📌 ঠাকুরগাঁওয়ের লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘরে মালদ্বীপ, কাতার, তুরস্কসহ ১০ দেশের ঐতিহ্যবাহী পুতুল ও গ্রামবাংলার লোকজ খেলনার প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের বাইরে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারছেন
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় বিশ্বের ১০টি দেশের ঐতিহ্যবাহী পুতুল ও গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া লোকজ খেলনার এক অনন্য প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। মালদ্বীপ, কাতার, তুরস্কসহ ১০টি দেশের পুতুলের পোশাক ও টুপি থেকে ফুটে উঠেছে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, অন্যদিকে কাঠের খেলনা গাড়ি, লাটিম ও মার্বেলের মাধ্যমে ফিরে এসেছে গ্রামবাংলার শৈশবের স্মৃতি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঠাকুরগাঁওয়ের ‘লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘরে’ মালদ্বীপ, কাতার, তুরস্কসহ ১০টি দেশের ঐতিহ্যবাহী পুতুল প্রদর্শিত হচ্ছে
- 📌 পুতুলগুলোর পোশাক ও নকশায় প্রতিটি দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয় ফুটে উঠেছে
- 📌 গ্রামবাংলার হারানো সামাজিকতা ও শৈশবের খেলনার প্রতিকৃতি প্রদর্শিত হচ্ছে
- 📌 শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের বাইরে আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারছেন
- 📌 জাদুঘরের এমআইএস কাম অ্যাকাউন্ট্যান্ট জীবন চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘এগুলো স্ব স্ব দেশের শিল্প ও ঐতিহ্যের প্রতীক’
📰 বিস্তারিত
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পূর্ব আকচায় অবস্থিত ‘লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘরে’ বেসরকারি সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) উদ্যোগে একটি ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। এখানে মালদ্বীপ, কাতার, তুরস্কসহ ১০টি দেশের পুতুলের পোশাক ও টুপি থেকে প্রতিটি দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ফুটে উঠেছে। পাশাপাশি গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া লোকজ খেলনার প্রতিকৃতি যেমন কাঠের খেলনা গাড়ি, ঘূর্ণায়মান লাটিম, কাচের মার্বেল ও গ্রামীণ মানুষের প্রতিকৃতি প্রদর্শিত হচ্ছে।
গ্যালারির কাচের বাক্সে সাজানো পুতুলগুলোর পোশাক ও নকশায় প্রতিটি দেশের ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখানে পাঠ্যবইয়ের বাইরে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারছেন। জাদুঘরের এমআইএস কাম অ্যাকাউন্ট্যান্ট জীবন চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘এখানে প্রদর্শিত পুতুলগুলো কেবল সাধারণ খেলনা নয়; এগুলো স্ব স্ব দেশের শিল্প ও ঐতিহ্যের প্রতীক। দর্শনার্থীরা সহজেই বিভিন্ন দেশের জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।’
কচুবাড়ি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান বলেছেন, ‘আগে বইয়ে বিভিন্ন দেশের নাম পড়েছি, কিন্তু তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক এভাবে সরাসরি দেখার সুযোগ আগে কখনো হয়নি।’ অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও শহরের বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসরাত ফারজানা বলেছেন, ‘স্মার্টফোনের যুগে আমরা যেখানে একা হয়ে যাচ্ছি, সেখানে এই প্রতিকৃতিগুলো আমাদের বড়দের কাছে শোনা পুরোনো দিনের যৌথ জীবনের কথা মনে করিয়ে দেয়।’
গ্রামবাংলার হারিয়ে যাওয়া খেলনার মধ্যে রয়েছে কাঠের ঠেলাগাড়ি, সুতলি দিয়ে পেঁচিয়ে ঘোরানো লাটিম ও কাচের মার্বেল। স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হোসেন শৈশবের স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, ‘এক টাকায় মার্বেল কেনা কিংবা লাটিম দিয়ে ‘গদ-গদ’ খেলার সেই রোমাঞ্চকর দিনগুলোর কথা এসব খেলনা দেখলে আবার মনে পড়ে যায়।’
"এখানে প্রদর্শিত পুতুলগুলো কেবল সাধারণ খেলনা নয়; এগুলো স্ব স্ব দেশের শিল্প ও ঐতিহ্যের প্রতীক। দর্শনার্থীরা যেন সহজে বিভিন্ন দেশের জীবনযাত্রা সম্পর্কে ধারণা পায়, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।"
"আমাদের এখন অনেক আধুনিক খেলনা থাকলেও আগের দিনের সাধারণ জিনিসে যে আনন্দ ছিল, তা জানতে পেরে খুব ভালো লাগছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা, পূর্ব আকচা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জীবন চন্দ্র রায় (জাদুঘর এমআইএস), জাহিদ হাসান, ইসরাত ফারজানা, জাকির হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি দেশের পুতুল প্রদর্শিত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!