📌 যশোরের শার্শা উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় নিজ মেয়ের উত্তরপত্র জালিয়াতির অভিযোগে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ও কর্মচারী ফাতেমা খাতুনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ধারা ৮, ৯, ১২ ও ১৩ ভঙ্গের মামলা দায়ের করেছে
যশোরের শার্শা উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় নিজ মেয়ের উত্তরপত্র জালিয়াতির অভিযোগে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকালে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোর শার্শায় বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ও কর্মচারী ফাতেমা খাতুনকে জালিয়াতির অভিযোগে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
- 📌 অভিযোগ: ২৮ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুনের উত্তরপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে সংশোধন করা হয়
- 📌 অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ধারা ৮, ৯, ১২ ও ১৩ ভঙ্গের মামলা দায়ের করা হয়েছে
- 📌 শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ ও একাডেমিক সুপারভাইজার একেএম নুরুজ্জামান তদন্ত পরিচালনা করেন
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে একজন হলেন ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী অহনা খাতুনের মা
📰 বিস্তারিত
শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুনকে অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার সকালে শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতেই মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শাহানারা খাতুন গোপনে তার মেয়ের উত্তরপত্র সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় উত্তরপত্রের ভুলগুলো সংশোধন করে পুনরায় তা জমা দেওয়া হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার একেএম নুরুজ্জামান জানান, প্রাথমিক তদন্তে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তিনি বলেন, “তদন্তে অনৈতিক সহযোগিতার সত্যতা পাওয়ায় আমি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছি।” শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। সে শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া স্কুলের ৩০১ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিয়েছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এবং একাডেমিক সুপারভাইজার একেএম নুরুজ্জামান সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর শনিবার সকালে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
"শুক্রবার রাতেই ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৮, ৯, ১২ ও ১৩ ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শার্শা উপজেলা, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহানারা খাতুন (প্রধান শিক্ষক), ফাতেমা খাতুন (কর্মচারী), অহনা খাতুন (ছাত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০১ (কক্ষ নম্বর), ২৮ (এপ্রিল), ৪ (ধারা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!