📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩৬ কোটি টাকার বিনিয়োগে পাঁচ বছরের নির্মাণে সুনামগঞ্জে তালাবদ্ধ স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চালু না হওয়ার কারণ জানুন

৩৬ কোটি টাকার বিনিয়োগে পাঁচ বছরের নির্মাণে সুনামগঞ্জে তালাবদ্ধ স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চালু না হওয়ার কারণ জানুন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জে ৩৬ কোটি টাকায় নির্মিত স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) পাঁচ বছরের নির্মাণের পরও তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। নির্মাণে বিলম্বের পাশাপাশি হস্তান্তর ও সংস্কারকাজের অভাবে প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়নি, যা স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে

সুনামগঞ্জ জেলার স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) পাঁচ বছরের নির্মাণের পরও তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। ৩৬ কোটি টাকার বিনিয়োগে নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানটি সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আলীপাড়া এলাকায় অবস্থিত, কিন্তু নির্মাণ শেষ হওয়ার পর থেকে কার্যক্রম শুরু হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির ভবনগুলোতে ধুলাবালু জমে আছে, দেয়ালে রং উঠে গেছে এবং পোকামাকড়ের বাসা বেঁধেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৬ কোটি টাকার বিনিয়োগে নির্মিত সুনামগঞ্জ ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) পাঁচ বছরের নির্মাণের পরও তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
  • 📌 ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে নির্মাণ শুরু হলেও কাজের বিলম্বের কারণে এটি ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চালু হয়নি।
  • 📌 ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির ভবনগুলো তালাবদ্ধ, ভেতরে ধুলাবালু জমে আছে এবং পোকামাকড়ের বাসা বেঁধেছে।
  • 📌 ৫০ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়নি, যার মধ্যে একজন অধ্যক্ষসহ পদ সৃজন ও অনুমোদন অনুপস্থিত।
  • 📌 সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের অভাব রয়েছে, যা এই প্রতিষ্ঠান চালু হলে পূরণ হতে পারে।

📰 বিস্তারিত

সুনামগঞ্জের আলীপাড়া এলাকায় অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে নির্মাণ শুরু হলেও বিভিন্ন কারণে কাজের বিলম্ব হয়। প্রকল্পের ব্যয় ছিল প্রায় ৩৬ কোটি টাকা। নির্মাণকাজ শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়নি। সুনামগঞ্জ পৌর শহরের সরকারি কলেজের পেছন দিকে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছে।

সূত্র জানায়, নির্মাণকাজে জড়িত প্রতিষ্ঠান মেসার্স বিবিএল অ্যান্ড এমটি (জেবি)। শুরুতে কাজ চললেও পরে বিভিন্ন কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে নির্মাণ কাজ শেষ হতে প্রায় পাঁচ বছর সময় লেগেছে। প্রতিষ্ঠানটির আটটি ভবন রয়েছে, যার মধ্যে চারতলা একাডেমিক ভবন, ছাত্রাবাস, কর্মকর্তাদের কোয়ার্টার এবং গ্যারেজ ও বিদ্যুতের সাবস্টেশন রয়েছে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী খালেদ মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি যত দ্রুত এটি হস্তান্তর করতে। তার আগে কিছু সংস্কারকাজ করতে হবে। ভবনগুলো এভাবে পড়ে থাকলে আরও ক্ষতি হবে।’ তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটি হস্তান্তর করার জন্য কিছু সংস্কারকাজের প্রয়োজন রয়েছে।

সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের পাশে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। সেলিম আহমেদ নামের একজন ব্যক্তি জানান, ‘কাজকাম তো শেষ। আমরা এখন শুধু এগুলো দেখে রাখছি।’ তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি চালু করার জন্য একজন অধ্যক্ষসহ ৫০ জনের মতো কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। তবে এখনো পদ সৃজন ও অনুমোদন হয়নি বলে প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়নি।

"আমরা চেষ্টা করছি যত দ্রুত এটি হস্তান্তর করতে। তার আগে কিছু সংস্কারকাজ করতে হবে। ভবনগুলো এভাবে পড়ে থাকলে আরও ক্ষতি হবে।"

খালেদ মো. সাইফুল্লাহ, উপসহকারী প্রকৌশলী, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, সুনামগঞ্জ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আলীপাড়া, সুনামগঞ্জ পৌর শহর, সুনামগঞ্জ জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খালেদ মো. সাইফুল্লাহ, সেলিম আহমেদ, মোহাম্মদ রাজু আহমেদ, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ কোটি টাকা (বিনিয়োগ), ৫০ জন (কর্মকর্তা ও কর্মচারী), ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট (জেলা সদর হাসপাতাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖