📌 অন্তর্জাতিক প্রযোজনা ‘ভায়োলেন্স’ থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছেন অভিনেত্রী অধরা খান। তিনি পরিচালকের অপেশাদার আচরণ ও যোগাযোগের অভাবকে দায়ী করেছেন এবং বলেছেন, এই সিদ্ধান্তটি তাঁর ক্যারিয়ারের বড় ভুল হিসেবে মনে হচ্ছে
অন্তর্জাতিক প্রযোজনা ‘ভায়োলেন্স’ থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে অধরা খান পেশাদারিত্বের অভাব ও যোগাযোগের অভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন। টরেন্টো থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি জানান, পরিচালকের অপেশাদার আচরণ এবং যথাযথ যোগাযোগের অভাবের কারণে তিনি এই সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **অধরা খান** ‘ভায়োলেন্স’ সিনেমা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন, কারণ পরিচালকের অপেশাদার আচরণ ও যোগাযোগের অভাবের কারণে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছেন।
- 📌 **হলিউডসহ আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ হারান** অধরা ‘ভায়োলেন্স’-এর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে বহু গুরুত্বপূর্ণ কাজের সুযোগ হারান, কিন্তু চুক্তির গোপনীয়তার কারণে বিস্তারিত প্রকাশ করতে পারেননি।
- 📌 **ক্যারিয়ারের বড় ভুল** বলেছেন অধরা, তিনি বাংলা সিনেমার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এই প্রকল্পে যুক্ত হন, কিন্তু প্রকল্পটিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য বড় শিক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 **অনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় প্রকাশ্যে আসেন** অধরা বলেন, তিনি এতদিন নীরব ছিলেন, কারণ তাঁর বক্তব্য সিনেমার শুটিং ও সহশিল্পীদের কাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
- 📌 **পেশাদারিত্ব ও সম্মানের অভাব** অধরা মনে করেন, পারস্পরিক সম্মান ও পেশাদারিত্ব কখনো একতরফা হওয়া উচিত নয়। একজন শিল্পী হিসেবে তাঁর সময়, শ্রম ও আত্মসম্মানের মূল্য দেওয়া তাঁর দায়িত্ব।
📰 বিস্তারিত
অধরা খান টরেন্টো থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ বক্তব্যে জানান, তিনি ‘ভায়োলেন্স’ সিনেমা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় তিনি বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছেন। অধরা বলেন, পরিচালকের অপেশাদার আচরণ এবং যথাযথ যোগাযোগের অভাবের কারণে তিনি সিনেমাটি নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পক্ষকে জানানো হলেও সেখান থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি বলে দাবি করেন তিনি।
অধরা জানান, এতদিন তিনি নীরব ছিলেন, কারণ তাঁর বক্তব্যের কারণে সিনেমাটির চলমান শুটিং কিংবা এর সঙ্গে যুক্ত সহশিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক, তা তিনি চাননি। তবে এই নীরবতার মূল্যও তাঁকে দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভায়োলেন্স’-এর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে হলিউডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ গ্রহণ করতে পারেননি। চুক্তিগত গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা থাকায় সেসব কাজের বিস্তারিত প্রকাশ করাও সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন অধরা।
অধরা খান বলেন, সিনেমাটিকে কেন্দ্র করে অন্যান্য কাজের সময়সূচি ও পেশাগত প্রতিশ্রুতি ঠিকভাবে বজায় রাখতে না পারায় তাঁর কাস্টিং ডিরেক্টর ও এজেন্সির কাছ থেকেও সতর্কবার্তা পেতে হয়েছে। তিনি মনে করেন, পারস্পরিক সম্মান ও পেশাদারিত্ব কখনো একতরফা হওয়া উচিত নয়। একজন শিল্পী হিসেবে তাঁর সময়, শ্রম ও আত্মসম্মানের মূল্য দেওয়াও তাঁর দায়িত্ব।
অধরা খান বলেন, তিনি নিজের ক্যারিয়ারের বড় ভুল মনে করছেন। তিনি বাংলা সিনেমার প্রতি ভালোবাসা থেকেই ‘ভায়োলেন্স’-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু প্রকল্পটিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য বড় শিক্ষা হয়ে থাকবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, যথাযথ পেশাদারিত্ব, যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্মানের বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে বিবেচনা না করে এই প্রকল্পে যুক্ত হওয়াকে তিনি নিজের ক্যারিয়ারের বড় একটি ভুল হিসেবে দেখছেন।
"আমি পারস্পরিক সম্মান ও পেশাদারিত্ব কখনো একতরফা হওয়া উচিত নয় মনে করি। একজন শিল্পী হিসেবে আমার সময়, শ্রম ও আত্মসম্মানের মূল্য দেওয়া আমার দায়িত্ব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টরেন্টো (কানাডা), ঢাকা (বাংলাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিনেত্রী অধরা খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৮ (অভিষেক), ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ (মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!