📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডেঙ্গু জ্বরে সাবরিন জিপিএ-৫ পেলেও পরীক্ষায় অংশ নিলেন, বাবার ভ্যানে এসেছিলেন কৃতী ছেলে রিয়াজ

ডেঙ্গু জ্বরে সাবরিন জিপিএ-৫ পেলেও পরীক্ষায় অংশ নিলেন, বাবার ভ্যানে এসেছিলেন কৃতী ছেলে রিয়াজ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত সাবরিন সুলতানা জিপিএ-৫ পেলেও পরীক্ষায় অংশ নিলেন। অনুষ্ঠানে বাবার ভ্যানে আসেন কৃতী ছেলে রিয়াজ। মাদারীপুরে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা হয়

মাদারীপুরের একটি শিক্ষার্থী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত থাকা সত্ত্বেও এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন। সাবরিন সুলতানা নামের এই মেয়ে তার বাবার প্রেরণায় পরীক্ষায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে তার বাবার ভ্যানে আসেন তার ছেলে রিয়াজ, যিনি অসচ্ছলতার মধ্যেও জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত সাবরিন সুলতানা পরীক্ষায় অংশ নিলেন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন
  • 📌 সাবরিনের বাবার ভ্যানে আসেন তার ছেলে রিয়াজ, যিনি গোল্ডেন এ-প্লাস পেয়েছেন
  • 📌 মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়
  • 📌 শিক্ষার্থীদের মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থকে ‘না’ বলার শপথ পড়ানো হয়
  • 📌 অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বন্ধু নির্বাচনে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়

📰 বিস্তারিত

পরীক্ষার দুই দিন আগে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও সাবরিন সুলতানা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘এই ফলের পেছনে সবচেয়ে বড় প্রেরণা আমার বাবা। ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারব কি না, তা নিয়ে চিন্তা ছিল। বাবা-মা দুজনই আমাকে সাহস দিয়েছেন।’ সাবরিনের মতো সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তার বাবার ভ্যানচালক ছেলে রিয়াজ। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে গোল্ডেন এ-প্লাস পাইছে। ছেলে বলল, বাবা, আজ আমাকে সংবর্ধনা দেবে। শুনে প্রথমে অবাক হইছি। পরে ছেলেকে ভ্যানে কইরা নিয়ে আসি।’

৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে আটটা বাজে মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উম্মে হানি ও মিমি রহমান, যারা ক্লাস ফোর থেকে একসঙ্গে পড়াশোনা করে আসছেন। মিমি বলেন, ‘আমরা দুই বান্ধবী ক্লাস ফোর থেকে একসঙ্গে আছি। এখনো কলেজে একসঙ্গেই। আবার একই সঙ্গে সংবর্ধনা নিতে পারছি। বিষয়টা খুব আনন্দের।’

প্রথম আলোর আয়োজনে এবং শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় সহযোগিতা করে মাদারীপুর বন্ধুসভা। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থকে ‘না’ বলার শপথ পড়ান মস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নবাবজান। তিনি বলেন, ‘তোমরা নিঃসন্দেহে অনেক মেধাবী। তবে একজন মেধাবী মানুষ হওয়ার চেয়ে সৎ মানুষ হওয়াটা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তোমাদের আগামী গড়ে উঠুক মেধা ও সততার মিশ্রে।’

শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়ে বক্তব্য দেন কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এটা তোমাদের জীবনের প্রথম বড় সাফল্য। তবে এই সাফল্য ধরে রাখতে হলে তোমাদের আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে তোমরাই। নিজেদের সেভাবে যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তোলো।’

"তোমরা নিঃসন্দেহে অনেক মেধাবী। তবে একজন মেধাবী মানুষ হওয়ার চেয়ে সৎ মানুষ হওয়াটা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবরিন সুলতানা, রিয়াজ, মোহাম্মদ নবাবজান, মজিবুর রহমান, উম্মে হানি, মিমি রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ অক্টোবর, ৫.০ (জিপিএ), ৪০ কিলোমিটার, ১০ জন শিক্ষার্থী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖