📌 টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলায় চারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। একই গ্রামের নামের কারণে দুটি বিদ্যালয়ের নাম একই রকম হওয়ায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পুলিশ বিভ্রান্তিতে পড়েছে। ২০১৭ সালে জাল ভোটের ঘটনায় পুলিশ ভুল বিদ্যালয়ে গিয়েছিল
টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলায় চারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে যা শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও পুলিশের জন্য জটিলতা সৃষ্টি করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একই গ্রামের নামের কারণে দুটি বিদ্যালয়ের নাম একই রকম হওয়ায় সরকারি কাগজপত্রে বিভ্রান্তি চলছে। এমনকি জাল ভোটের ঘটনায় পুলিশ ভুল বিদ্যালয়ে গিয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সখীপুর উপজেলায় চারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামের বিভ্রান্তি** — দুটি বিদ্যালয় একই গ্রামের নামের কারণে একই নাম পেয়েছে
- 📌 **২০১৭ সালে জাল ভোটের ঘটনায় পুলিশ ভুল বিদ্যালয়ে গিয়েছিল** — নামের বিভ্রান্তির কারণে পুলিশ কালিয়ানপাড়া গ্রামের ঘটনায় কীর্তনখোলা গ্রামের বিদ্যালয়ে গিয়েছিল
- 📌 **দুটি বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন না হলে বিভ্রান্তি দিন দিন বাড়বে** — স্থানীয়রা সরকারকে নাম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিচ্ছে
- 📌 **১৯৩৮ ও ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দুটি বিদ্যালয়ের নামের সিদ্ধান্ত** — মুরুব্বিরা গ্রামের নামের কারণে নাম পরিবর্তন করেননি
📰 বিস্তারিত
টাঙ্গাইল জেলার সখীপুর উপজেলায় পাশাপাশি অবস্থিত কীর্তনখোলা ও কালিয়ানপাড়া গ্রামে দুটি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সমস্যা হলো, কীর্তনখোলা গ্রামে অবস্থিত বিদ্যালয়ের নাম **কালিয়ানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়** এবং কালিয়ানপাড়া গ্রামে অবস্থিত বিদ্যালয়ের নাম **কীর্তনখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়**। এছাড়াও প্রতিমাবংকী উত্তরপাড়া গ্রামে দুটি বিদ্যালয়ের নাম একই — **প্রতিমাবংকী উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়**। এই বিভ্রান্তির কারণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও সরকারি কর্মকর্তাদের সমস্যা হচ্ছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক জানান, কালিয়ানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার সময় মুরুব্বিরা সিদ্ধান্ত নেন যে, বিদ্যালয়ের নাম হবে কালিয়ানপাড়া। কারণ কীর্তনখোলা গ্রামের মানুষের ভাবনা ছিল যে, তাদের গ্রামে বিদ্যালয় না থাকলে তারা বঞ্চিত হবে। ২৭ বছর পর ১৯৬৫ সালে কালিয়ানপাড়া গ্রামে আরেকটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন মুরুব্বিরা সিদ্ধান্ত নেন যে, নতুন বিদ্যালয়ের নাম হবে কীর্তনখোলা।
কামাল হোসেন বলেন, ২০১৭ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাল ভোটের ঘটনায় পুলিশ ভুল বিদ্যালয়ে গিয়েছিল। কালিয়ানপাড়া গ্রামের ভোটকেন্দ্রে মারামারি হয়েছিল, কিন্তু বিদ্যালয়ের নাম কীর্তনখোলা হওয়ায় পুলিশ প্রথমে কীর্তনখোলা গ্রামের বিদ্যালয়ে গিয়েছিল। পরে তারা জানতে পারলো ভুল জায়গায় গিয়েছে।
"বিদ্যালয়ের নাম গ্রামের নামের সঙ্গে মিল না থাকায় এমন বিভ্রান্তি মাঝেমাঝেই হয়। জরুরি কিছু ঘটনা ঘটলে যে কারও ভুল জায়গায় চলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।"
— কামাল হোসেন, কালিয়ানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সখীপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল মালেক, কামাল হোসেন, হামিদা আক্তার, আমিনা আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৩৮ (বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা), ১৯৬৫ (দ্বিতীয় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা), ২৭ বছর (দুই বিদ্যালয়ের মধ্যে ব্যবধান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!