📌 নাটোরের গুরুদাসপুরে এসএসসি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও সুমাইয়া জাহানকে উপেক্ষা করে আট শিক্ষার্থীকে সম্মানিত করার পরিকল্পনা ছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সুমাইয়া বক্তব্য দিলে ক্রেস্ট বিতরণ স্থগিত করা হয়। জেলা প্রশাসক বিব্রত হন
নাটোরের গুরুদাসপুরে এসএসসি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর (১১৭৩) পেলেও সুমাইয়া জাহানকে উপেক্ষা করে আট শিক্ষার্থীকে সম্মানিত করার পরিকল্পনা ছিল। অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে সুমাইয়া জাহানের আপত্তির মুখে ক্রেস্ট বিতরণ স্থগিত করা হয়। এ ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুমাইয়া জাহান (গুরুদাসপুর সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয়) সর্বোচ্চ এসএসসি নম্বর পেলেও উপজেলা প্রশাসনের তালিকায় স্থান পাননি।
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সুমাইয়া জানান, তার প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে পাঁচ শিক্ষার্থীও বঞ্চিত হয়েছে।
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ স্বীকার করেন, সুমাইয়ার নাম তালিকায় আসা দরকার ছিল।
- 📌 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সেলিম আকতার বলেন, সুমাইয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক মার্কশিট ও আবেদন সময়মতো পাঠাননি।
- 📌 জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার বিব্রত হন এবং বলেন, শিক্ষার্থীদের মন খারাপ না হওয়া দরকার।
- 📌 বরিশালে পুলিশ কর্মকর্তা ডোপ টেস্টের প্রস্তুতিতে পালিয়ে যায় — বিমানবন্দর থানা নিশ্চিত করে।
📰 বিস্তারিত
সুমাইয়া জাহান ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে সর্বোচ্চ নম্বর (১১৭৩) পেয়ে উপজেলার সেরা শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে উপজেলা প্রশাসন তার নাম তালিকায় রাখেনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার। সুমাইয়া জাহান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিলে জানান, শুধু তিনি নয়, তার প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে পাঁচ শিক্ষার্থীও বঞ্চিত হয়েছে। এছাড়াও, গুরুদাসপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর নাম তালিকায় রাখা হয়নি।
সুমাইয়ার বক্তব্যের জবাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, ‘সুমাইয়ার নাম তালিকায় আসা দরকার ছিল। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিষয়টি আমাকে জানানো দরকার ছিল। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও আমাকে জানাতে পারতেন।’ ইউএনও আরও জানান, সুমাইয়ার মার্কশিট, নম্বর ও আবেদন কোনোটাই তাদের কাছে আসেনি। এখন জানতে পেরেছে সুমাইয়াই সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন এবং ক্রেস্ট তাকে প্রদান করা হবে। এ কারণে অনুষ্ঠানের সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ স্থগিত করা হয়েছে।
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সেলিম আকতার বলেন, সুমাইয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষককে তাগিদ দেওয়া হলেও সময়মতো শিক্ষার্থীদের মার্কশিট, ছবি ও আবেদন সরবরাহ করেননি। এ কারণে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তালিকায় স্থান পায়নি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে কোনো তালিকা চেয়ে তাঁকে অবগত করা হয়নি।
জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতার মূল্য দিতে হবে। তাদের মন খারাপ না হওয়া দরকার। আমাদের ভুল হতে পারে, কিন্তু সৎ ইচ্ছা ছিল কি না তা দেখতে হবে।’ তিনি সুমাইয়া জাহানের নাম তালিকায় না থাকায় বিব্রত হন।
অন্য একটি ঘটনায়, বরিশালে মাদকের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে আটক করা পুলিশ কর্মকর্তা থানা থেকে পালিয়ে যায়। বিমানবন্দর থানা পুলিশ জানায়, কর্মকর্তাটি ডোপ টেস্টের প্রস্তুতিকালে কৌশলে পালিয়ে যায়। এ তথ্য রাতের দিকে নিশ্চিত করা হয়।
"তার নাম তালিকায় আসা দরকার ছিল। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিষয়টি আমাকে জানানো দরকার ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরুদাসপুর উপজেলা, নাটোর; বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমাইয়া জাহান, ফাহমিদা আফরোজ, মো. সেলিম আকতার, মো. জাহাঙ্গীর আলম, মোছা. সুমনী আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৭৩ (সর্বোচ্চ এসএসসি নম্বর), ৫ (বঞ্চিত শিক্ষার্থী), ৮ (সম্মানিত শিক্ষার্থী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!