📌 প্রখ্যাত লেখক মুশফিকুর রহিমের শৈশবের একটি অদ্ভুত ঘটনা প্রকাশ করেছেন। বগুড়া থেকে করতোয়া নদীতে গোসলের সময় দাদাভাই তাকে নদীর মাঝখানে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। কিন্তু সাঁতার না জানা মুশফিকুর বাঁচতে পেরেছিলেন। এই ঘটনাটি কিশোর আলোর ১৩তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত হচ্ছে
মুশফিকুর রহিমের শৈশবের একটি অদ্ভুত মজার ঘটনা প্রকাশ করেছেন প্রথম আলো। এই ঘটনাটি কিশোর আলোর ১৩তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত হচ্ছে। লেখক বলেছেন, শৈশবের সেই অদ্ভুত অভিজ্ঞতা এখনও মনে আছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুশফিকুর রহিমের শৈশবের একটি অদ্ভুত ঘটনা প্রকাশ করেছেন প্রথম আলো কিশোর আলোর ১৩তম জন্মদিন উপলক্ষে।
- 📌 বগুড়া জিলা স্কুলে পড়ার সময় নদীতে গোসলের সময় দাদাভাই তাকে নদীর মাঝখানে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন।
- 📌 মাত্র ১০-১২ বছর বয়সী মুশফিকুর সাঁতার জানতেন না, কিন্তু ভাগ্য ভালো ছিল। পানি কম থাকায় ডুবেননি।
- 📌 দাদাভাই বলেছিলেন, 'কী, আর গোসল করবি? না শখ মিটে গেছে?' মুশফিকুর তাড়াতাড়ি বলেছিলেন, 'না আর করব না।'
- 📌 কিশোর আলোর ১৩তম জন্মদিন উপলক্ষে এই গল্পটি প্রকাশিত হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
মুশফিকুর রহিমের শৈশবের একটি অদ্ভুত ঘটনা প্রকাশ করেছেন প্রথম আলো। এই ঘটনাটি কিশোর আলোর ১৩তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত হচ্ছে। লেখক বলেছেন, শৈশবের সেই অদ্ভুত অভিজ্ঞতা এখনও মনে আছে। তিনি বলেছেন, 'আমাদের বাসাটা তখন ছিল এক তলা। আমরা, বড় চাচারা সবাই একসঙ্গে থাকতাম। যৌথ পরিবার মানেই অনেক মজা।'
মুশফিকুর বগুড়া জিলা স্কুলে ক্লাস ফাইভে পড়তেন। বাসায় ছিল একটি নিয়ম, স্কুল থেকে ফেরার পর আসরের আজানের আগ পর্যন্ত বের হওয়া নিষেধ। সেই সময়ে ঘুমাতে বা পড়তে হতো। কিন্তু বাসার করিডরে ক্রিকেট খেলতেন সবাই। বড় চাচা আসার আগে মোটরসাইকেলের শব্দ শুনেই সবাই ঘুমের ভান করতেন। কিন্তু মুশফিকুরের সুড়সুড়ি ছিল বেশি। তিনি চাচার সুড়সুড়ি শুনেই লাফ দিয়ে উঠতেন।
কিন্তু শৈশবের সবচেয়ে অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছিল নদীতে। মুশফিকুর আর তার ভাই দাদার সঙ্গে করতোয়া নদীতে গোসল করতে গিয়েছিলেন। দাদাভাই বলেছিলেন, 'এবার বাড়ি চল। আর থাকার দরকার নেই।' কিন্তু মুশফিকুর আর তার ভাই উঠতে চাইছিলেন না। হঠাৎ দাদাভাই তাকে নদীর মাঝখানে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। মুশফিকুর ভাবেছিলেন, আজ ডুবেই যাব। কিন্তু ভাগ্য ভালো ছিল। পানি খেতে খেতে তিনি উঠতে পেরেছিলেন।
"আমাকে নদীতে ছুড়ে ফেলা হলো। আমি তখন মাত্র ফোর-ফাইভে পড়ি। ভাবলাম, আজ বোধহয় ডুবেই যাব। ভাগ্য ভালো নদীর ওই দিকটায় পানি কম ছিল, ডুবিনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া, করতোয়া নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুশফিকুর রহিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ (কিশোর আলোর জন্মদিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!