📌 বলিউড ও থিয়েটারের বিখ্যাত অভিনেতা নানা পাটেকর ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র পুরস্কার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ তিনটি এবং ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান লাভ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অভিনেতা আক্ষয় কুমার তার অভিনয়শৈলীকে প্রশংসা করেছেন
বলিউড ও মারাঠি চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম মহান অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নানা পাটেকর ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর কার্ডিয়াক আর্স্টের কারণে মৃত্যুবরণ করেন, যা ভারতের পেশাদার সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই) একটি হাসপাতালের ডাক্তারের তথ্য থেকে জানিয়েছে। পাটেকর ১৯৫১ সালে ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তার কর্মজীবন প্রায় পাঁচ দশক ধরে চলেছিল। তিনি হিন্দি ও মারাঠি ভাষার চলচ্চিত্রে তার তীব্র অভিনয় ও অস্বাভাবিক চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন বলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা নানা পাটেকর, কার্ডিয়াক আর্স্টের কারণে
- 📌 ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র পুরস্কার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ তিনটি এবং ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান লাভ করেছেন তিনি
- 📌 প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার অভিনয়শৈলীকে ‘অনন্য উপস্থিতি, ব্যক্তিত্ব ও তীব্রতা’ বলে প্রশংসা করেছেন
- 📌 অভিনেতা আক্ষয় কুমার বলেছেন, ‘তিনি এমন এক অভিনেতা ছিলেন যিনি খুব কমই কিছু করার প্রয়োজন হতো, কিন্তু তার আওয়াজ, তীব্রতা ও প্রতিটি অভিনয়ের সত্যতা দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতো’
- 📌 পাটেকর তার জীবনের শেষদিকে ‘সালাম বম্বে!’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, যা মিরা নাইরের পরিচালনায় ওস্কার মনোনীত হয়েছিল
- 📌 তিনি তার কর্মজীবনে ‘গামান’, ‘পারিন্দা’ ও ‘ক্রান্তিবীর’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা অর্জন করেছিলেন
- 📌 পাটেকর তার জীবনের শেষদিকে অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন ও শাহরুখ খানের সাথে কাজ করেছেন
- 📌 তিনি তার পরিবারের সাথে বসবাস করতেন, যার মধ্যে তার স্ত্রী ও এক পুত্র ছিল
📰 বিস্তারিত
নানা পাটেকর তার কর্মজীবনে বলিউডের বিভিন্ন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘গামান’ (১৯৭৮), ‘পারিন্দা’ ও ‘ক্রান্তিবীর’। তিনি তার অভিনয়ের জন্য তিনটি ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ এবং ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘পদ্মশ্রী’ লাভ করেছিলেন। পাটেকর তার অভিনয়ের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন, কারণ তিনি প্রায়শই জটিল বা অস্বাভাবিক চরিত্রে অভিনয় করতেন। তার অভিনয়শৈলী দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার মৃত্যুর পর একটি টুইটে বলেছেন, “তিনি প্রতিটি চরিত্রে অসাধারণ বৈচিত্র্য ও কreativity নিয়ে আসতেন এবং আমাদের এমন চরিত্র দিয়েছিলেন যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য স্মরণীয় হবে। তার ‘অনন্য উপস্থিতি, ব্যক্তিত্ব ও তীব্রতা’ তার অভিনয়কে অনন্য করে তুলেছিল।”
অভিনেতা আক্ষয় কুমার, যিনি পাটেকরের সাথে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, বলেছেন, “তিনি এমন এক অভিনেতা ছিলেন যিনি খুব কমই কিছু করার প্রয়োজন হতো, কিন্তু তার আওয়াজ, তীব্রতা ও প্রতিটি অভিনয়ের সত্যতা দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতো। তিনি নিজেই ছিলেন।”
পাটেকর তার কর্মজীবনে ‘সালাম বম্বে!’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন, যা মিরা নাইরের পরিচালনায় ওস্কার মনোনীত হয়েছিল। এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেয়েছিলেন।
"তিনি প্রতিটি চরিত্রে অসাধারণ বৈচিত্র্য ও কreativity নিয়ে আসতেন এবং আমাদের এমন চরিত্র দিয়েছিলেন যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য স্মরণীয় হবে। তার ‘অনন্য উপস্থিতি, ব্যক্তিত্ব ও তীব্রতা’ তার অভিনয়কে অনন্য করে তুলেছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুম্বাই (ভারত), মহারাষ্ট্র রাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নানা পাটেকর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অভিনেতা আক্ষয় কুমার, মিরা নাইর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫ বছর (বয়স), ৩টি (জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার), ১৯৫১ (জন্ম বছর), ৩০ বছর (সালাম বম্বে! চলচ্চিত্রের থিয়েটারে চলমান সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!