📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রত্যাহার করে আন্দোলন, মন্ত্রীর আশ্বাসে রোববার থেকে ক্লাস শুরু

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রত্যাহার করে আন্দোলন, মন্ত্রীর আশ্বাসে রোববার থেকে ক্লাস শুরু

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৩ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করে রোববার (১১ অক্টোবর) থেকে ক্লাসে ফিরছেন। শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আশ্বাসে দাবিগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পেয়ে তারা আন্দোলন শেষ করেন

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৩ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করে রোববার (১১ অক্টোবর) থেকে ক্লাসে ফিরছেন। শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা দাবিগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পেয়ে আন্দোলন শেষ করেন। মন্ত্রীর সঙ্গে শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত আলোচনায় শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় এবং তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৩ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করে রোববার (১১ অক্টোবর) থেকে ক্লাসে ফিরছেন
  • 📌 মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা দাবিগুলো বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পেয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করেন
  • 📌 শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি ছিল কলেজটিকে মাউশি বিভাগের অধীনে স্থানান্তর ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর
  • 📌 মন্ত্রী জানান, কলেজটিকে ‘সিলেট প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’-এ রূপান্তরের প্রক্রিয়া আগামী আট মাসের মধ্যে শুরু হবে
  • 📌 সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী খেলার মাঠ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন
  • 📌 মন্ত্রী আগামী ১৮ অক্টোবর কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন করবেন

📰 বিস্তারিত

শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের আশ্বাসে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৩ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করে রোববার (১১ অক্টোবর) থেকে ক্লাসে ফিরছেন। শুক্রবার রাতে সিলেট সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনায় শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা হয় এবং তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে কলেজটিকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) বিভাগের অধীনে স্থানান্তর, প্রতিষ্ঠানটিকে পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, শিক্ষকসংকট নিরসন এবং খেলার মাঠ নির্মাণ।

মন্ত্রী জানান, কলেজটিকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীনে স্থানান্তরের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়াও তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে ‘সিলেট প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’-এ রূপান্তরের প্রক্রিয়া আগামী আনুমানিক আট মাসের মধ্যে এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন। বর্তমান চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের পাস করে বের হওয়ার আগেই এ বিষয়ে অগ্রগতি আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি শিক্ষকসংকটসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধানের আশ্বাসও দেন তিনি।

সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী কলেজে একটি খেলার মাঠ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। মন্ত্রী আগামী ১৮ অক্টোবর সরেজমিনে কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন করবেন বলে জানান। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের দাবিগুলো পূরণ হবে।

"মন্ত্রী মহোদয় আমাদের সব দাবি মেনে নিয়ে তা পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন। আগামী ১৮ অক্টোবর ক্যাম্পাস পরিদর্শনে আসবেন বলেও জানিয়েছেন। তাঁর আশ্বাসে আমরা আগামীকাল থেকে ক্লাসে ফিরছি।"

— মো. তানভীর মাহমুদ, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, সিলেট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির (শিল্পমন্ত্রী), আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী (সিসিক প্রশাসক), মো. তানভীর মাহমুদ (শিক্ষার্থী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ দিনের আন্দোলন, ১১ অক্টোবর ক্লাস শুরু, ১৮ অক্টোবর মন্ত্রীর পরিদর্শন, ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ, ৩৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ, ১০ শিক্ষার্থী প্রতিনিধি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖