📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহার না করায় প্রশাসনের বৈঠক ব্যর্থ, অবরুদ্ধ শিক্ষকদের মুক্তি পেলেও ক্যাম্পাসে তালা ঝুলছে

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহার না করায় প্রশাসনের বৈঠক ব্যর্থ, অবরুদ্ধ শিক্ষকদের মুক্তি পেলেও ক্যাম্পাসে তালা ঝুলছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের বৈঠকে সমাধান না পেয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। অবরুদ্ধ ২০ জন শিক্ষক মুক্ত হলেও ক্যাম্পাসের ফটকগুলো তালায় বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা দাবি করছে, কলেজকে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিয়ে আসতে হবে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে হবে

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের বৈঠকে সমাধান না পেয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার না করার সিদ্ধান্ত নেয়। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পরও তাদের দাবি মেটানো না গেলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের বৈঠকে সমাধান না পেয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার না করার সিদ্ধান্ত নেয়
  • 📌 জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সিটি প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীর নেতৃত্বে বৈঠক হয়, কিন্তু শিক্ষার্থীদের দাবি মেটানো যায়নি
  • 📌 অবরুদ্ধ ২০ জন শিক্ষক মুক্ত হলেও ক্যাম্পাসের ফটকগুলো তালায় বন্ধ রয়েছে
  • 📌 শিক্ষার্থীরা দাবি করছে, কলেজকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিয়ে আসতে হবে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে হবে
  • 📌 শিক্ষকদের অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেলেও তারা ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে পারছেন না

📰 বিস্তারিত

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাদের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের বৈঠক হয়। বৈঠকে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী ও জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে প্রশাসকরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে ক্যাম্পাসে আসেন, কিন্তু তাদের আশ্বাস শিক্ষার্থীদের সন্তুষ্ট করতে পারেনি।

শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল, কলেজকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে পুরো কার্যক্রম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় কলেজটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করতে হবে। এছাড়াও, শিক্ষকদের অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার পরেও তারা ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে পারছেন না। শিক্ষার্থীরা ফটকসহ বিভিন্ন জায়গায় তালা ঝুলিয়ে রাখায় কেউ ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে পারছেন না।

বৈঠকে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা প্রশাসনের আশ্বাসে আশ্বস্ত হলেও, ক্যাম্পাসে ফিরে আসার সময় কিছু শিক্ষার্থী আন্দোলন থেকে সরতে রাজি হলেও অন্যরা বিরোধিতা করে। সিটি প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিক আলোচনা করলাম, কিন্তু সমাধান আসেনি। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে সরে ক্লাসরুমে ফিরুক।’

শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে ছিল অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামানের বদলির প্রজ্ঞাপন বাতিল করা। সিটি প্রশাসক এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান দিতে পারেননি এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা না আসায় শিক্ষার্থীরা হতাশ হন।

"আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করলাম। শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরাও আমাদের কথায় আশ্বস্ত হন। কিন্তু যখন আমরা ক্যাম্পাসে গেলাম, তখন কিছু শিক্ষার্থী আন্দোলন থেকে সরতে রাজি হলেও অন্যরা বিরোধিতা করে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে সরে ক্লাসরুমে ফিরুক।"

— সিটি প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, সিলেট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিটি প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, শিক্ষার্থীরা, অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন প্রতিনিধি, ২০ জন অবরুদ্ধ শিক্ষক, ৩৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖