📌 অংকন কুমার ‘মথুরা’ গানে আবার আলোচিত হয়ে উঠেছেন। তিনি শৈশব থেকে বাংলা গানের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন এবং তারই প্রেরণা নিয়ে গান বানান। তার গানের মধ্যে রয়েছে রবীন্দ্র, নজরুল, অতুলপ্রসাদসহ পুরাতন বাংলা গানের অনুভূতি
‘মথুরা’ গানে আবার আলোচিত হয়ে উঠেছেন অংকন কুমার। এই তরুণ সংগীতশিল্পী ‘বড়াই করে’ ও ‘লং ডিসট্যান্স লাভ’ গানে পরিচিতি পেয়েছেন। কিন্তু ‘মথুরা’ গানটি তার শৈশবের গানের ধারা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখা ও সুর করা। গানটিতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন নন্দিতা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অংকন কুমার ‘মথুরা’ গানে আবার আলোচিত হয়ে উঠেছেন, যা ছয় বছর আগে তিনি লেখা ও সুর করেছেন
- 📌 তার শৈশব থেকে বাংলা গানের প্রতি আকর্ষণ ছিল, বিশেষত রবীন্দ্র, নজরুল, অতুলপ্রসাদ, রজনীকান্ত, কবীর ও লালনের গান
- 📌 ‘৮০-৯০-এর দশকের গান’ পছন্দ করে শুনতেন, পরে শাস্ত্রীয় সংগীত শিখেছেন
- 📌 গান বানানোর পেশা হিসেবে দেখেন না, বরং এটি তার ভালোবাসার জায়গা
- 📌 হাবিব ওয়াহিদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন
- 📌 পরিকল্পনা আছে দুই-তিনটি ইপি প্রকাশের, যার মধ্যে একটি পুরোপুরি আরএন্ডবি ঘরানার হবে
📰 বিস্তারিত
অংকন কুমার ‘মথুরা’ গানে আবার আলোচিত হয়ে উঠেছেন। এই গানটি ছয় বছর আগে তিনি লেখা ও সুর করেছেন। গানটিতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন নন্দিতা। অংকন বলেছেন, তার শৈশব থেকে বাংলা গানের প্রতি আকর্ষণ ছিল। তার বাড়িতে মা-বাবা পছন্দ করতেন রবীন্দ্র, নজরুল, অতুলপ্রসাদ, রজনীকান্ত, কবীর ও লালনের গান। সেসব গান শুনতে শুনতেই তার সংগীত রুচি তৈরি হয়েছে।
অংকন বলেন, ‘৮০-৯০-এর দশকের গান’ অনেক পছন্দ করতেন। সেসব গান শুনতে শুনতেই তার সংগীতের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরে তিনি শাস্ত্রীয় সংগীত শেখেছেন। কিন্তু নজরুলের গানের প্রতি তার আকর্ষণ ছিল অন্যরকম। তিনি বলেন, ‘বড় হয়ে নিজের জন্য গান লিখলে সেমি-ক্ল্যাসিক্যাল ধরনের একটা গান বানাবো’ বলে ভাবতেন।
অংকন গান বানানোর পেশা হিসেবে দেখেন না। তার কাছে গান ভালোবাসার জায়গা। তিনি বলেন, ‘প্রফেশন হিসেবে দেখলে, আমার কাজটা প্রজেক্টভিত্তিক। প্রজেক্ট থাকলে আমি আছি, আর বাকি সময়টায় আমি আসলে নাই। ছবি আঁকি, ফুটবল খেলি, সুন্দর জায়গায় যেতে পছন্দ করি। ভালো বাংলা খাবার খেতেও বেশ পছন্দ করি।’ তার ভাষায়, ‘বেসিক্যালি আমি গান বানাই। গান আমার অনেক পছন্দের জিনিস। তাই আমি গান করি।’
‘উপ’, ‘বড়াই করে’ থেকে ‘লং ডিসট্যান্স লাভ’—এই গানগুলো শ্রোতাদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। তিনি বলেন, ‘আমি জিনিসগুলো এভাবেই বানাই, যাতে গানের আলাদা অনুভূতিগুলোর প্রতি সবচেয়ে বেশি সৎ থাকতে পারি। বেশির ভাগ গানেই আমি এটাই চেষ্টা করি।’
অংকন হাবিব ওয়াহিদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘হাবিব ভাই প্রডিউসার, মিউজিশিয়ান—সবকিছু একসঙ্গে। আমার যে ভার্সটা, সেটার টিউন থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক—সবকিছুই হাবিব ভাইয়ের করা।’
সামনে দুই-তিনটি ইপি কোক স্টুডিও বাংলার কাজ শেষ হলেও নতুন গান নিয়ে ব্যস্ত অংকন। তিনি বলেন, ‘ট্রায়াল রেকর্ডের পরে আমরা মেইন রেকর্ডিংয়ে যাব। তারপরে আমরা রিলিজ দিব।’ পরিকল্পনায় আছে দুই-তিনটি ইপি। একটিতে থাকবে পপ ও আরএন্ডবি ঘরানার গান। আরেকটি পুরোপুরি আরএন্ডবি। নিজের জন্য আলাদা একটি ইপিও তৈরি করছেন অংকন। সেখানে ফিরবেন পুরোনো দিনের বাংলা গানের আবহে। নিজের লেখা আরও কয়েকটি গানও রাখার পরিকল্পনা তাঁর রয়েছে।
"আমি জিনিসগুলো এভাবেই বানাই, যাতে গানের আলাদা অনুভূতিগুলোর প্রতি সবচেয়ে বেশি সৎ থাকতে পারি। বেশির ভাগ গানেই আমি এটাই চেষ্টা করি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (অংকন কুমারের বাড়ি ও কাজের স্থান)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অংকন কুমার, নন্দিতা, হাবিব ওয়াহিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০-৯০-এর দশক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!