📌 যশোরের মনিরামপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক দিবস উদযাপনে অনুমতি ছাড়াই সহকারী শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে কেক কাটান। এ সময় পার্টি স্প্রে ছিটানোর ফলে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নুসরাত জাহানের চোখে স্প্রে লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ইত্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক দিবস উদযাপনের সময় অনুমতি ছাড়াই সহকারী শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে কেক কাটান। এ সময় পার্টি স্প্রে ছিটানোর ফলে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহানের চোখে স্প্রে লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ অক্টোবর যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ইত্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক দিবস উদযাপনে অনুমতি ছাড়াই সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ হাজার ১৭৫ টাকা সংগ্রহ করেন এবং কেক কাটান।
- 📌 পার্টি স্প্রে ছিটানোর সময় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহানের চোখে স্প্রে লাগে এবং তিনি গুরুতর অসুস্থ হন।
- 📌 বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাম্মী আক্তার বলেন, শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছিল না। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক অনুমতি ছাড়াই স্বাধীনভাবে আয়োজন করেন।
- 📌 অভিযুক্ত শিক্ষক সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, শিক্ষার্থীরা নিজেরাই টাকা দিয়েছিলেন এবং স্প্রে ছিটানোর দায় শিক্ষার্থীদের।
- 📌 সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নূর-এ-এলাহী অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন এবং সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলেছেন।
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীর বাবা হযরত আলী জানান, মেয়ের চোখের চিকিৎসা চলছে এবং বর্তমানে অবস্থা ভালো দিকে যাচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ইত্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক দিবস উদযাপনের সময় অনুমতি ছাড়াই সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে কেক কাটান। এ সময় পার্টি স্প্রে ছিটানোর ফলে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহানের চোখে স্প্রে লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনাটি ঘটে গত ৫ অক্টোবর।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাম্মী আক্তার জানান, শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছিল না। তবে সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম অনুমতি ছাড়াই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ হাজার ১৭৫ টাকা সংগ্রহ করেন এবং আলাদাভাবে কেক কাটান। এ সময় পার্টি স্প্রে ছিটানোর ফলে নুসরাত জাহানের চোখে স্প্রে লাগে। প্রধান শিক্ষক বলেন, শিক্ষার্থীর অভিভাবক বিষয়টি জানান এবং শিক্ষার্থীর অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকলে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষক সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, শিক্ষার্থীরা নিজেরাই টাকা দিয়েছিলেন এবং স্প্রে ছিটানোর দায় শিক্ষার্থীদের। তিনি বলেন, ‘আমি পাঁচটি কেক এনে টিফিনের সময়ে ওদের নিয়ে কেক কাটে শিক্ষক দিবস পালন করেছি।’ পার্টি স্প্রে সম্পর্কে তিনি বলেন, স্প্রেটি শিক্ষার্থীদের কেউ কিনেছিল এবং তা নুসরাতের চোখে ঢোকে।
ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীর বাবা হযরত আলী জানান, তাঁর মেয়ের চোখের চিকিৎসা চলছে এবং বর্তমানে অবস্থা ভালো দিকে যাচ্ছে। সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নূর-এ-এলাহী বলেন, ‘বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাকে ফোনে ঘটনাটি জানিয়েছেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে তলব করা হলে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, জবাব পাওয়ার পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানানো হবে, যাতে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
"আমি পাঁচটি কেক এনে টিফিনের সময়ে ওদের নিয়ে কেক কাটে শিক্ষক দিবস পালন করেছি। স্প্রেটি শিক্ষার্থীদের কেউ কিনেছিল এবং তা নুসরাতের চোখে ঢোকে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মনিরামপুর উপজেলা, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক শাম্মী আক্তার, শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নূর-এ-এলাহী, শিক্ষার্থীর বাবা হযরত আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর, ৩ হাজার ১৭৫ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!