📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৯৭৬ সালের মহালয়ার ভোরে উত্তমকুমারের কণ্ঠে শ্রোতাদের ক্ষোভ: বীরেন্দ্রকৃষ্ণের জায়গায় নতুন অনুষ্ঠান প্রচারের ইতিহাস

১৯৭৬ সালের মহালয়ার ভোরে উত্তমকুমারের কণ্ঠে শ্রোতাদের ক্ষোভ: বীরেন্দ্রকৃষ্ণের জায়গায় নতুন অনুষ্ঠান প্রচারের ইতিহাস

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ১৯৭৬ সালের মহালয়ার ভোরে আকাশবাণী শ্রোতাদের প্রিয় 'মহিষাসুরমর্দিনী' অনুষ্ঠান পরিবর্তন করে 'দেবীং দুর্গতিহারিণীম্' প্রচার করে উত্তমকুমারের কণ্ঠে। এই পরিবর্তন শ্রোতাদের ক্ষোভের সৃষ্টি করে, যার ইতিহাস সৌমিক সেনের চলচ্চিত্র 'মহালয়া' তে চিত্রায়িত হয়েছে

১৯৭৬ সালের মহালয়ার ভোরে আকাশবাণীতে প্রচারিত নতুন অনুষ্ঠান 'দেবীং দুর্গতিহারিণীম্' শ্রোতাদের প্রিয় 'মহিষাসুরমর্দিনী' অনুষ্ঠান পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে তাদের ক্ষোভের সৃষ্টি করে। এই পরিবর্তন বাঙালি পরিবারগুলোর শারদীয় স্মৃতির সাথে জড়িয়ে ছিল। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠ থেকে উত্তমকুমারের কণ্ঠে পরিবর্তন আসার পর শ্রোতারা আপত্তি জানাতে শুরু করে। এই ঘটনাকে চলচ্চিত্রে আকার দেওয়া হয়েছে সৌমিক সেনের 'মহালয়া' ছবিতে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৩২ সালে বাণীকুমার (বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য) রচিত 'বসন্তেশ্বরী' ও 'মহিষাসুরমর্দিনী' অনুষ্ঠান শুরু হয়, যেখানে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুর বধের গল্প প্রচারিত হতো।
  • 📌 ১৯৭৬ সালের মহালয়ার ভোরে (২৩ সেপ্টেম্বর) আকাশবাণী 'মহিষাসুরমর্দিনী' পরিবর্তন করে 'দেবীং দুর্গতিহারিণীম্' প্রচার করে, যেখানে উত্তমকুমার, লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোসলে ও মান্না দের কণ্ঠে গান ছিল।
  • 📌 শ্রোতারা নতুন অনুষ্ঠান মেনে নিতে অস্বীকার করে, আকাশবাণী ভবনে সমবেত হয় এবং ফটকের প্রহরীদের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কষ্ট পেতে হয়।
  • 📌 বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র উত্তমকুমারকে উৎসাহ দিয়েছিলেন, কিন্তু শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া দেখে পরবর্তী বছর আবার 'মহিষাসুরমর্দিনী' প্রচার করা হয়।
  • 📌 এই ঘটনাকে চলচ্চিত্রে তুলে ধরেছেন সৌমিক সেন, যার মাধ্যমে বাঙালির শারদীয় স্মৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জাগ্রত হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

১৯৩০ সালে ভারতীয় বেতার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর, ১৯৩২ সালে বাণীকুমার (বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য) রচিত 'বসন্তেশ্বরী' ও 'মহিষাসুরমর্দিনী' অনুষ্ঠানগুলি প্রচারিত হয়। এই অনুষ্ঠানগুলিতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুর বধের গল্প প্রচারিত হতো, যা পরবর্তীতে শ্রোতাদের প্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯৩৭ সালে এই অনুষ্ঠানটির নামকরণ করা হয় 'মহিষাসুরমর্দিনী'।

১৯৭৬ সালের মহালয়ার ভোরে (২৩ সেপ্টেম্বর) আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ 'মহিষাসুরমর্দিনী' পরিবর্তন করে 'দেবীং দুর্গতিহারিণীম্' প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই নতুন অনুষ্ঠানে উত্তমকুমার, লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোসলে, মান্না দে, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় ও দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে গান ছিল। সংগীত পরিচালনা করেছিলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, গোবিন্দগোপাল মুখোপাধ্যায় ও মাধুরী মুখোপাধ্যায়।

শ্রোতারা নতুন অনুষ্ঠান মেনে নিতে অস্বীকার করে। আকাশবাণী ভবনে সমবেত হয়ে তারা আপত্তি জানাতে শুরু করে। অনুষ্ঠান চলাকালীন টেলিফোনে তীব্র ক্ষোভ জানাতে শুরু করেন শ্রোতারা। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগেই আকাশবাণী ভবনের সামনে বিশাল জনতা সমবেত হয়। ফটকের প্রহরীদের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কষ্ট পেতে হয়। শেষ পর্যন্ত, শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া দেখে, আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ ষষ্ঠীর দিন আবার 'মহিষাসুরমর্দিনী' প্রচার করে।

"আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোকমঞ্জীর..." এই উচ্চারণ শ্রোতাদের প্রিয় ছিল। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে এই উচ্চারণ শ্রোতাদের মন ভরতো। কিন্তু নতুন অনুষ্ঠানে উত্তমকুমারের কণ্ঠে এই উচ্চারণ শোনা গেলে শ্রোতাদের মন ভরল না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাণীকুমার (বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য), বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র, উত্তমকুমার, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোসলে, মান্না দে, সৌমিক সেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৩২ (প্রথম অনুষ্ঠান), ১৯৭৬ (পরিবর্তন), ২৩ সেপ্টেম্বর (মহালয়ার ভোর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖