📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বলিউডের প্রেমের গল্প: সালমানের স্বতঃস্ফূর্ত স্পর্শে রেগে গেলেন পরিচালক বানসালি

বলিউডের প্রেমের গল্প: সালমানের স্বতঃস্ফূর্ত স্পর্শে রেগে গেলেন পরিচালক বানসালি

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯৯৯ সালের 'হাম দিল দে চুকে সনম'-এ সালমান খান ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের হাত স্পর্শ করলে পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি তাকে ধমক দেন। অভিনেত্রী স্মিতা জয়করের সাক্ষাৎকারে জানা যায়, প্রেমে পড়া সালমানের স্বতঃস্ফূর্ত আচরণ শুটিংয়ে দেরি ও হাসির কারণ হয়ে দাঁড়ায়

বলিউডের একটি বিখ্যাত প্রেমের গল্পের পটভূমিতে ১৯৯৯ সালের চলচ্চিত্র 'হাম দিল দে চুকে সনম'-এর শুটিংয়ে একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের প্রেমের সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে অভিনেত্রী স্মিতা জয়কর। তার দাবি, সালমান ঐশ্বরিয়ার হাত স্পর্শ করলে পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালি তাকে ধমক দেন। এই ঘটনা শুটিং ইউনিটের জন্য হাসির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং প্রেমের কারণে নির্ধারিত সময়ের বাইরে কাজ চলতো।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 'হাম দিল দে চুকে সনম'-এর শুটিংয়ে সালমান খান ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের হাত স্পর্শ করলে পরিচালক বানসালি তাকে প্রশ্ন করেন: "তুমি ওর গায়ে হাত দিলে কেন?"
  • 📌 স্মিতা জয়কর বলেন, সালমান প্রেমে পড়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঐশ্বরিয়ার হাত স্পর্শ করেন, কিন্তু দৃশ্যের পরিকল্পনা অনুযায়ী তা করা ছিল না
  • 📌 শুটিংয়ে প্রেমের কারণে সালমান ও ঐশ্বরিয়া প্রায়ই নির্ধারিত সময়ের পরে আসতেন — সকাল ৭টার শিফটে সকাল ১১টার দিকে পৌঁছাতেন
  • 📌 স্মিতা বলেন, বাস্তব জীবনের প্রেম তাদের পর্দার রসায়নকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছিল
  • 📌 ঐশ্বরিয়ার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন স্মিতা, কিন্তু সালমান ও ঐশ্বরিয়ার প্রেমের সম্পর্ক শুটিং ইউনিটের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল

📰 বিস্তারিত

১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'হাম দিল দে চুকে সনম' চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের প্রেমের সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন অভিনেত্রী স্মিতা জয়কর। তিনি জানান, শুটিংয়ের সময় সালমান ও ঐশ্বরিয়ার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠছিল। তাদের চোখেমুখে সেই ভালোবাসার ছাপ স্পষ্ট ছিল। স্মিতা বলেন, "তাদের প্রেম জমে উঠছিল। দুজনই প্রেমে পড়েছিলেন, তাদের দেখতে অপূর্ব লাগত। তাদের সেই রসায়ন পর্দায়ও ফুটে উঠেছিল।"

আঁখো কি গুস্তাখিয়া গানের শুটিংয়ের একটি দৃশ্যের কথা স্মরণ করেন স্মিতা। দৃশ্য অনুযায়ী, ঐশ্বরিয়া দাঁড়িয়ে থাকবেন আর সালমান একটি টেবিল ঘুরে হেঁটে যাবেন। কিন্তু শুটিংয়ের সময় সালমান ঐশ্বরিয়ার হাতে স্পর্শ করেন, যা দৃশ্যের পরিকল্পনায় ছিল না। স্মিতা বলেন, "বিষয়টি নজরে আসতেই সালমানকে প্রশ্ন করেন বানসালি। তিনি বলেন, সালমানের টেবিলের চারপাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার কথা ছিল। ঐশ্বরিয়া সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সালমান তার হাতে স্পর্শ করে, অথচ এমনটা করার কথা ছিল না।"

স্মিতা বলেন, সালমান ঐশ্বরিয়ার প্রতি ভালোবাসা থেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার হাত ছুঁয়েছিলেন। কিন্তু পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই দৃশ্যে শুধু ঐশ্বরিয়ার দিকে তাকিয়ে থাকার কথা ছিল তার। স্মিতা বলেন, "সে শুধু ঐশ্বরিয়াকে ছুঁতে চেয়েছিল। সে প্রেমে পড়েছিল, তাই স্পর্শ করেছিল। কিন্তু দৃশ্যটি এভাবে করার কথা ছিল না।"

স্মিতা জানান, সালমানের এমন আচরণে ঐশ্বরিয়া লজ্জা পেয়েছিলেন। দুজনের মধ্যকার ভালোবাসা তখন শুটিং ইউনিটের কাছেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। সালমান ও ঐশ্বরিয়ার প্রেমের কারণে শুটিংয়ে দেরি হওয়ার ঘটনাও স্মরণ করেন স্মিতা। তিনি বলেন, "অনেক সময় নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও দুজন সেটে পৌঁছাতেন না। এতে অপেক্ষা করতে হতো অন্য কলাকুশলীদের। সকাল ৭টার শিফটে এসে সকাল ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেন তারা, অথচ দুজনের দেখা নেই। কিন্তু আমার মনে হতো, কেউ প্রেমে পড়লে তাকে আর কী-ই বা বলা যায়!"

"কোনো কোনো দিন সালমান ও ঐশ্বরিয়া একসঙ্গে সকাল ১১টার দিকে সেটে পৌঁছাতেন। আশপাশের পরিস্থিতি কিংবা তাদের জন্য পুরো ইউনিটকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে, সেদিকে তাদের খেয়াল থাকত না।"

স্মিতা বলেন, বাস্তব জীবনের প্রেম তাদের পর্দার রসায়নকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছিল। তিনি জানান, "সেখানেই তাদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এটি ছবিটিকে অনেক সাহায্য করেছে। দুজনের চোখেমুখে প্রেমের ছাপ ছিল। সেটি ছবির জন্য খুব ভালো কাজ করেছিল।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: 'হাম দিল দে চুকে সনম' চলচ্চিত্রের শুটিং সেট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালমান খান, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, স্মিতা জয়কর, সঞ্জয় লীলা বানসালি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭টা, ১০টা, ১১টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖