেইন ক্যাজুয়াল পোশাকে আভিজাত্য যোগ করতে পারে।
- 📌 কুর্তি বা ডেনিম সাজের জন্য অক্সিডাইজড সিলভারের গয়না, বাংলা বর্ণমালা বা নিজের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে তৈরি কাস্টমাইজড গোল্ড নেকলেস — এগুলো উৎসবের সাজে নিজস্বতা যোগ করে।
📰 বিস্তারিত
দুর্গাপূজা এমন একটি উৎসব যেখানে গয়নার বিকল্প নেই। এশিয়া জুয়েলসের প্রতিষ্ঠাতা ও ডিজাইনার তাসনুভা খান বলেছেন, এই উৎসবের সাজে হালকা থেকে ভারী—সব ধরনের গয়না পরা যায়। নেকলেস, চোকার, ঝুমকা, কানের দুল, নথ, চুড়ি, আংটি, ব্রেসলেট, টার্কিশ মালা, রতনচূড়, মুলতানি সেট, রাজওয়াড়ি সেট, পোলকি সেট, কুন্দন সেট — সবই পরার উপযোগী। তিনি আরও বলেছেন, যারা স্বর্ণ ও হীরা এড়িয়ে স্টাইলিশ, মার্জিত ও রুচিশীল গয়না পরতে চান, তাঁরা মুক্তা, রুপা, ব্রোঞ্জ, স্টার্লিং সিলভার ৯২৫, মুলতানি, সাদা এডি স্টোনের গয়না বেছে নিতে পারেন।
অন্যদিকে, অনলাইনভিত্তিক গয়নার পেজ বৃত্তর এর স্বত্বাধিকারী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেছেন, পূজায় ক্ল্যাসিক্যাল গয়না পরা যেতেই পারে। পুরোনো নকশার গয়না আবার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই মায়ের বা দাদি-নানির পুরোনো গয়নার নকশা দেখিয়ে কাস্টমাইজড গয়না তৈরি করছেন। এগুলো সাধারণ ধাতু দিয়ে তৈরি এবং সোনালি-রুপালি রং করা হলেও দেখতে খুবই মার্জিত।
নতুন বউদের জন্য জামদানি বা কাতান শাড়ির সঙ্গে হালকা ডিজাইনের পেয়ার শেপ বা প্লেইন টেক্সচার্ড সোনার নেকলেস বেছে নেওয়া যেতে পারে। অষ্টমীতে নিজেকে রাজকীয় লুকে সাজাতে মুক্তা বা রঙিন রত্নখচিত হার বেছে নেওয়া যেতে পারে। হালকা গয়নাতেই অভিজাত লুক পেতে নবমী বা দশমীর রাতে ট্র্যাডিশনাল পোশাকের সঙ্গে ছোট ডায়মন্ড লকেটের চেইন পরতে পারেন।
শাড়ির পাড় বা ডিজাইনের সঙ্গে মিলিয়ে রঙিন জেমস্টোন কানের দুল পরলে একঘেয়েমি কাটানো যায়। যারা ভারী কানের দুল পরতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন না, তাঁরা জাঁকালো ফ্লোরাল বা নবরত্ন বসানো স্টাড বা টপ ইয়ার রিং বেছে নিতে পারেন। অষ্টমীর অঞ্জলি বা আরতির সময় ট্র্যাডিশনাল এথনিক পোশাকের সঙ্গে চাঁদবালি সাজ এনে দেয় বিশেষ সৌন্দর্য।
পূজার পরিবেশের সঙ্গে নিখুঁতভাবে মিলে যায় ময়ূরের পেখম বা পদ্মফুলের ডিজাইনে তৈরি নেকলেস ও দুল। অতিরিক্ত সাজগোজ পছন্দ না হলে প্লেইন ২২ ক্যারেট সোনার চেইন একাই যেকোনো ক্যাজুয়াল বা লিনেন পোশাকে আভিজাত্য যোগ করতে পারে। মুক্তার স্নিগ্ধতা চোখের নিমেষে লুক বদলে দেয়। ডায়মন্ড ও মুক্তার মিশ্রণে তৈরি স্টাড বা হুপ ইয়ার রিং ষষ্ঠীর সকালে বেশ মানানসই হবে।
কুর্তি, ক্যানভাস স্কার্ট বা ডেনিমভিত্তিক ফিউশন সাজের জন্য অক্সিডাইজড সিলভারের গয়না সেরা পছন্দ। বাংলা বর্ণমালা বা নিজের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে তৈরি কাস্টমাইজড গোল্ড নেকলেস বা জেমস্টোন ব্রেসলেট উৎসবের সাজে নিজস্বতার বিশেষ ছোঁয়া যোগ করে।
"দুর্গাপূজা এমন একটি উৎসব যেখানে হালকা থেকে ভারী—সব ধরনের গয়নাই পরা যায়। নেকলেস, চোকার, ঝুমকা, কানের দুল, নথ, চুড়ি, আংটি, ব্রেসলেট, টার্কিশ মালা, রতনচূড়, মুলতানি সেট, রাজওয়াড়ি সেট, পোলকি সেট, কুন্দন সেট—সবই পরার উপযোগী।"
"যাঁরা স্বর্ণ ও হীরা এড়িয়ে স্টাইলিশ, মার্জিত ও রুচিশীল গয়না পরতে চান, তাঁরা মুক্তা, রুপা, ব্রোঞ্জ, স্টার্লিং সিলভার ৯২৫, মুলতানি, সাদা এডি স্টোনের গয়না বেছে নিতে পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মণ্ডপ, গয়না ডিজাইনারদের পরামর্শ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাসনুভা খান (এশিয়া জুয়েলস), জান্নাতুল ফেরদৌস (বৃত্তর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২.০ (ক্যারেট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!