📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দ্বিতীয় চেষ্টায় বিজেএসের শীর্ষে উঠলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিয়াম: 'সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহে সাফল্য'

দ্বিতীয় চেষ্টায় বিজেএসের শীর্ষে উঠলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিয়াম: 'সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহে সাফল্য'

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের স্নাতক আরিফুল করিম সিয়াম ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। প্রথমবার পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেছেন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের স্নাতক আরিফুল করিম সিয়াম ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) সহকারী জজ পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। প্রথমবার পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি নতুন করে প্রস্তুতি নিয়ে সাফল্য অর্জন করেছেন। দীন ইসলামের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার সিয়াম নওগাঁয়ে বেড়ে উঠেছেন। বাবার চাকরির কারণে তাঁর পরিবার নওগাঁয়ে বসবাস করতেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন** রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের স্নাতক আরিফুল করিম সিয়াম।
  • 📌 **প্রথমবার ১৭তম বিজেএস পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ব্যর্থ** হয়ে দ্বিতীয়বার চেষ্টায় তিনি শীর্ষে উঠেছেন।
  • 📌 **পড়াশোনার নিয়মিত রুটিন ও সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা** ছিল তাঁর সাফল্যের মূল কারণ বলে দাবি করেছেন সিয়াম।
  • 📌 **পরিবার ও বন্ধুর সহযোগিতা** তাঁর পড়াশোনার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
  • 📌 **২০১৫ সালে নওগাঁ জিলা স্কুল থেকে ডিস্ট্রিক্ট ফার্স্ট** হওয়ার পর থেকে তিনি নিজের লক্ষ্য অর্জনে অটল ছিলেন।
  • 📌 **১১ বছর বয়সের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের** সহযোগিতা পেয়েছেন সিয়াম।
  • 📌 **ভিভো বাংলাদেশ** কর্তৃক ‘সিনিয়র ম্যানেজার’ পদে আবেদন শুরু হয়েছে, যা ১০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

📰 বিস্তারিত

আরিফুল করিম সিয়াম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের (৪১তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি প্রথমবার ১৭তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নেন, কিন্তু প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ব্যর্থ হন। এরপর তিনি নতুন করে প্রস্তুতি শুরু করেন এবং নিজের পড়াশোনার রুটিন গুছিয়ে নেন। প্রতিদিন তিনি নিজের অগ্রগতি যাচাই করতেন এবং কোনো বিষয়ে পড়া কম হলে পরের দিন তা পূরণের চেষ্টা করতেন।

সিয়াম বলেন, ‘আমি প্রতিদিন আগের দিনই প্রস্তুতি নিয়ে রাখতাম। কোনো বিষয়ে কতটুকু পড়ব, কোনো মডেল টেস্ট দেব, সেটি আগের দিনই ঠিক করে নিতাম। পড়াশোনার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় বাঁধা রাখতাম না। ঘুম পেলে ঘুমাতাম, ঘুম না পেলে পড়াশোনা করতাম। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাও দিয়েছি এবং খেলাধুলাও করেছি।’ তিনি একটি বিতর্ক ক্লাবের সভাপতি ছিলেন এবং সেখানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।

১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পর সিয়াম মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করি যে তিনি আমাকে সফল করেছেন। তবে এই যাত্রাটা সহজ ছিল না। প্রথমবার চেষ্টা করলে ব্যর্থ হয়েছি। এরপর আবার নতুন করে শুরু করতে হয়েছে। সৃষ্টিকর্তার কাছে চাওয়া, পরিশ্রম করা এবং নিজেকে গুছিয়ে নেওয়া—এই সবকিছু করতে হয়েছে।’

সিয়ামের পরিবার তাঁর পড়াশোনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি বলেন, ‘আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে আমার পরিবার। আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। আমার মা-বাবা আমাকে ঘিরে অনেক স্বপ্ন দেখতেন। তাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আমি চেষ্টা করেছি, যাতে ভালো কিছু করতে পারি।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘২০১৫ সালে আমি নওগাঁ জিলা স্কুল থেকে ডিস্ট্রিক্ট ফার্স্ট হয়েছিলাম। তখন আমার মা-বাবা আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলেন। কোনো অর্জনের কারণে বাবা নিজে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদবেন—এটা আমার খুব চাওয়া ছিল।’

সাফল্যের পর পরিবারেও আনন্দের আবহ নেমেছে। ফল প্রকাশের পর মা-বাবা তাঁকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন। সিয়ামের জীবনের পথচলায় একজন ১১ বছর বয়সের বন্ধু আছেন, যিনি তাঁর পড়াশোনা এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন। বন্ধুর বাবাও বিভিন্নভাবে তাঁকে সহযোগিতা করেছেন। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি দুই বোনও তাঁকে নিয়মিত উৎসাহ দিয়েছেন।

"আমি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতাম এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে চাইতাম। পাশাপাশি নিজের পড়াশোনাটাও নিয়মিত করতাম। নিজের পড়াশোনা সেভাবে গুছিয়ে নিয়ে চলতে হবে। পড়াশোনা এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে চাওয়া—এই দুই বিষয়ের সমন্বয় যদি কেউ করতে পারে, তাহলে শ্রমের ফল ইনশা আল্লাহ একদিন না একদিন পাওয়া যাবে।"

সিয়াম নতুনদের উদ্দেশে বলেন, ‘সামনে যাঁরা পরীক্ষা দেবেন, তাঁদের প্রতি আমার বার্তা; নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তার ওপর সর্বোচ্চ ভরসা রাখুন।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, নওগাঁ, গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফুল করিম সিয়াম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮তম বিজেএস, ১৭তম বিজেএস, ৪১তম ব্যাচ, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ, ১১ বছর বয়সের বন্ধু, ১০ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖