📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে ছাত্রসংগঠনের ছায়া: সরকার কেন নীরব?

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে ছাত্রসংগঠনের ছায়া: সরকার কেন নীরব?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্য নিয়োগ ও কার্যক্রমে ছাত্রসংগঠনের প্রভাবের বিরুদ্ধে সতর্কতা তুলে ধরেছেন প্রথম আলো। চুয়েটের নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলমের চেয়ারে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারের নীরবতা ও শিক্ষাব্যবস্থায় ছাত্ররাজনীতির প্রভাব বিশ্লেষিত হয়েছে

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থায় উপাচার্য পদে ছাত্রসংগঠনের প্রভাবের বিরুদ্ধে সতর্কতা তুলে ধরেছেন প্রথম আলো। সরকারের নীরবতা ও শিক্ষাব্যবস্থায় ছাত্ররাজনীতির অদম্য প্রভাবের কথা তুলে ধরা হয়েছে এক বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদনে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) উপাচার্য পদে নতুন নিয়োগের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন এবং সরকারের প্রতিক্রিয়ার অভাবই এই প্রতিবেদনের মূল বিষয়বস্তু।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সহ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষকে শপথ পাঠ করিয়েছিলেন তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।
  • 📌 ৫ জুলাই ২০২৫ তারিখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ইয়াহ্ইয়া আখতারের কার্যালয়ে শিক্ষকের পদোন্নতি আটকানোর ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা হট্টগোল করে বলেছিলেন, ‘আপনি নিজ যোগ্যতায় বসেননি, আমরা আপনাকে বসিয়েছি’।
  • 📌 ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে চুয়েটের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ক্ষমতাসীন ছাত্রদলের সহায়তায় তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে প্রবেশ করেন।
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার আইন অনুযায়ী উপাচার্য নিয়োগ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, কিন্তু বাস্তবে ছাত্রসংগঠনগুলোই উপাচার্য নিয়োগ ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
  • 📌 সরকারের নীরবতা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ব্যাপারটি এড়িয়ে যাওয়ার কারণে চুয়েটের শিক্ষাক্রমে ব্যাঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থায় উপাচার্য পদে ছাত্রসংগঠনের প্রভাবের বিরুদ্ধে সতর্কতা তুলে ধরেছেন প্রথম আলো। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান সরকারের আমলে পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে ছাত্রসংগঠনের প্রভাব অদম্য। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সহ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষকে শপথ পাঠ করিয়েছিলেন তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। এই ঘটনাটি ছিলো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে আসা অধ্যাপক ইয়াহ্ইয়া আখতারের কার্যালয়ে শিক্ষকের পদোন্নতি আটকানোর ঘটনায় ৫ জুলাই ২০২৫ তারিখে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা হট্টগোল করে বলেছিলেন, ‘আপনি নিজ যোগ্যতায় বসেননি, আমরা আপনাকে বসিয়েছি, আপনি আমাদের কথা শুনতে বাধ্য’। এই ঘটনাটি উপাচার্য পদে ছাত্রসংগঠনের প্রভাবের একটি স্পষ্ট উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) উপাচার্য পদে নতুন নিয়োগের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থীরা নতুন উপাচার্য পদ বাতিলের দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি গ্রহণ করে। এই আন্দোলনের মধ্যে ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ক্ষমতাসীন ছাত্রদলের সহায়তায় তালা ভেঙে নিজের দপ্তরে প্রবেশ করেন।

"আমরা কী দেখছি? এক দল এসে উপাচার্যকে বলছে, আমরাই আপনাকে বসিয়েছি। আরেক দল শিক্ষার্থীদের চাওয়া–পাওয়ার বাইরে গিয়ে উপাচার্যকে চেয়ারে বসিয়ে দিচ্ছে। উপাচার্য কী করবেন আর কী করবেন না, তা ঠিক করার দায়িত্বও তারাই নিয়ে নিচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম, অধ্যাপক ইয়াহ্ইয়া আখতার, তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা, ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৫ জুলাই ২০২৫, ১২ অক্টোবর ২০২৬

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖